নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: সরকারি প্রকল্পে ঋণ দিতে ব্যাঙ্কের টালবাহানা অব্যাহত। দুয়ারে সরকারে আবেদন করেও উপভোক্তারা ঋণ পাচ্ছেন না। আবেদনগুলি বাতিল বা অনুমোদন কিছুই না করে কার্যত ফেলে রাখা হচ্ছে। কোথায় ব্যাঙ্ক টালবাহানা করছে, সরকারি প্রকল্প মিলিয়ে দেখে তার হিসেব নিয়েছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার জেলাশাসক পোন্নমবলম এস ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষগুলির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমস্ত আবেদনের নিষ্পত্তি করতে হবে। কাজের গতি বাড়াতে ২১ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার জেলা প্রশাসন ‘ব্যাঙ্ক সম্পর্ক অভিযান’ পালন করবে। অনুমোদন প্রক্রিয়ার গতি বাড়াতে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কগুলি পরিদর্শন করবেন। যোগ্য আবেদনকারীদের বঞ্চিত করা যাবে না। এদিনের বৈঠক থেকে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তাঁরা।
Advertisement
অতিরিক্ত জেলাশাসক সঞ্জয় পাল বলেন, সাধারণ মানুষ দুয়ারে সরকারে রাজ্য সরকারের নানা প্রকল্পে আবেদন করেছেন। বহু প্রকল্পের সঙ্গে ব্যাঙ্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। আমরা লক্ষ্য করেছি, ব্যাঙ্ক বহু আবেদন ফেলে রেখেছে। তা দ্রুত নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক সম্পর্ক অভিযানের মাধ্যমে কাজের গতি বাড়ানো হবে।
রাজ্য সরকারের প্রকল্প ‘ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ড’। এতে ব্যবসা করতে চাওয়া মানুষ সরকারি গ্যারান্টিতেই ঋণ পান। এই প্রকল্পে শিল্পাঞ্চলের বেকার যুবক-যুবতীরা ব্যাপকভাবে সাড়া দেন। এই প্রকল্পে ঋণের জন্য দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে করা ১৮৭টি আবেদন বিভিন্ন ব্যাঙ্কের কাছে পাঠানো হয়। তারমধ্যে এখনও পর্যন্ত তিনটি আবেদন মঞ্জুর করেছে ব্যাঙ্ক। ৫টি আবেদন বাতিল হয়েছে। বাকি ১৭৯টি আবেদন ব্যাঙ্কে পেন্ডিং হয়ে পড়ে রয়েছে। এদিনের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। দ্রুত এগুলি নিষ্পত্তি করার কথা বলা হয়। একইভাবে কৃষাণ ক্রেডিট(এআরডি) কার্ডের ২৬৩টি আবেদনও ব্যাঙ্ক কার্যত ফেলে রেখেছে। কোন ব্যাঙ্ক কত আবেদন নিষ্পত্তি করেনি, বৈঠকে তার তালিকা সামনে আনেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। তাঁদের দাবি, মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ডেরও ১২টি আবেদন ফেলে রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শিল্পাঞ্চলের নাগরিকদের সরকারি প্রকল্পে ঋণ নিয়ে ব্যবসা, কিংবা পড়াশোনা করার আগ্রহ রয়েছে। বিভিন্নক্ষেত্রেই ব্যাঙ্ক ঋণ দিতে টালবাহানা করে। তার জেরে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন অনেকেই। এই সমস্যা মেটাতে জেলা প্রশাসন মাঝেমধ্যেই ব্যাঙ্ক সম্পর্ক অভিযানের আয়োজন করেন। সেসময় খোদ জেলাশাসক একাধিক ব্যাঙ্ক পরিদর্শন করেন। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ চাপের মুখে পেন্ডিং হয়ে থাকা আবেদন নিষ্পত্তি করতে বাধ্য হয়। এখন দেখার, শুক্রবার ব্যাঙ্ক সম্পর্ক অভিযানের মাধ্যমে প্রশাসন দুয়ারে সরকারের কতগুলি আবেদনের নিষ্পত্তি করতে পারে।
রাজ্য সরকারের প্রকল্প ‘ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ড’। এতে ব্যবসা করতে চাওয়া মানুষ সরকারি গ্যারান্টিতেই ঋণ পান। এই প্রকল্পে শিল্পাঞ্চলের বেকার যুবক-যুবতীরা ব্যাপকভাবে সাড়া দেন। এই প্রকল্পে ঋণের জন্য দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে করা ১৮৭টি আবেদন বিভিন্ন ব্যাঙ্কের কাছে পাঠানো হয়। তারমধ্যে এখনও পর্যন্ত তিনটি আবেদন মঞ্জুর করেছে ব্যাঙ্ক। ৫টি আবেদন বাতিল হয়েছে। বাকি ১৭৯টি আবেদন ব্যাঙ্কে পেন্ডিং হয়ে পড়ে রয়েছে। এদিনের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। দ্রুত এগুলি নিষ্পত্তি করার কথা বলা হয়। একইভাবে কৃষাণ ক্রেডিট(এআরডি) কার্ডের ২৬৩টি আবেদনও ব্যাঙ্ক কার্যত ফেলে রেখেছে। কোন ব্যাঙ্ক কত আবেদন নিষ্পত্তি করেনি, বৈঠকে তার তালিকা সামনে আনেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। তাঁদের দাবি, মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ডেরও ১২টি আবেদন ফেলে রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শিল্পাঞ্চলের নাগরিকদের সরকারি প্রকল্পে ঋণ নিয়ে ব্যবসা, কিংবা পড়াশোনা করার আগ্রহ রয়েছে। বিভিন্নক্ষেত্রেই ব্যাঙ্ক ঋণ দিতে টালবাহানা করে। তার জেরে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন অনেকেই। এই সমস্যা মেটাতে জেলা প্রশাসন মাঝেমধ্যেই ব্যাঙ্ক সম্পর্ক অভিযানের আয়োজন করেন। সেসময় খোদ জেলাশাসক একাধিক ব্যাঙ্ক পরিদর্শন করেন। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ চাপের মুখে পেন্ডিং হয়ে থাকা আবেদন নিষ্পত্তি করতে বাধ্য হয়। এখন দেখার, শুক্রবার ব্যাঙ্ক সম্পর্ক অভিযানের মাধ্যমে প্রশাসন দুয়ারে সরকারের কতগুলি আবেদনের নিষ্পত্তি করতে পারে।



