নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুর: কয়েক বছর ধরেই ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগে থেকেছেন দুর্গাপুরবাসী। কখনও বিচ্ছিন্নভাবে, কখনও অনেকটা এলাকাজুড়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের হদিশ মিলেছে শহরে। ২০২৫ সালেও তার ব্যতিক্রম হল না। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি শীতের মরশুমেও শহরের নানা ওয়ার্ডে ডেঙ্গু থাবা বসিয়েছে। পুরসভা সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮। এর মধ্যে দু’জন বাইরে থেকে এসেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রথম থেকেই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া শুরু করেছে পুরসভা। ডিএসপি, ডিপিএল সহ যে সব সংস্থার টাউনশিপ রয়েছে। তাদের নিয়ে সোমবার বৈঠক করবেন পুরসভার আধিকারিকরা। এই সময়েই কী কী বিষয়ে নজর রাখতে হবে, তার নির্দিষ্ট গাইডলাইন দেওয়া হবে বৈঠকে। শুধু দুর্গাপুর নয়, বছরের শুরুর দু’মাসে আসানসোলে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৫ জন, অণ্ডাল ব্লকে রোগীর সংখ্যা তিন ও সালানপুর ব্লকে একজন। শুক্রবার ডেঙ্গু নিয়ে বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ। ভার্চুয়াল মাধ্যমে তিনি প্রতিটি জেলার আধিকারিকদের সঙ্গেই আলোচনা করেন। আসানসোলে সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন, দুর্গাপুর, আসানসোলের পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিক, জেলা প্রশাসনের আধিকারিক ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা।
Advertisement
জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শেখ মহম্মদ ইউনুস বলেন, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
দুর্গাপুর পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য রাখী তেওয়ারি বলেন, সারা বছরই আমরা ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি করে থাকি। সোমবার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ডিএসপি, ডিভিসি, ডিপিএল সব কর্তৃপক্ষকে ডাকা হয়েছে। শুধু বর্ষকালে নয়, সারাবছরই যে ডেঙ্গু নিয়ে বিশেষ সতর্ক থাকা দরকার, তা জানানো হবে।
দুর্গাপুর পুরসভার হেলথ অফিসার দেবব্রত সাহানা বলেন, মনে রাখতে হবে দুর্গাপুরে চিকিৎসার জন্য আসেন দক্ষিণবঙ্গ এমনকী ঝাড়খণ্ডেরও বিভিন্ন এলাকার মানুষ। গত বছর আমাদের ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ২০৯। তারমধ্যে দুর্গাপুরবাসী ছিলেন ১৩০ জন। বাকিরা পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ, যাঁরা এখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবু আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরকে উদ্বেগে রাখে আসানসোল দুর্গাপুর পুরসভা। গত বছরও ডেঙ্গুতে রোগী মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল আসানসোলে। দুর্গাপুরেও একাধিক জায়গায় ডেঙ্গু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। তাই নিয়ে উদ্বেগে পড়েছিলেন দুই মেগাসিটির বাসিন্দারাই। এবার শীতেও যে নীরবে ডেঙ্গু ছড়িয়েছে, তার তথ্য পাওয়া গেল স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যানে। গরম পড়তেই দুই শহরেই মশার উপদ্রব দেখা যাচ্ছে। তাই এখনও দু’টি পুরসভা মশা নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী না হলে পরিস্থিতি জটিল আকার নিতে পারে।
দুর্গাপুর পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য রাখী তেওয়ারি বলেন, সারা বছরই আমরা ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি করে থাকি। সোমবার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ডিএসপি, ডিভিসি, ডিপিএল সব কর্তৃপক্ষকে ডাকা হয়েছে। শুধু বর্ষকালে নয়, সারাবছরই যে ডেঙ্গু নিয়ে বিশেষ সতর্ক থাকা দরকার, তা জানানো হবে।
দুর্গাপুর পুরসভার হেলথ অফিসার দেবব্রত সাহানা বলেন, মনে রাখতে হবে দুর্গাপুরে চিকিৎসার জন্য আসেন দক্ষিণবঙ্গ এমনকী ঝাড়খণ্ডেরও বিভিন্ন এলাকার মানুষ। গত বছর আমাদের ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ২০৯। তারমধ্যে দুর্গাপুরবাসী ছিলেন ১৩০ জন। বাকিরা পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ, যাঁরা এখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবু আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরকে উদ্বেগে রাখে আসানসোল দুর্গাপুর পুরসভা। গত বছরও ডেঙ্গুতে রোগী মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল আসানসোলে। দুর্গাপুরেও একাধিক জায়গায় ডেঙ্গু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। তাই নিয়ে উদ্বেগে পড়েছিলেন দুই মেগাসিটির বাসিন্দারাই। এবার শীতেও যে নীরবে ডেঙ্গু ছড়িয়েছে, তার তথ্য পাওয়া গেল স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যানে। গরম পড়তেই দুই শহরেই মশার উপদ্রব দেখা যাচ্ছে। তাই এখনও দু’টি পুরসভা মশা নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী না হলে পরিস্থিতি জটিল আকার নিতে পারে।



