সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: বৈধ চালান থাকা সত্ত্বেও বালির ডাম্পার আটক করা হচ্ছে। গাড়ি মালিকদের অফিসে ডেকে টাকা চাওয়া হচ্ছে। বুধবার রঘুনাথপুর তৃণমূল নেতৃত্বের তরফ থেকে রঘুনাথপুর মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে। এদিন তৃণমূলের জেলা সম্পাদক স্বপন মাহাথা, রঘুনাথপুর শহর তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সূর্য চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে যান। তাঁদের অভিযোগ, এদিন দপ্তরে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে আধিকারিকরা কোনও কথা বলেননি। উল্টে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। তৃণমূলের তরফ থেকে তদন্তের দাবি জানিয়ে মহকুমা শাসককে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। যদিও মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা এনিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
Advertisement
বর্তমানে শালতোড়া থানা এলাকায় দামোদর নদে বৈধ বালি ঘাট চালু হয়েছে। অভিযোগ, বৈধ চালান থাকলেও মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকেরা লরি আটকে ওভারলোডেড আছে বলে ভয় দেখাচ্ছে। লরি মালিকদের অফিসে দেখা করার জন্য বলছে।
লরি আটকানো এবং মালিকদের দপ্তরে ডাকায় কয়েকজন ব্যবসায়ীকে নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যান। ওভারলোডেড থাকলে লরিগুলিকে কোনও ফাইন না করেই ছেড়ে দিয়ে মালিকদের কেন দপ্তরে ডাকা হচ্ছে তা জানতে চাওয়া হয়। এনিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হয়। সাংবাদিকদের সঙ্গেও দপ্তরের আধিকারিকরা দুর্ব্যবহার করেন। মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক দেবকুমার হালদার রীতিমতো হুমকির সূরে অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। তিনি এবিষয়ে কোনও কথা বলবেন না বলে জানান।
স্বপনবাবু বলেন, বর্তমানে বালির অভাবে আবাস যোজনা সহ সরকারি দপ্তরের কাজ আটকে গিয়েছে। অথচ বৈধ চালান থাকা সত্ত্বেও মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা সেই গাড়িগুলি আটকে টাকা চাইছেন। তাঁদের কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। লরি ওভারলোডেড থাকলে ফাইন করা হোক। মালিকদের কেন দপ্তরে ডাকা হচ্ছে? পুরুলিয়া জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ জয়মল ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। রঘুনাথপুরের মহকুমা শাসক বিবেক পঙ্কজ বলেন, বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লরি আটকানো এবং মালিকদের দপ্তরে ডাকায় কয়েকজন ব্যবসায়ীকে নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যান। ওভারলোডেড থাকলে লরিগুলিকে কোনও ফাইন না করেই ছেড়ে দিয়ে মালিকদের কেন দপ্তরে ডাকা হচ্ছে তা জানতে চাওয়া হয়। এনিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হয়। সাংবাদিকদের সঙ্গেও দপ্তরের আধিকারিকরা দুর্ব্যবহার করেন। মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক দেবকুমার হালদার রীতিমতো হুমকির সূরে অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। তিনি এবিষয়ে কোনও কথা বলবেন না বলে জানান।
স্বপনবাবু বলেন, বর্তমানে বালির অভাবে আবাস যোজনা সহ সরকারি দপ্তরের কাজ আটকে গিয়েছে। অথচ বৈধ চালান থাকা সত্ত্বেও মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা সেই গাড়িগুলি আটকে টাকা চাইছেন। তাঁদের কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। লরি ওভারলোডেড থাকলে ফাইন করা হোক। মালিকদের কেন দপ্তরে ডাকা হচ্ছে? পুরুলিয়া জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ জয়মল ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। রঘুনাথপুরের মহকুমা শাসক বিবেক পঙ্কজ বলেন, বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



