Bartaman Logo
১৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গঙ্গাসাগর নিয়ে নয়াদিল্লিকে জোড়া চিঠি, ‘জাতীয় মেলা’ ঘোষণার পাশাপাশি অন্যতম ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার আর্জি নবান্নের

গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় মেলা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে দুটি চিঠি পাঠাল নবান্ন। ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার আর্জি। বিস্তারিত পড়ুন।

গঙ্গাসাগর নিয়ে নয়াদিল্লিকে জোড়া চিঠি, ‘জাতীয় মেলা’ ঘোষণার পাশাপাশি অন্যতম ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার আর্জি নবান্নের
  • ১৬ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গঙ্গাসাগর মেলাকে ‘জাতীয় মেলা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং দেশের অন্যতম ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে কেন্দ্রের কাছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি পাঠাল নবান্ন। ক্ষমতায় এসেই গঙ্গাসাগরকে জাতীয় স্তরের ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে কেন্দ্রের সঙ্গে হাত মিলিয়েই কাজ করা হবে বলেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, গত মঙ্গল ও বুধবার এই আর্জিগুলি জানিয়ে কেন্দ্রীয় দুই মন্ত্রকের (সংস্কৃতি মন্ত্রক ও পর্যটন মন্ত্রক) সচিবদের চিঠি পাঠিয়েছেন নবান্ন। 

Advertisement

চিঠিতে জানানো হয়েছে গঙ্গাসাগর মেলা ভারতের অন্যতম প্রাচীন, বৃহত্তম এবং ঐতিহাসিক ধর্মীয় সমাবেশের একটি। প্রতি বছর মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এই মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও লক্ষ লক্ষ ভক্ত, সাধু-সন্ন্যাসী ও পর্যটক অংশগ্রহণ করেন। ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য, জীবন্ত সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার এবং শতাব্দীপ্রাচীন তীর্থযাত্রার ধারাকে এই মেলা আজও বহন করে চলেছে। ফলে গঙ্গাসাগর মেলার ব্যাপকতা এবং ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার কথা মাথায় রেখে মেলাটিকে ‘জাতীয় মেলার’ মর্যাদা দেওয়ার সংস্কৃতি মন্ত্রককে আবেদন জানানো হয়েছে। গঙ্গাসাগর মেলার আর্কাইভ সংরক্ষণ, লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলার প্রসার, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার মতো কাজের জন্যেও কেন্দ্রের সহযোগিতা চাওয়ার পাশপাশি কেন্দ্রে থেকে আর্থিক সহায়তাও পাঠানো হয়েছে।  

আর পর্যটন মন্ত্রককে দেওয়া চিঠিতে  কেন্দ্রের প্রশাদ প্রকল্পের আওতায় গঙ্গাসাগরকে একটি প্রধান ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে। প্রশানিক মহলের মতে সরকারের মতে, রাজ্যের পর্যটন সচিব সৌমিত্র মোহনের স্বাক্ষরিত দুটি চিঠেতে দেওয়া প্রস্তাব অনুমোদিত হলে, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সংরক্ষণের পাশাপাশি গঙ্গাসাগর দেশ-বিদেশের পর্যটকদের জন্য আরো আকর্ষণীয় ও আন্তর্জাতিক মানের ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্রে হিসেবে গড়ে উঠবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ