সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: শীতকালেও সব্জির দাম আকাশছোঁয়া। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে মিড ডে মিলে। প্রাথমিক স্কুল পড়ুয়াতের পাতে সব্জি দিতে নাজেহাল অবস্থা শিক্ষকদের। এমন পরিস্থিতেতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি দাম নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন শিক্ষকরা।
Advertisement
রায়গঞ্জের সব্জি ভান্ডার নামে পরিচিত টেনহরি গ্রাম। এখান থেকে সব্জি রায়গঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হয়। সেই গ্রামের প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদের মুখেও হতাশার কথা।
পূর্ব টেনহরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্মল বোস বলেন, পড়ুয়াদের মাথাপিছু ৫ টাকা ৪৫ পয়সা বরাদ্দ। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জেরে আমরা তাদের ডাল, ভাত ছাড়া কিছুই দিতে পারছি না। এই গ্রাম থেকে দূরদূরান্তে সব্জি যায়, তবুও আমরা কিনে খাওয়াতে পারছি না। এতে পড়ুয়াদের পুষ্টির খামতি থেকে যাচ্ছে।
প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে খাওয়ানোর সমস্যা মেনে নিয়েছেন তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের জেলা সভাপতি গৌরাঙ্গ চৌহান। তিনি মিড ডে মিলের জন্য কেন্দ্রীয় নীতি ও টাস্কফোর্সের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। গৌরাঙ্গ বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার মিড ডে মিল প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে পিএম পোষণ করেছে। কিন্তু নিত্য প্রয়োজনীয় আনাজের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পড়ুয়া পিছু বরাদ্দ ৫ টাকা ৪৫ পয়সা রেখে দেওয়ায় ভালো খাবার দেওয়া যাচ্ছে না।
যদিও সব্জির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেবীনগর বাজারে পাইকারি কেনাবেচায় নজর রাখা হচ্ছে বলে জানান বাজার কমিটির সম্পাদক দীপঙ্কর প্রামাণিক। তাঁর কথায়, আলুর দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী। তাছাড়া বাকি সব্জিও হাতের নাগালে যাতে থাকে এবং ব্যবসায়ীরা ন্যায্য দামে বিক্রি করেন, তার জন্য আমরা নজরদারি করছি।
রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি বলেন, পুজোর পর থেকে বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। টাস্ক ফোর্সের অভিযান চলছে। শীতের সব্জি উঠতে শুরু হওয়ায় দাম কমবে আশা করছি। মিডে ডে মিলের টাকা বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের হাতে।
পূর্ব টেনহরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্মল বোস বলেন, পড়ুয়াদের মাথাপিছু ৫ টাকা ৪৫ পয়সা বরাদ্দ। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জেরে আমরা তাদের ডাল, ভাত ছাড়া কিছুই দিতে পারছি না। এই গ্রাম থেকে দূরদূরান্তে সব্জি যায়, তবুও আমরা কিনে খাওয়াতে পারছি না। এতে পড়ুয়াদের পুষ্টির খামতি থেকে যাচ্ছে।
প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে খাওয়ানোর সমস্যা মেনে নিয়েছেন তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের জেলা সভাপতি গৌরাঙ্গ চৌহান। তিনি মিড ডে মিলের জন্য কেন্দ্রীয় নীতি ও টাস্কফোর্সের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। গৌরাঙ্গ বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার মিড ডে মিল প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে পিএম পোষণ করেছে। কিন্তু নিত্য প্রয়োজনীয় আনাজের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পড়ুয়া পিছু বরাদ্দ ৫ টাকা ৪৫ পয়সা রেখে দেওয়ায় ভালো খাবার দেওয়া যাচ্ছে না।
যদিও সব্জির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেবীনগর বাজারে পাইকারি কেনাবেচায় নজর রাখা হচ্ছে বলে জানান বাজার কমিটির সম্পাদক দীপঙ্কর প্রামাণিক। তাঁর কথায়, আলুর দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী। তাছাড়া বাকি সব্জিও হাতের নাগালে যাতে থাকে এবং ব্যবসায়ীরা ন্যায্য দামে বিক্রি করেন, তার জন্য আমরা নজরদারি করছি।
রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি বলেন, পুজোর পর থেকে বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। টাস্ক ফোর্সের অভিযান চলছে। শীতের সব্জি উঠতে শুরু হওয়ায় দাম কমবে আশা করছি। মিডে ডে মিলের টাকা বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের হাতে।



