সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুরে দ্বারকানাথ ঠাকুরের বিশ্রামাগার দখল করে গাড়ি মেরামতির গ্যারেজে করার অভিযোগ উঠেছে। ২০০ বছরের ঐতিহ্যবহনকারী ওই স্মৃতিসৌধটি অবহেলিত হয়ে পড়ে রয়েছে। দুষ্কৃতীরা কাঠামো থেকে ইট ও কাঠের স্তম্ভ ছাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের হেলদোল না থাকায় শহর থেকে বিলীন হতে বসেছে ঐতিহ্যটি। ঠাকুর পরিবারের এক বংশধরের দাবি, ওই স্মৃতি সৌধটির নিদর্শন রক্ষার্থে প্রশাসনের পদক্ষেপ করা উচিত। সংস্কার করে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ থেকে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। দুর্গাপুর পুরসভা বিষয়টি রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানোয় আগ্রহ দেখিয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ২০০ বছর আগে ওই বিশ্রামাগারটি নির্মাণ করেন দ্বারকানাথ ঠাকুর। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঠাকুরদা ছিলেন দ্বারকানাথ ঠাকুর। ব্রিটিশ আমলে রানিগঞ্জের নারায়ণকুড়িতে গড়ে ওঠা কয়লাখনি ১৮৩২ সালে তিনি কিনে নেন। তাঁর বন্ধু উইলিয়াম কারকে সঙ্গে নিয়ে কার অ্যান্ড টেগোর কোম্পানি করেন। ব্যবসায়ীক সুবাদে তিনি কলকাতা থেকে দুর্গাপুর হয়ে রানিগঞ্জ যাতায়াত করতেন গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড হয়ে। যা বর্তমানে দুর্গাপুরে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক নামে পরিচিত। দুর্গাপুর শহরের খয়রাশোল এলাকায় জাতীয় সড়কের পাশেই অসংরক্ষিত ওই দ্বিতল বিশ্রামাগারটি জরাজীর্ণ ও ভগ্নদশায় এখনও দাঁড়িয়ে আছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুধাজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, সড়ক পথে দ্বারকানাথ ঠাকুর যাতায়াতের জন্য একসময় ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার করতেন। তাঁর সঙ্গে থাকতেন ঘোড়ার গাড়ির চালক। এছাড়াও ছিলেন দেহরক্ষী সহ কয়েকজন লাঠিয়াল। দ্বারকানাথ ঠাকুর এবং তাঁর ঘোড়া সহ গাড়োয়াল ও লাঠিয়ালদের বিশ্রাম নেওয়ার জন্য ওই বিশ্রামাগারটি নির্মাণ করা হয়। তাঁর গাড়োয়াল ও লাঠিয়ালরা মুসলিম সম্প্রদায়ের ছিলেন। তাঁরা ওখানেই নামাজ পড়তেন। ওই এলাকার আশাপাশে কোনও মুসলিম সম্প্রদায়ের বসতি নেই। কিন্তু ওই বিশ্রামাগার লাগোয়া রয়েছে ওই সময়কালে গড়ে ওঠা মসজিদ। যা বর্তমানে পুরসভা সংস্কারও করেছে। তবে কিছু অবৈধ দখলদাররা বিশ্রামাগারটির পাঁচিলে ঘেষে গ্যারেজ নির্মাণ করেছে। তারা বিশ্রামাগারটি দখল করে যন্ত্রাংশ রাখেন। আমরা বাম আমলেও সংস্কারের দাবি করেছিলাম। বর্তমান সরকার রক্ষণাবেক্ষণের পদক্ষেপ নিলে একটি স্মৃতিসৌধ জীবিত থাকবে।
ঠাকুর পরিবারের বংশধর তথা বর্তমানে দুর্গাপুরের চিত্রশিল্পী কমল কুশারী বলেন, জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের আগের পদবী ছিল কুশারী। ওই পরিবার পরে ঠাকুর উপাধিপ্রাপ্ত হয়েছিল। দ্বারকানাথ ঠাকুরের ওই ঐতিহ্যবাহী বিশ্রামাগারটি আজ ভগ্নদশায় রয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি করব সংরক্ষণের জন্য।
বিশ্রামাগারটি দখল করে থাকা রিপন সরকার বলেন, আমরা দখল করিনি। দুষ্কৃতীরা ইট ও কাঠের স্তম্ভ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি ও কাকা স্বপন পাল দেখভাল করি। প্রশাসন যখন বলবে আমরা ছেড়ে দেব।
দুর্গাপুর পুরসভার চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরাও চাই ওই বিশ্রামাগারটি সংরক্ষিত থাকুক। কিন্তু আমাদের একটি আবেদন করতে হবে। আমরা রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করব। আর বিশ্রামাগারটি কোন দপ্তরের জমির উপর আছে দেখতে হবে। সেই দপ্তর থেকে জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুধাজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, সড়ক পথে দ্বারকানাথ ঠাকুর যাতায়াতের জন্য একসময় ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার করতেন। তাঁর সঙ্গে থাকতেন ঘোড়ার গাড়ির চালক। এছাড়াও ছিলেন দেহরক্ষী সহ কয়েকজন লাঠিয়াল। দ্বারকানাথ ঠাকুর এবং তাঁর ঘোড়া সহ গাড়োয়াল ও লাঠিয়ালদের বিশ্রাম নেওয়ার জন্য ওই বিশ্রামাগারটি নির্মাণ করা হয়। তাঁর গাড়োয়াল ও লাঠিয়ালরা মুসলিম সম্প্রদায়ের ছিলেন। তাঁরা ওখানেই নামাজ পড়তেন। ওই এলাকার আশাপাশে কোনও মুসলিম সম্প্রদায়ের বসতি নেই। কিন্তু ওই বিশ্রামাগার লাগোয়া রয়েছে ওই সময়কালে গড়ে ওঠা মসজিদ। যা বর্তমানে পুরসভা সংস্কারও করেছে। তবে কিছু অবৈধ দখলদাররা বিশ্রামাগারটির পাঁচিলে ঘেষে গ্যারেজ নির্মাণ করেছে। তারা বিশ্রামাগারটি দখল করে যন্ত্রাংশ রাখেন। আমরা বাম আমলেও সংস্কারের দাবি করেছিলাম। বর্তমান সরকার রক্ষণাবেক্ষণের পদক্ষেপ নিলে একটি স্মৃতিসৌধ জীবিত থাকবে।
ঠাকুর পরিবারের বংশধর তথা বর্তমানে দুর্গাপুরের চিত্রশিল্পী কমল কুশারী বলেন, জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের আগের পদবী ছিল কুশারী। ওই পরিবার পরে ঠাকুর উপাধিপ্রাপ্ত হয়েছিল। দ্বারকানাথ ঠাকুরের ওই ঐতিহ্যবাহী বিশ্রামাগারটি আজ ভগ্নদশায় রয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি করব সংরক্ষণের জন্য।
বিশ্রামাগারটি দখল করে থাকা রিপন সরকার বলেন, আমরা দখল করিনি। দুষ্কৃতীরা ইট ও কাঠের স্তম্ভ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি ও কাকা স্বপন পাল দেখভাল করি। প্রশাসন যখন বলবে আমরা ছেড়ে দেব।
দুর্গাপুর পুরসভার চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরাও চাই ওই বিশ্রামাগারটি সংরক্ষিত থাকুক। কিন্তু আমাদের একটি আবেদন করতে হবে। আমরা রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করব। আর বিশ্রামাগারটি কোন দপ্তরের জমির উপর আছে দেখতে হবে। সেই দপ্তর থেকে জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে।



