নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: দুয়ারে সরকারের শিবিরে বাঁকুড়ায় এক সপ্তাহে প্রায় সাড়ে ছ’লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছে। যা জেলার মোট বাসিন্দার শতকরা প্রায় ১৮ শতাংশ। লোক সমাগমের নিরিখে রাজ্যের মধ্যে জঙ্গলমহলের এই প্রান্তিক জেলা দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে সুবিধা দেওয়ার হারও বাঁকুড়ায় ভালো বলে জেলা প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ পরিষেবা ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়ে গিয়েছে বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন। বাকি পরিষেবা ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।
Advertisement
বাঁকুড়ার জেলাশাসক সিয়াদ এন বলেন, ২৪ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলাজুড়ে ৪৫৪০টি শিবিরের আয়োজন করা হয়। ওই শিবিরে ৬ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫০৪ জন উপস্থিত হয়েছিলেন। এবার স্থায়ী শিবিরের পাশাপাশি আমরা ভ্রাম্যমাণ শিবিরও চালু করেছিলাম। জেলার মোট জনসংখ্যার নিরিখে শিবিরে উপস্থিত লোকজনের হারে আমরা রাজ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছি। তৃণমূলস্তরে নিবিড়ভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ ও টানা নজরদারির কারণেই সাফল্য এসেছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দফায় বাঁকুড়ায় দুয়ারে সরকারের শিবিরে মোট ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ৪৪৩টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। ইতিমধ্যে দেড় লক্ষ আবেদন খতিয়ে দেখে পরিষেবা দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় থাকা উপভোক্তারাই দুয়ারে সরকারের শিবিরে সবচেয়ে বেশি ভিড় জমিয়েছিলেন। নতুন করে এবার ঐক্যশ্রী প্রকল্পে ৩২৮০০, বার্ধক্য ভাতার জন্য ২১৫০০, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ১২৬০০, স্বাস্থ্য সাথীতে ১০ হাজার ও বকেয়া বিদ্যুৎ বিলে ছাড় দেওয়ার জন্য ৫৮০০টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। খাদ্যসাথী প্রকল্পের ক্ষেত্রে একমাত্র ১০০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে বলে বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) অরিন্দম বিশ্বাস জানিয়েছেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক বলেন, খাদ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় রেশন কার্ডের জন্য অনেকে আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন। শিবির চলাকালীনই আমরা আবেদনপত্র পরীক্ষা ও পরিষেবা দেওয়ার কাজ শুরু করে দিই। বৈধ আবেদনকারীদের সকলেরই রেশন কার্ড তৈরি হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে সেগুলি খাদ্যদপ্তরের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে আপলোডও করা হয়েছে। সেখান থেকে আবেদনকারীরা তা ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তা না হলে পরিষেবা প্রদানের জন্য আয়োজিত শিবির থেকেও উপভোক্তারা রেশন কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। সমস্যা হলে খাদ্যদপ্তরের স্থানীয় অফিস, ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দফায় বাঁকুড়ায় দুয়ারে সরকারের শিবিরে মোট ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ৪৪৩টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। ইতিমধ্যে দেড় লক্ষ আবেদন খতিয়ে দেখে পরিষেবা দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় থাকা উপভোক্তারাই দুয়ারে সরকারের শিবিরে সবচেয়ে বেশি ভিড় জমিয়েছিলেন। নতুন করে এবার ঐক্যশ্রী প্রকল্পে ৩২৮০০, বার্ধক্য ভাতার জন্য ২১৫০০, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ১২৬০০, স্বাস্থ্য সাথীতে ১০ হাজার ও বকেয়া বিদ্যুৎ বিলে ছাড় দেওয়ার জন্য ৫৮০০টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। খাদ্যসাথী প্রকল্পের ক্ষেত্রে একমাত্র ১০০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে বলে বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) অরিন্দম বিশ্বাস জানিয়েছেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক বলেন, খাদ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় রেশন কার্ডের জন্য অনেকে আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন। শিবির চলাকালীনই আমরা আবেদনপত্র পরীক্ষা ও পরিষেবা দেওয়ার কাজ শুরু করে দিই। বৈধ আবেদনকারীদের সকলেরই রেশন কার্ড তৈরি হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে সেগুলি খাদ্যদপ্তরের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে আপলোডও করা হয়েছে। সেখান থেকে আবেদনকারীরা তা ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তা না হলে পরিষেবা প্রদানের জন্য আয়োজিত শিবির থেকেও উপভোক্তারা রেশন কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। সমস্যা হলে খাদ্যদপ্তরের স্থানীয় অফিস, ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে।



