নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: দুর্ঘটনায় মৃত্যু কমাতে ‘অপারেশন জীবনরক্ষা’ কর্মসূচি চালু করছে খাতড়া মহকুমা পুলিস কর্তৃপক্ষ। মূলত পথ দুর্ঘটনার পর জখমদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা ও দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছনোর ব্যাপারে পুলিসকর্মী, সিভিক ভলান্টিয়ারদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীকালে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকার সাধারণ মানুষকেও কর্মসূচির আওতায় আনার চেষ্টা চলবে। এমনকী, স্কুলের ছাত্রছাত্রীদেরও প্রশিক্ষণ দিয়ে এব্যাপারে সচেতন করা হবে। দুর্ঘটনার পাশাপাশি সাপের কামড়, অগ্নিদগ্ধ, বিষপানে অসুস্থদেরও দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করার ব্যাপারেও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
Advertisement
এব্যাপারে খাতড়ার এসডিপিও অভিষেক যাদব বলেন, খাতড়া মহকুমার থানাগুলিতে দুর্ঘটনা ঘটছে। তাতে অনেকের মৃত্যুও হচ্ছে। পথ দুর্ঘটনায় জখমদের বেশিরভাগই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারলে অনেকের প্রাণ বেঁচে যাবে। এই বিষয়টি নিয়ে সচেনতার অভাব রয়েছে। তারজন্য আমরা মহকুমার পুলিস কর্মী ও সিভিক ভলান্টিয়ার মিলিয়ে প্রায় ৩০০জনকে প্রাথমিকভাবে প্রশিক্ষণ দেব। পরবর্তীকালে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকার বাসিন্দা ও ছাত্রছাত্রীদের কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
উল্লেখ্য, জঙ্গলমহলের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এখনও সেভাবে গড়ে ওঠেনি। বাঁকুড়া সদর ও বিষ্ণুপুর মহকুমার তুলনায় খাতড়ায় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র অনুন্নত। ফলে এমনিতেই চিকিৎসা পেতে সমস্যা হয়। তার উপর দুর্ঘটনায় জখমদের দেরিতে ওইসব হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সমস্যা আরও বাড়ে। অবস্থার অবনতি হলে জখমদের বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে দেওয়া হয়। মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়ার মধ্যেই তাঁদের অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে পড়ে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর হতাহতদের উদ্ধারে প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রাই হাত লাগান। পরে পুলিস গিয়ে জখমদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। পুলিসের আগে স্থানীয় সিভিক ভলান্টিয়াররাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। ফলে পুলিসের পাশাপাশি সিভিক ভলান্টিয়ারদেরও এব্যাপারে পেশাদার হওয়া প্রয়োজন। সেকারণে প্রাথমিকভাবে পুলিসের পাশাপাশি সিভিক ভলান্টিয়ারদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। জঙ্গলমহলে বর্তমানে চন্দ্রবোড়া সাপের উপদ্রব বেড়েছে। চাষবাসের সঙ্গে যুক্তদের মাঠেঘাটে যেতে হয়। তাঁদের অনেকেই গত কয়েক বছরে চন্দ্রবোড়া সাপের কামড়ে মারা গিয়েছেন। কেউ কেউ আবার শরীরের অঙ্গ হারিয়েছেন। ভবিষ্যতে সাপে কামড়ানো রোগীদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারেও পুলিস তৎপর হবে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, জঙ্গলমহলের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এখনও সেভাবে গড়ে ওঠেনি। বাঁকুড়া সদর ও বিষ্ণুপুর মহকুমার তুলনায় খাতড়ায় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র অনুন্নত। ফলে এমনিতেই চিকিৎসা পেতে সমস্যা হয়। তার উপর দুর্ঘটনায় জখমদের দেরিতে ওইসব হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সমস্যা আরও বাড়ে। অবস্থার অবনতি হলে জখমদের বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে দেওয়া হয়। মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়ার মধ্যেই তাঁদের অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে পড়ে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর হতাহতদের উদ্ধারে প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রাই হাত লাগান। পরে পুলিস গিয়ে জখমদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। পুলিসের আগে স্থানীয় সিভিক ভলান্টিয়াররাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। ফলে পুলিসের পাশাপাশি সিভিক ভলান্টিয়ারদেরও এব্যাপারে পেশাদার হওয়া প্রয়োজন। সেকারণে প্রাথমিকভাবে পুলিসের পাশাপাশি সিভিক ভলান্টিয়ারদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। জঙ্গলমহলে বর্তমানে চন্দ্রবোড়া সাপের উপদ্রব বেড়েছে। চাষবাসের সঙ্গে যুক্তদের মাঠেঘাটে যেতে হয়। তাঁদের অনেকেই গত কয়েক বছরে চন্দ্রবোড়া সাপের কামড়ে মারা গিয়েছেন। কেউ কেউ আবার শরীরের অঙ্গ হারিয়েছেন। ভবিষ্যতে সাপে কামড়ানো রোগীদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারেও পুলিস তৎপর হবে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।



