সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুরে অবৈধ মোরাম খাদান রুখতে কমলপুর মৌজায় বনাঞ্চল গড়ে তুলেছিল বনদপ্তর। কিন্তু সেখানে থাকা শুকনো সরগাছে বারবার আগুন লাগিয়ে দেওয়ায় বনাঞ্চল রক্ষা মুশকিল হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সমাজবিরোধীরাই সরগাছে আগুন লাগাচ্ছে। তাই এবার ওই জঙ্গলে অগ্নিকাণ্ড রুখতে ‘ফায়ার লাইন’ তৈরি করছে বনদপ্তর। এজন্য বনাঞ্চলের শুকনো সরগাছ যন্ত্রের সাহায্যে কেটে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
দুর্গাপুরের ডিএফও অনুপম খান বলেন, কিছুদিন আগেই ওখানে দু’টি মোরামবোঝাই ট্রাক্টর আটক করা হয়েছে। বনাঞ্চলে অগ্নিকাণ্ড রুখতে আমরা ‘ফায়ার লাইন’ তৈরির পদক্ষেপ করেছি। শুকনো সরগাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। কেউ যাতে জঙ্গলে আগুন লাগাতে না পারে, সেজন্য কড়া নজরদারি চলছে।
দুর্গাপুরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বীজুপাড়া, কমলপুর ও পারুলিয়া সহ দুর্গাপুর- ফরিদপুর ব্লকের হেতোডোবা, নাচনের বড় এলাকাজুড়ে মোরাম খাদান রয়েছে। ব্রিটিশ আমল থেকেই এই মোরাম খাদান চলছিল। পরে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল মোরাম তোলা বন্ধের নির্দেশ দেয়। তা সত্ত্বেও অবৈধভাবে খাদানটি চলছিল। এই বেআইনি কারবার রুখতে বেশ কয়েকবছর ধরে বনদপ্তর বিশাল এলাকাজুড়ে বৃক্ষরোপণ করে। প্রায় দু’বছর আগে ১০ হেক্টর মোরাম খাদানে বৃক্ষরোপণ করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের আরবান ফরেস্ট প্রকল্পে ওই ‘নগরবন’ গড়ে তোলা হয়। খাদনের পাথুরে মাটিতে নানা সমস্যা সত্ত্বেও সোনাঝুরি গাছের পরিচর্যা করে বনাঞ্চল তৈরি হয়েছে।
কিন্তু ওই বিশাল খাদান এলাকা সরগাছের অনুকূল পরিবেশ হওয়ায় বিপত্তি দেখা দিয়েছে। এসময় সরগাছের জঙ্গল শুকিয়ে যায়। সেই শুকনো সরগাছে কখনও অসচেতন মানুষ, আবার কখনও সমাজবিরোধীরা আগুন লাগাচ্ছে। ফলে বনাঞ্চলের অন্য মূল্যবান গাছের ক্ষতি হচ্ছে। জঙ্গলে থাকা ছোট জীবজন্তুও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এলাকার বাসিন্দা দেবব্রত সাহা বলেন, প্রায় প্রতিবছরই এসময় সরগাছের বনে আগুন লাগে। কখনও কখনও জ্বলন্ত বিড়ি, সিগারেট শুকনো পাতায় ফেলে দেওয়ায় আগুন লেগে যায়।
এবছর তাই বনদপ্তর ওই সমস্ত সরগাছ কেটে সরিয়ে দিচ্ছে। এছাড়া, এসময় দুর্গাপুর-ফরিদপুর ও কাঁকসা ব্লকের বিস্তীর্ণ শাল-পিয়ালের জঙ্গলে গাছের পাতা ঝরা শুরু হয়। ওই শুকনো পাতার কারণেও আগুন ধরে। তাই ব্লোয়ার যন্ত্রের সাহায্যে শুকনো পাতা পরিষ্কারের কাজ করে বনদপ্তর। এসময় জঙ্গলে কড়া নজরদারি চালানো হয়। বিভিন্ন সাইনবোর্ডের সাহায্যে ও মাইকিং করে জঙ্গলে আগুন লাগানো রুখতে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।
দুর্গাপুরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বীজুপাড়া, কমলপুর ও পারুলিয়া সহ দুর্গাপুর- ফরিদপুর ব্লকের হেতোডোবা, নাচনের বড় এলাকাজুড়ে মোরাম খাদান রয়েছে। ব্রিটিশ আমল থেকেই এই মোরাম খাদান চলছিল। পরে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল মোরাম তোলা বন্ধের নির্দেশ দেয়। তা সত্ত্বেও অবৈধভাবে খাদানটি চলছিল। এই বেআইনি কারবার রুখতে বেশ কয়েকবছর ধরে বনদপ্তর বিশাল এলাকাজুড়ে বৃক্ষরোপণ করে। প্রায় দু’বছর আগে ১০ হেক্টর মোরাম খাদানে বৃক্ষরোপণ করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের আরবান ফরেস্ট প্রকল্পে ওই ‘নগরবন’ গড়ে তোলা হয়। খাদনের পাথুরে মাটিতে নানা সমস্যা সত্ত্বেও সোনাঝুরি গাছের পরিচর্যা করে বনাঞ্চল তৈরি হয়েছে।
কিন্তু ওই বিশাল খাদান এলাকা সরগাছের অনুকূল পরিবেশ হওয়ায় বিপত্তি দেখা দিয়েছে। এসময় সরগাছের জঙ্গল শুকিয়ে যায়। সেই শুকনো সরগাছে কখনও অসচেতন মানুষ, আবার কখনও সমাজবিরোধীরা আগুন লাগাচ্ছে। ফলে বনাঞ্চলের অন্য মূল্যবান গাছের ক্ষতি হচ্ছে। জঙ্গলে থাকা ছোট জীবজন্তুও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এলাকার বাসিন্দা দেবব্রত সাহা বলেন, প্রায় প্রতিবছরই এসময় সরগাছের বনে আগুন লাগে। কখনও কখনও জ্বলন্ত বিড়ি, সিগারেট শুকনো পাতায় ফেলে দেওয়ায় আগুন লেগে যায়।
এবছর তাই বনদপ্তর ওই সমস্ত সরগাছ কেটে সরিয়ে দিচ্ছে। এছাড়া, এসময় দুর্গাপুর-ফরিদপুর ও কাঁকসা ব্লকের বিস্তীর্ণ শাল-পিয়ালের জঙ্গলে গাছের পাতা ঝরা শুরু হয়। ওই শুকনো পাতার কারণেও আগুন ধরে। তাই ব্লোয়ার যন্ত্রের সাহায্যে শুকনো পাতা পরিষ্কারের কাজ করে বনদপ্তর। এসময় জঙ্গলে কড়া নজরদারি চালানো হয়। বিভিন্ন সাইনবোর্ডের সাহায্যে ও মাইকিং করে জঙ্গলে আগুন লাগানো রুখতে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।



