সংবাদদাতা, কল্যাণী: কল্যাণী গয়েশপুর নেতাজি বিদ্যামন্দির (বয়েজ) স্কুল ক্যাম্পাসে একটি কুকুরকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠেছিল। পুলিস সূত্রে খবর, এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে স্কুলের প্রধানশিক্ষক গৌর ভাওয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির কর্মী তারাপদ দাসকেও গ্রেপ্তার করেছে কল্যাণী থানা।
মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। (ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করা হয়নি) তাতে দেখা যায়, স্কুলে শিক্ষকদের সামনেই কয়েকজন ছাত্র লাঠি ও বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে মারছে একটি কুকুরকে। ঘটনার পর পশুপ্রেমীরা পুলিসে লিখিত অভিযোগ জানান। বুধবার মৃত কুকুরটির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য কলকাতায় পাঠানো হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় কুকুর মারার তীব্র সমালোচনা হয়। তদন্ত শুরু করে পুলিস। গ্রেপ্তার হন প্রধানশিক্ষক। চুমকি ঘোষ নামে এক পশুপ্রেমী বলেন, ‘মৃত্যু নিশ্চিত করতে কুকুরটিকে লাগাতার পেটানো হয়েছে। চরম অমানবিক ঘটনা। ছাত্ররা কী শিখছে শিক্ষকদের কাছ থেকে। আমরা এই ঘটনায় উপযুক্ত শাস্তি চাই।’ স্কুলের প্রধানশিক্ষক গৌর ভাওয়াল প্রথমে বলেছিলেন, ‘স্কুলে ওই কুকুরটি দু’জনকে কামড়েছিল। আরও অনেককে কামড়াতে গিয়েছিল। শুনেছি কয়েকজন কুকুরটিকে আঘাত করেছে। আমরা জানার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওদের বকাবকি ও সাবধান করেছি। দুঃখজনক ঘটনা। আমরা তার জন্য দুঃখপ্রকাশ করছি।’ কিন্তু মুখে এ কথা বললেও পরে দেখা যায় প্রধানশিক্ষক নিজেও মারধরের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। -নিজস্ব চিত্র