সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের ইচ্ছাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে গড়ে ওঠা অনুষ্ঠান ভবনে উপকৃত হচ্ছেন বহু গ্রামবাসী। পাশাপাশি ওই ভবনের ভাড়া থেকে পঞ্চায়েতের রাজস্ব ভাণ্ডারও ভরে উঠছে। পঞ্চায়েতের দাবি, স্বল্পমূল্যে ভবন ভাড়া দেওয়ায় বহু মানুষ যেমন উপকৃত হচ্ছেন তেমনি ওই ভবনের ভাড়ার অর্থ উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। ভবনের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় গত বছর থেকে ভবনটি সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় ও পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই পঞ্চায়েতে ১২টি গ্রাম রয়েছে। জনবসতিপূর্ণ গ্রামে ফাঁকা জায়গা কম থাকায় যে কোনও অনুষ্ঠানে প্যান্ডেল করার জায়গা নিয়ে এলাকাবাসী বিপাকে পড়তেন। তা লক্ষ করে পঞ্চায়েত গুরুত্ব দিয়ে ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে একটি ভবন গড়ার উদ্যোগ নেয়। বিভিন্ন প্রকল্পের প্রায় ২৬ লক্ষ টাকা ব্যয় করে পাটশাওড়া গ্রামের পাশে একটি ভবন গড়ে তোলা হয়। ভবনের নাম করণ করা হয় ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র ভবন’। ২০১৮ সাল থেকেই ভবনটি ভাড়া দেওয়া শুরু হয়ে যায়। একটি বিশাল হলঘর, দু’টি ঘর ও একটি রান্নাঘর সহ ভবনটি ভাড়া দেওয়া হয়। প্রতিদিন ৮ হাজার টাকা ভাড়া নেওয়া হয়। ভবনের চাহিদা ও পঞ্চায়েতের রাজস্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই ভবনটি দ্বিতল করার কাজ শুরু হয়।
Advertisement
স্থানীয় বাসিন্দা অন্নপূর্ণা চট্টোপাধ্যায় বলেন, এলাকায় বিয়ে, অন্নপ্রাশন ও শ্রাদ্ধ ইত্যাদি অনুষ্ঠানে প্যান্ডেল করার জায়গা নিয়ে সমস্যা হয়। তাছাড়া প্যান্ডেল করা ভবন ভাড়ার চেয়ে অনেক বেশি খরচ সাপেক্ষ। নেতাজি সুভাষ ভবন গড়ে ওঠায় গ্রামবাসীরা সকলেই উপকৃত হচ্ছেন।
গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সঞ্চালক তথা প্রাক্তন প্রধান উজ্জ্বল মণ্ডল বলেন, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে আমরা এই ভবনটি গড়ে তুলেছি। বহু মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। বর্তমানে ভবনটি দ্বিতলের কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হওয়ার মুখে। দু’টি হলঘরে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। দ্বিতলে আরও ৪টি ঘর করা হয়েছে। আগামীতে ঘরগুলি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত করার লক্ষ্য রয়েছে।
পঞ্চায়েত প্রধান শিপ্রা মজুমদার বলেন, একই ছাতার নীচে মানুষ জল, বিদ্যুৎও পাচ্ছেন। টাইলস বসানো ঝাঁ চকচকে ভবনের পাশে পার্কিংয়ের জায়গা রয়েছে। আমরা মানুষকে ভালো পরিষেবা দিতে পারছি। এছাড়াও পঞ্চায়েতের একটা রাজস্ব আসছে। যা এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার হচ্ছে।
গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সঞ্চালক তথা প্রাক্তন প্রধান উজ্জ্বল মণ্ডল বলেন, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে আমরা এই ভবনটি গড়ে তুলেছি। বহু মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। বর্তমানে ভবনটি দ্বিতলের কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হওয়ার মুখে। দু’টি হলঘরে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। দ্বিতলে আরও ৪টি ঘর করা হয়েছে। আগামীতে ঘরগুলি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত করার লক্ষ্য রয়েছে।
পঞ্চায়েত প্রধান শিপ্রা মজুমদার বলেন, একই ছাতার নীচে মানুষ জল, বিদ্যুৎও পাচ্ছেন। টাইলস বসানো ঝাঁ চকচকে ভবনের পাশে পার্কিংয়ের জায়গা রয়েছে। আমরা মানুষকে ভালো পরিষেবা দিতে পারছি। এছাড়াও পঞ্চায়েতের একটা রাজস্ব আসছে। যা এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার হচ্ছে।



