তারক চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি: নেই উপাচার্য। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারকে দিয়েই চলছে বিশ্ববিদ্যালয়। থমকে রয়েছে একাধিক নতুন প্রকল্প সহ পরিকল্পনা। এখনও ইন্সপেক্টর অব কলেজেসের পদও ফাঁকা রয়েছে। এর আগেও দ্রুত উপাচার্য ও অন্যান্য শূন্য পদে নিয়োগের দাবিতে কর্মবিরতিতেও অংশ নিয়েছেন কর্মীদের একাংশ। তবে এখনও অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি। দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত অভিভাবক মহল থেকে শুরু করে শিক্ষামহল।
Advertisement
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের পর সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়নি। ফলে যেসমস্ত গবেষকরা গবেষণাপত্র জমা দিয়েছেন তাঁদের কেউ এখনও পিএইচডির সার্টিফিকেট পাননি। স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা চিন্তিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতি থেকে শুরু করে অধ্যাপকদের সংগঠনের দাবি, যেকোনও উপায়ে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ করতে হবে। তাহলেই রেজিস্ট্রার, ইন্সপেক্টর অফ কলেজেস, ফিনান্স অফিসার নিয়োগ করা সহজ হবে। না হলে আগামীতে সমস্যা আরও বাড়বে। এর আগেও রেজিস্ট্রার, ফিনান্স অফিসারের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বের হওয়ার পরেও স্থায়ী উপাচার্যের অভাবে সেই নিয়োগ সম্ভব হয়নি। বারবার অস্থায়ী নিয়োগ করে যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয় চালানো হচ্ছে তা কোনওভাবেই সুষ্ঠু ও মসৃণ প্রক্রিয়া নয়। এভাবে দিনের পর দিন বিশ্ববিদ্যালয় চালানো হলে একদিকে যেভাবে পড়াশোনার মান কমবে, ঠিক তেমনই গ্রেড আরও নীচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মীদের স্বার্থে প্রভিডেন্ট ফান্ড ও অবসরকালীন সুযোগসুবিধা ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার দেখছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নূপুর দাস বলেন, উপাচার্য না থাকায় একাধিক সমস্যা হচ্ছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে জানতে পেরেছি। তবে যাঁরা অবসর নিচ্ছেন তাঁদের সমস্ত টাকা পয়সা ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা আমরা দায়িত্ব নিয়ে ছেড়ে দিয়েছি। এই প্রসঙ্গে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ছাড়াই চলছে। আমরা শুনতে পাচ্ছি নতুন উপাচার্য আসবেন। তবে এখনও কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা জানতে পারিনি। আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।
প্রায় একই দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একাংশ। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সম্পাদক অর্ধেন্দু মণ্ডল বলেন, সুপ্রিম কোর্ট উপাচার্য নিয়োগের জন্য ইতিমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছে। সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ করা হবে বলে আশাই করছি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় কোনওমতে চলছে। শুধুমাত্র জোড়াতালি দিয়ে কাজ চলছে। যা কোনওমতেই একটি প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ঠিক নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নূপুর দাস বলেন, উপাচার্য না থাকায় একাধিক সমস্যা হচ্ছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে জানতে পেরেছি। তবে যাঁরা অবসর নিচ্ছেন তাঁদের সমস্ত টাকা পয়সা ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা আমরা দায়িত্ব নিয়ে ছেড়ে দিয়েছি। এই প্রসঙ্গে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ছাড়াই চলছে। আমরা শুনতে পাচ্ছি নতুন উপাচার্য আসবেন। তবে এখনও কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা জানতে পারিনি। আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।
প্রায় একই দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একাংশ। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সম্পাদক অর্ধেন্দু মণ্ডল বলেন, সুপ্রিম কোর্ট উপাচার্য নিয়োগের জন্য ইতিমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছে। সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ করা হবে বলে আশাই করছি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় কোনওমতে চলছে। শুধুমাত্র জোড়াতালি দিয়ে কাজ চলছে। যা কোনওমতেই একটি প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ঠিক নয়।



