সংবাদদাতা, দিনহাটা: বিশেষ চাহিদাসম্পন্নের শংসাপত্র সংগ্রহ করে দিতে রমরমিয়ে চলছে দালালচক্র। বুধবার দিনহাটা মহকুমা হাসপাতাল চত্বরেই হাতেনাতে এক দালালকে আটক করা হয়। পরে তাকে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় মহকুমা হাসপাতালে। দালাল চক্রের রমরমা নিয়ে হাসপাতাল সুপারকে স্মারকলিপি দেয় বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনী।
Advertisement
দিনহাটা-২ ব্লকের খোচাবাড়ির বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি আতোয়ার হোসেন দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে পিএইচ সার্টিফিকেট বানাতে আসেন। সেই সময় এক দালাল তাঁর সঙ্গে আলাপ শুরু করে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কার্ড তৈরি করার পরিবর্তে ৭০০ টাকা দাবি করে।
টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওই দালালকে দেওয়ার সময় সংগঠনের বাকি সদস্যরা এসে হাজির হন। দালালকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে যান তাঁরা। ঘটনার খবর পেয়ে হাজির হয় দিনহাটা থানার পুলিস।
তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে সার্টিফিকেট দেওয়ার দাবি জানায় সংগঠন। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে দ্রুত বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দেওয়ারও দাবি ওঠে।
সংগঠনের সদস্য জীবনকৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, এভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের হয়রানি করা হচ্ছে। একাধিক অভিযোগ নিয়ে সুপারকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
এক দালালকে আটক করেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
সুপার ডাঃ রঞ্জিত মণ্ডল বলেন, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে হাতেনাতে ধরে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কোনও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি যাতে হয়রানির স্বীকার না হন সেজন্য আরও নজরদারি বাড়ানো হবে।
টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওই দালালকে দেওয়ার সময় সংগঠনের বাকি সদস্যরা এসে হাজির হন। দালালকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে যান তাঁরা। ঘটনার খবর পেয়ে হাজির হয় দিনহাটা থানার পুলিস।
তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে সার্টিফিকেট দেওয়ার দাবি জানায় সংগঠন। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে দ্রুত বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দেওয়ারও দাবি ওঠে।
সংগঠনের সদস্য জীবনকৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, এভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের হয়রানি করা হচ্ছে। একাধিক অভিযোগ নিয়ে সুপারকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
এক দালালকে আটক করেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
সুপার ডাঃ রঞ্জিত মণ্ডল বলেন, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে হাতেনাতে ধরে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কোনও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি যাতে হয়রানির স্বীকার না হন সেজন্য আরও নজরদারি বাড়ানো হবে।



