সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য রাজ্য সরকারের তরফে দুয়ারে রেশন চালু করা হয়েছে। কিন্তু দুয়ারে রেশনে দেওয়া হচ্ছে শুধুমাত্র স্লিপ! রেশন দোকানে গিয়েই খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই ঘটনা সামনে আসায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে কুমারগ্রাম ব্লকের বারোবিশায়। এই পরিস্থিতিতে রেশন ডিলারের ভূমিকা নিয়ে এলাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ব্লক প্রশাসনের তরফে অবশ্য বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
অভিযোগ, বারোবিশার লস্করপাড়ার আর কে সাহা অ্যান্ড সন্স রেশন দোকানের তরফে গ্রামে গ্রামে গিয়ে শুধু স্লিপ দেওয়া হচ্ছে গ্রাহকদের। দুয়ারে গিয়ে পাথর-বালি বা ইট দিয়ে ওজন করে রেশনের সামগ্রীর স্লিপ বের করে গ্রাহকদের দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহকদের বলা হচ্ছে, রেশন দোকানে গিয়ে ওসব সংগ্রহ করতে। বারোবিশা বাজারে থাকা রেশন দোকানে গিয়ে মালপত্র সংগ্রহ করছেন গ্রাহকরা। রেশনে কম সামগ্রী দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ তুলেছেন উপভোক্তারা।
যদিও আর কে সাহা অ্যান্ড সন্স রেশন দোকানের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। আর কে সাহা অ্যান্ড সন্সের পক্ষে রাজীব সাহা বলেন, শনিবার সকাল থেকেই আমরা দুয়ারে রেশনে খাদ্যসামগ্রী বিলি করছিলাম। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার পর চাল শেষ হয়ে যায়। তখন পাথর দিয়ে ওজন করে দেখা হচ্ছিল যে, ওজন ঠিকঠাক মিলছে কি না। তখনই কয়েকজন গ্রাহক বলেন, তাঁদেরকে স্লিপ দিয়ে দিতে। তাঁরা পরে দোকান থেকে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে নেবেন। এর জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। আর কাউকেই রেশনে কম সামগ্রী দেওয়া হয়নি। কুমারগ্রামের বিডিও গৌতম বর্মন বলেন, বিষয়টি জানা নেই। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যদিও আর কে সাহা অ্যান্ড সন্স রেশন দোকানের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। আর কে সাহা অ্যান্ড সন্সের পক্ষে রাজীব সাহা বলেন, শনিবার সকাল থেকেই আমরা দুয়ারে রেশনে খাদ্যসামগ্রী বিলি করছিলাম। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার পর চাল শেষ হয়ে যায়। তখন পাথর দিয়ে ওজন করে দেখা হচ্ছিল যে, ওজন ঠিকঠাক মিলছে কি না। তখনই কয়েকজন গ্রাহক বলেন, তাঁদেরকে স্লিপ দিয়ে দিতে। তাঁরা পরে দোকান থেকে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে নেবেন। এর জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। আর কাউকেই রেশনে কম সামগ্রী দেওয়া হয়নি। কুমারগ্রামের বিডিও গৌতম বর্মন বলেন, বিষয়টি জানা নেই। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



