সংবাদদাতা, খড়্গপুর: স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে পৃথক করা হচ্ছে আয়ূষ দপ্তরকে। মঙ্গলবার নদীয়ার কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠকের পর ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘোষণার পরই আশার আলো দেখছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের আয়ুষ হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। মেদিনীপুর শহরের উপকন্ঠে উদয়পল্লীতে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড আয়ুষ হাসপাতাল। করোনাকালে এটিকে কোভিড হাসপাতাল হিসেব ব্যবহার করা হয়েছে। তবে, বছর দুয়েক ধরে এখানে আয়ুষের চিকিৎসা শুরু হয়েছে। আউটডোর থেকে পরিষেবা পান মেদিনীপুর সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দারা।
এছাড়াও, জেলার বিভিন্ন ব্লকে আয়ুষের ৩০টি আউটডোর রয়েছে। সেগুলি অবশ্য ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সঙ্গেই যুক্ত। ওই ভবন থেকেই আয়ুষ বা আয়ুর্বেদিক ওষুধ দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর এবার প্রতিটি ব্লকেও আয়ুষের নতুন ভবন গড়ে উঠতে পারে বলে আশাবাদী স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। সেইসঙ্গেই চিকিৎসক নিয়োগেরও আশা দেখছেন তাঁরা। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিএইচএমএস পাশরা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করেন। আর বিএএমএস পাশ করলে আয়ুর্বেদিক বা আয়ুষের চিকিৎসা করা যায়। মেদিনীপুর শহরের ইন্টিগ্রেটেড আয়ুষ হাসপাতালে বিএএমএসের দু’জন চিকিৎসক থাকলেও, জেলার বিভিন্ন ব্লকে চিকিৎসক নেই। বিএইচএমএসরাই তাঁদের কাজ করছেন। এবার তাই বিভিন্ন ব্লকেও বিএএমএস চিকিৎসক নিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এদিকে, রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান বিজেপির নব নির্বাচিত বিধায়করা। সবংয়ের বর্ষীয়ান বিধায়ক অমল পন্ডা বলেন, খুবই ভাল উদ্যোগ। এলোপ্যাথি চিকিৎসা তো থাকবেই কিন্তু, অনেক সময়ই বিকল্প হিসেবে হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদ ভাল কাজ করে। এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। সর্বোপরি, এর ফলে অনেক কর্মসংস্থান হবে।
পশ্চিম মেদিনীপুরের আয়ুষ হাসপাতাল।