নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: দিনের বেলায় বাড়ির অব্যবহৃত পুরনো সামগ্রী কেনার অছিলায় চলত রেইকি। আর রাত হলেই একের পর এক বাড়িতে চুরি। মঙ্গলবার কাকভোরে এমনই এক চোর চুরি করে ফেরার পথে সন্দেহ হয় গ্রামবাসীদের। অভিযুক্তের সঙ্গে থাকা বিছানার চাদর মোড়া বোঁচকা খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ। সঙ্গে সঙ্গে চোরকে ধরে হবিবপুর থানার হাতে তুলে দেন বাসিন্দারা। মঙ্গলবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হবিবপুর থানার বুলবুলচণ্ডীতে।
Advertisement
হবিবপুর থানার আইসি অক্ষয় পাল বলেন,একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে দু’টি পিতলের মূর্তি, বেশকিছু কাঁসার বাসন সহ রূপোর গয়না উদ্ধার হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মুকাদ্দার খান। সে মালদহের সুজাপুর এলাকার বাসিন্দা।
কিছুদিন আগেই ইংলিশবাজার শহরে একের পর চুরির ঘটনায় বিহারের সুলতানগঞ্জ গ্যাংয়ের হদিশ পেয়েছে পুলিস। জানা যায় গুগল ম্যাপ দেখে বাড়ি চিহ্নিত করে নানা অছিলায় প্রথমে রেইকি তারপর চুরি করত সুলতানগঞ্জ গ্যাং। এবার প্রায় একই কায়দায় চুরি হল মালদহের হবিবপুর থানার বুলবুলচণ্ডীতে।
বাসিন্দারা জানান, কিছুদিন ধরেই এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িতে পরপর চুরির ঘটনা ঘটছিল। এনিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ স্থানীয় ঘোড়া স্ট্যান্ডমোড়ে সন্দেহজনক ভাবে হাতে বিশাল বোঁচকা নিয়ে এক যুবককে দেখা যায়। তাকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সে অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করে। এরপর তার বোঁচকা খুলে মূল্যবান প্রচুর সামগ্রী মেলে।
পরে জানা যায় স্থানীয় বাসিন্দা পেশায় প্রাথমিক শিক্ষক সুমিত কুমার মালাকারের বাড়ির মন্দির থেকে সে পিতলের গোপাল মূর্তি, রাধাকৃষ্ণ মূর্তি সহ ঠাকুরের সোনা ও রূপোর গয়না, কাঁসা পিতলের বাসনপত্র চুরি করেছে। এমনকী মন্দির সংলগ্ন আরেকটি বাড়ি থেকেও নগদ টাকা ও গয়না চুরি করেছে।
সুমিতবাবু বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই ঠাকুরঘরের সামনে একটি ভাঙা বাসন পড়ে থাকতে দেখি। সামনে গিয়ে দেখি ঠাকুরঘরের দরজার তালা ভাঙা। ঘরের ভেতর জিনিসপত্র বিক্ষিপ্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
বাসিন্দারা বলেন, ওই যুবককে আগেও এলাকায় দেখা গিয়েছে। সে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভাঙা লোহার সামগ্রী সহ অব্যবহৃত জিনিসপত্র কিনত। ঘটনার পিছনে কোনও গ্যাং জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
কিছুদিন আগেই ইংলিশবাজার শহরে একের পর চুরির ঘটনায় বিহারের সুলতানগঞ্জ গ্যাংয়ের হদিশ পেয়েছে পুলিস। জানা যায় গুগল ম্যাপ দেখে বাড়ি চিহ্নিত করে নানা অছিলায় প্রথমে রেইকি তারপর চুরি করত সুলতানগঞ্জ গ্যাং। এবার প্রায় একই কায়দায় চুরি হল মালদহের হবিবপুর থানার বুলবুলচণ্ডীতে।
বাসিন্দারা জানান, কিছুদিন ধরেই এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িতে পরপর চুরির ঘটনা ঘটছিল। এনিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ স্থানীয় ঘোড়া স্ট্যান্ডমোড়ে সন্দেহজনক ভাবে হাতে বিশাল বোঁচকা নিয়ে এক যুবককে দেখা যায়। তাকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সে অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করে। এরপর তার বোঁচকা খুলে মূল্যবান প্রচুর সামগ্রী মেলে।
পরে জানা যায় স্থানীয় বাসিন্দা পেশায় প্রাথমিক শিক্ষক সুমিত কুমার মালাকারের বাড়ির মন্দির থেকে সে পিতলের গোপাল মূর্তি, রাধাকৃষ্ণ মূর্তি সহ ঠাকুরের সোনা ও রূপোর গয়না, কাঁসা পিতলের বাসনপত্র চুরি করেছে। এমনকী মন্দির সংলগ্ন আরেকটি বাড়ি থেকেও নগদ টাকা ও গয়না চুরি করেছে।
সুমিতবাবু বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই ঠাকুরঘরের সামনে একটি ভাঙা বাসন পড়ে থাকতে দেখি। সামনে গিয়ে দেখি ঠাকুরঘরের দরজার তালা ভাঙা। ঘরের ভেতর জিনিসপত্র বিক্ষিপ্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
বাসিন্দারা বলেন, ওই যুবককে আগেও এলাকায় দেখা গিয়েছে। সে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভাঙা লোহার সামগ্রী সহ অব্যবহৃত জিনিসপত্র কিনত। ঘটনার পিছনে কোনও গ্যাং জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।



