সংবাদদাতা, ঘাটাল: জরাজীর্ণ কাঠের সেতু থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির। তারপরই ক্ষোভে সেতুর দু’দিকের পাটাতন ভেঙে দিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ১০দিন পরও সেতুটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন। ফলে ঘাটাল ব্লকের কনকপুর এলাকার বাসিন্দাদের ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি বিকাশ কর। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার আগে পর্যন্ত ওই সেতু দিয়ে হেঁটে পারাপার হওয়া যেত। এখন তাও করা যাচ্ছে না। আমরা সেতুটি সংস্কারের জন্য জেলা পরিষদের কাছে ১০লক্ষ টাকা চেয়েছি। আশা করি, খুব শীঘ্রই সেতুটি সংস্কার হবে।
Advertisement
ওই ব্লকের কেঠিয়া খালের উপর কনকপুরে কয়েক দশক আগে সেতুটি তৈরি করা হয়েছিল। ওই সেতু দিয়েই ব্লকের চকলছিপুর, বাঘাগেড়িয়া, মহারাজপুর কনকপুর, শোলাগেড়িয়া, ইসলামপুর, নারায়ণপুর সহ ২০-২৫টি গ্রামের বাসিন্দারা যাতায়াত করতেন। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ওই সেতুটি রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি। ফলে সেতুর পাটাতন নড়বড়ে হয়ে যায়। ভাঙতেও শুরু করে। একসময় ছোট গাড়ি চলাচল করতে পারলেও বেশ কয়েক বছর ধরে শুধুমাত্র হেঁটেই পারাপার হওয়া যাচ্ছিল। সেতুর উপর দিয়ে যাতায়াত বাড়তে থাকায় পাশে কংক্রিটের ব্রিজ তৈরির দাবি ওঠে। সেই দাবিকে মান্যতাও দেয় প্রশাসন। ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সেই ব্রিজের শিলান্যাস করেন ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী(দেব)। কিন্তু তারপর থেকে কোনও কাজ এগয়নি।
গত ২৭নভেম্বর রাতে কনকপুরের বাসিন্দা বছর ৪১-এর নিশীথ চক্রবর্তী দাসপুর থানার গুড়লি থেকে পুজো করে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। অন্ধকারে ওই ভাঙা পাটাতন থেকে পড়ে যান। পরেরদিন দুপরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তারপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা মৃতদেহ আটকে পুলিসকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। ক্ষিপ্ত জনতা সেতুর দু’দিক ভেঙে দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা অকেজো করে দেয়। তারপর থেকে ওই সেতু দিয়ে আর যাতায়াত করা যাচ্ছে না। পঞ্চায়েত সমিতিও ব্রিজটি চলাচলের উপযুক্ত করে দেয়নি বলে অভিযোগ। ফলে ওই এলাকার বাসিন্দাদের তিন-চার কিলোমিটার ঘুরপথ দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ওই গ্রামের বাসিন্দা উত্তম মাইতি, শুভজিৎ ভুঁইয়া প্রমুখ বলেন, এতে আমাদের যাতায়াতে সময় বেশি লাগছে। কবে এই দুর্ভোগ কাটবে জানি না! বিকাশবাবু বলেন, আমাদেরও খুব খারাপ লাগছে। তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করার চেষ্টা করছি।
গত ২৭নভেম্বর রাতে কনকপুরের বাসিন্দা বছর ৪১-এর নিশীথ চক্রবর্তী দাসপুর থানার গুড়লি থেকে পুজো করে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। অন্ধকারে ওই ভাঙা পাটাতন থেকে পড়ে যান। পরেরদিন দুপরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তারপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা মৃতদেহ আটকে পুলিসকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। ক্ষিপ্ত জনতা সেতুর দু’দিক ভেঙে দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা অকেজো করে দেয়। তারপর থেকে ওই সেতু দিয়ে আর যাতায়াত করা যাচ্ছে না। পঞ্চায়েত সমিতিও ব্রিজটি চলাচলের উপযুক্ত করে দেয়নি বলে অভিযোগ। ফলে ওই এলাকার বাসিন্দাদের তিন-চার কিলোমিটার ঘুরপথ দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ওই গ্রামের বাসিন্দা উত্তম মাইতি, শুভজিৎ ভুঁইয়া প্রমুখ বলেন, এতে আমাদের যাতায়াতে সময় বেশি লাগছে। কবে এই দুর্ভোগ কাটবে জানি না! বিকাশবাবু বলেন, আমাদেরও খুব খারাপ লাগছে। তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করার চেষ্টা করছি।



