Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বারাসতে চুরি গিয়েছে নালা! নিকাশির পথ আটকে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়েছে কাফে-রেস্তরাঁ, ক্ষোভ বাসিন্দাদের

নিকাশি নালা আটকে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে রেস্তরাঁ-কাফে। তার ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই জলে ডুবছে বারাসত। এই অভিযোগ শহরের নাগরিকদের।

বারাসতে চুরি গিয়েছে নালা! নিকাশির পথ আটকে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়েছে কাফে-রেস্তরাঁ, ক্ষোভ বাসিন্দাদের
  • ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: নিকাশি নালা আটকে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে রেস্তরাঁ-কাফে। তার ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই জলে ডুবছে বারাসত। এই অভিযোগ শহরের নাগরিকদের। এর পাশাপাশি বারাসত শহর লাগোয়া পশ্চিম খিলকাপুর পঞ্চায়েত এলাকাতেও নিকাশি নালা দখল করে বেআইনি নির্মাণ চলছে। এই নিয়েও ক্ষোভ বাড়ছে মানুষের। সর্বত্র নিকাশি আটকে যাচ্ছে বলে মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।

Advertisement

উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সদর বারাসতে দিনের পর দিন জন সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কর্মসূত্রে এ শহরে আসা মানুষ বাড়িভাড়া নিয়ে থাকেন। সবমিলিয়ে চাপ বাড়ছে শহরের। এছাড়া নিকাশি নালায় ফেলা হয় প্লাস্টিক, জলের বোতল ইত্যাদি। এর ফলেও নালা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছে। অল্প বৃষ্টি হলেই জল জমে যাচ্ছে। বৃষ্টি থেমে গিয়েছে কয়েক দিন হল। কিন্তু এখনও বারাসত শহরের চার নম্বর ওয়ার্ড থই থই করছে জলে।
পুরসভার বক্তব্য, এই এলাকায় একসময় ইটভাটা ছিল। জায়গাটি নিচু। ফলে জল জমে থাকে। উদ্বেগের বিষয় হল, এই এলাকার জল বেরয় পশ্চিম খিলকাপুর পঞ্চায়েত দিয়ে। কিন্তু এখন বারাসত-বারাকপুর রোডের লোকনাথ সরণি লাগোয়া নিকাশি নালা গিয়েছে বন্ধ হয়ে। রাস্তার পাশে সরকারি জায়গা ও নিকাশি দখল করে গজিয়ে উঠেছে একের পর এক হোটেল, রেস্তরাঁ ও কাফে। সেগুলি স্থায়ীভাবে দখল করে নিয়েছে ড্রেন। ফলে জল বেরনোর জায়গা পাচ্ছে না। দখলদারদের সংখ্যা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। তাঁদের বক্তব্য, পঞ্চায়েত সব জেনেও উদাসীন। তাই ভাসছে শহর। সমর মণ্ডল নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘খিলকাপুরের ড্রেন চুরি হয়ে গিয়েছে। তাই আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। একের পর এক হোটেল- রেস্তরাঁ গড়ে উঠছে। প্রশাসনের নজরদারি অভাবে বাড়ছে সমস্যা। কারণ এই নির্মাণ একদিনে হয়নি।’ একই অভিযোগ পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শিল্পী দাসের। তিনি বলেন, ‘পঞ্চায়েতের নালা দখল হয়েছে। ফলে আমাদের ওয়ার্ড জলমগ্ন। জল বের করার মতো পরিস্থিতি নেই। আমরা পঞ্চায়েতকে বিষয়টি জানিয়েছি। এই ওয়ার্ডে দখল সরাতে নোটিস দেওয়া হচ্ছে।’ পশ্চিম খিলকাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুমিতা মণ্ডল বলেন, ‘যাঁরা রাস্তা দখল করে আছেন তাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সেগুলি সরিয়ে ফেলা হবে।’ এ বিষয়ে দখলদাররা কিছু বলতে চাননি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ