সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: বৃদ্ধের মৃতদেহ নিতে আসছিলেন না পরিবারের কেউই! দীর্ঘ চারঘণ্টা হাসপাতালের বেডেই পড়ে ছিল মৃতদেহ। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নাম ছড়ানোর চেষ্টা করল একটি চক্র। যদিও অনেক পরে দেহ নিয়ে যায় মৃতের জামাই।
Advertisement
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১১ নভেম্বর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে নিমাই বিশ্বাসকে (৭০) হাসপাতালে ভর্তি করান ধূপগুড়ি পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা। তখন থেকেই বৃদ্ধ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কয়েকদিন থেকে তাঁর অবস্থার অবনতি হতে থাকে। হাসপাতাল থেকে তাঁকে রেফার করা হয়। কিন্তু বৃদ্ধের পরিবারের কারও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধূপগুড়ি থানার নজরে আনে। পরিবারের খোঁজ মিললেও কেউই বৃদ্ধের খোঁজ নিতে হাসপাতালে আসেননি। অবশেষে শনিবার রাতে নিমাই বিশ্বাস মারা যান। পরিবারের একজন সদস্য মারা গিয়েছেন জেনেও কেউ আসতে চাইছিল না বলে অভিযোগ। অবশেষে ধূপগুড়ি থানার পুলিস বৃদ্ধের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এসে মৃতদেহ তাঁদের হাতে তুলে দেয়।
ধূপগুড়ির বিএমওএইচ ডাঃ অঙ্কুর চক্রবর্তী বলেন, ১৯ দিন ধরে আমরা ওই রোগীর সবরকম চিকিৎসা করেছি। তাঁর বাড়ির লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি, কিন্তু তাঁরা আসেননি। উল্টো রোগীর মৃত্যুর পর আমাদের হাসপাতালে নামে বদনাম করা হল। এভাবে হাসপাতালের বদনাম করা ঠিক নয় বলে জানিয়েছেন ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির দু’টি বিয়ে করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এক মেয়ের বাড়িতে ছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি থেকে মৃত্যু হওয়ার পর প্রথম সংসারে কেউই তাঁর মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করে। আর দ্বিতীয় সংসারের ছেলেরা কেরলে থাকায় বাকি সদস্যরা মৃতদেহ নিতে আসতে চাইছিলেন না। বৃদ্ধের জামাই প্রদীপ বর্মন বলেন, ওঁর ছেলেরা বাইরে থাকেন। শ্বশুর মারা যাওয়ার খবর পেয়ে দেহ নিয়ে এসেছি।
ধূপগুড়ির বিএমওএইচ ডাঃ অঙ্কুর চক্রবর্তী বলেন, ১৯ দিন ধরে আমরা ওই রোগীর সবরকম চিকিৎসা করেছি। তাঁর বাড়ির লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি, কিন্তু তাঁরা আসেননি। উল্টো রোগীর মৃত্যুর পর আমাদের হাসপাতালে নামে বদনাম করা হল। এভাবে হাসপাতালের বদনাম করা ঠিক নয় বলে জানিয়েছেন ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির দু’টি বিয়ে করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এক মেয়ের বাড়িতে ছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি থেকে মৃত্যু হওয়ার পর প্রথম সংসারে কেউই তাঁর মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করে। আর দ্বিতীয় সংসারের ছেলেরা কেরলে থাকায় বাকি সদস্যরা মৃতদেহ নিতে আসতে চাইছিলেন না। বৃদ্ধের জামাই প্রদীপ বর্মন বলেন, ওঁর ছেলেরা বাইরে থাকেন। শ্বশুর মারা যাওয়ার খবর পেয়ে দেহ নিয়ে এসেছি।



