সংবাদদাতা, শীতলকুচি: একের পর এক চুরির ঘটনায় উদ্বিগ্ন শীতলকুচি ব্লকের ভাঐরথানা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। শুক্রবার দুপুরে ভাঐরথানা পঞ্চায়েতের নিউ ভাঐরথানায় একটি বাড়িতে চুরি হয়। স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, রতন পালের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গৃহকর্তা বলেন, দুপুরে বাড়িতে কেউ ছিল না। আমি মুদির দোকান চালাই। ওই সময় আমার সঙ্গে স্ত্রী ছিল। বউমা ফোন করে চুরির বিষয়টি জানায়। আলমারি ও ট্রাঙ্ক ভেঙে নগদ টাকা ও সোনার গয়না চুরি হয়েছে। পুলিসে অভিযোগ জানাব।
Advertisement
এদিকে ঘটনার খবর চাউর হতেই ওই বাড়িতে ভিড় করেন প্রতিবেশীরা। খবর পেয়ে আসে শীতলকুচি থানার পুলিস। গৃহবধূ সন্ধ্যা সরকার পাল বলেন, এদিন ছেলেকে নিয়ে স্কুলে যাই। বাড়ি ফিরে এসে দেখি চুরি হয়েছে। পিছনের গেটের তালা ভেঙে বাড়িতে ঢোকে চোর। দু’টি ঘরের তালা ভেঙে আলমারি খুলে গয়না ও নগদ টাকা চুরি করেছে। পুলিস ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করুক এই দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি ভাঐরথানা গ্রাম পঞ্চায়েতে পরপর তিনটি চুরির ঘটনা ঘটল। সবক’টিই চুরি দিনের বলোয় হয়েছে। চুরির কিনারা না হওয়ায় পুলিসের ভূমিকা ও নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা দ্বিজেন বর্মন বলেন, এই সময় গ্রামের বেশিরভাগ বাসিন্দা খেতের কাজে ব্যস্ত থাকে। সেই সুযোগে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে। এলাকায় পুলিসি টহলদারির দাবি জানান বাসিন্দারা। শীতলকুচি থানার ওসি এন্থনি হোরো জানান, পুলিস ওই বাড়িতে গিয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনার তদন্ত করা হবে। এলাকায় পুলিসি টহলদারি বাড়ানো হচ্ছে।
(ঘটনাস্থলে পুলিস। - নিজস্ব চিত্র )
সম্প্রতি ভাঐরথানা গ্রাম পঞ্চায়েতে পরপর তিনটি চুরির ঘটনা ঘটল। সবক’টিই চুরি দিনের বলোয় হয়েছে। চুরির কিনারা না হওয়ায় পুলিসের ভূমিকা ও নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা দ্বিজেন বর্মন বলেন, এই সময় গ্রামের বেশিরভাগ বাসিন্দা খেতের কাজে ব্যস্ত থাকে। সেই সুযোগে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে। এলাকায় পুলিসি টহলদারির দাবি জানান বাসিন্দারা। শীতলকুচি থানার ওসি এন্থনি হোরো জানান, পুলিস ওই বাড়িতে গিয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনার তদন্ত করা হবে। এলাকায় পুলিসি টহলদারি বাড়ানো হচ্ছে।
(ঘটনাস্থলে পুলিস। - নিজস্ব চিত্র )



