সংবাদদাতা, ডোমকল: থাবা বসাচ্ছে ডেঙ্গু। হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। পাড়ায় ডেঙ্গুর বলিও হয়েছে একজন। এই অবস্থায় শুধু প্রশাসনের উপরে না থেকে নিজেরাই চাঁদা তুলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে হাত লাগালেন গ্রামবাসীরা। বুধবার ইসলামপুরের নস্যিয়তপাড়ার বিভিন্ন এলাকায় মশা মারার জন্য বিশেষ ফগিং মেশিনের সাহায্যে কীটনাশক স্প্রে করেন গ্রামবাসীরা।
Advertisement
স্বাস্থ্যদপ্তরের পোর্টাল অনুযায়ী রানিনগর-১ ব্লকে এখনও পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ২২৭। সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৪০। এই অবস্থায় মাত্র কয়েকজন লোক নিয়ে একসঙ্গে এত এলাকায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খাচ্ছে পঞ্চায়েত প্রশাসন। এর মধ্যেই মঙ্গলবার সকালে ইসলামপুরের নস্যিয়তপাড়ার ডেঙ্গু আক্রান্ত এক যুবকের মৃত্যু হয়। তাতেই এলাকায় ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছবিটা আরও পরিষ্কার হয়। এরপরেই বুধবার এলাকার কয়েকজন চাঁদা তুলে ফগিং মেশিন এনে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ স্প্রে করে।
গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, মঙ্গলবার আমাদের গ্রামে একজন ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছে। এখনও গ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রচুর। প্রশাসনিক সক্রিয়তা খুব একটা দেখছি না। এজন্যই আতঙ্কে আমরা কয়েকজন চাঁদা তুলে ওই স্প্রে করেছি।
কিন্তু, পঞ্চায়েত থাকতে কেন গ্রামবাসীদের চাঁদা তুলে এই কাজ করতে হবে? চক ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বেগম হাসিনা নসরৎ বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই এলাকায় আমাদের লোকজন গিয়ে স্প্রে করে এসেছে। আমাদের ম্যান পাওয়ার খুব কম। তার মধ্যে সবদিক সামলাতে হচ্ছে। কিন্তু ওই জায়গায় আমরা আগেই স্প্রে করেছি। তারপরেও মানুষজন যদি নিজেরা স্প্রে করে তো সেটা ভালোই।
গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, মঙ্গলবার আমাদের গ্রামে একজন ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছে। এখনও গ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রচুর। প্রশাসনিক সক্রিয়তা খুব একটা দেখছি না। এজন্যই আতঙ্কে আমরা কয়েকজন চাঁদা তুলে ওই স্প্রে করেছি।
কিন্তু, পঞ্চায়েত থাকতে কেন গ্রামবাসীদের চাঁদা তুলে এই কাজ করতে হবে? চক ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বেগম হাসিনা নসরৎ বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই এলাকায় আমাদের লোকজন গিয়ে স্প্রে করে এসেছে। আমাদের ম্যান পাওয়ার খুব কম। তার মধ্যে সবদিক সামলাতে হচ্ছে। কিন্তু ওই জায়গায় আমরা আগেই স্প্রে করেছি। তারপরেও মানুষজন যদি নিজেরা স্প্রে করে তো সেটা ভালোই।



