সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: ডেঙ্গুর চরিত্র পরিবর্তন নিয়ে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ কল্যাণকুমার দাসের গবেষণাপত্র অক্সফোর্ড মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। ১০ ডিসেম্বর সেটি প্রকাশিত হয়। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে সুপার ডাঃ চন্দন ঘোষ বলেন, এই হাসপাতালের ইতিহাসে এমন কৃতিত্ব প্রথম। খুবই গর্বের বিষয়। গতবছর শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ডাঃ কল্যাণকুমার দাস ডেঙ্গু আক্রান্ত এক যুবকের উপসর্গ দেখে ডেঙ্গুর রূপ পরিবর্তনের ফলে প্যানক্রিয়াটাইটিস আক্রান্ত হওয়ার দিকটি নির্ণয় করেছিলেন, যা যথেষ্ট কৃতিত্বের ও শিক্ষনীয়। তারই পুরস্কার তিনি পেলেন।
Advertisement
২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে এক ডেঙ্গু আক্রান্ত যুবকের জ্বর হওয়ার তিনদিনের মধ্যেই তাঁর প্যানক্রিয়াটাইটিস ধরা পড়ে। জেলা হাসপাতালের মেডিসিনের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ কল্যাণকুমার দাস ওই যুবককে দু’সপ্তাহ ধরে চিকিৎসা করে সুস্থ করে তোলেন। ডাঃ কল্যাণ দাস বলেন, আসরাফ নগরের ২৬ বছরের ওই যুবক ডেঙ্গু থেকে ইউগ্লাইসেমিক প্যানক্রিয়েটিক কিটো অ্যাসিডোসিসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের বিরলতম রূপ। সময়মতো ধরা না পড়লে রোগীর প্রাণ সংশয় দেখা দিতে পারত।
শিলিগুড়ির ওই যুবকের ডেঙ্গুর এই বিরল রূপ ধরার পুরো কৃতিত্ব ডাঃ কল্যাণকুমার দাসের। তিনি বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত অবস্থায় প্রবল জ্বর নিয়ে ওই যুবক জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ভর্তি হওয়ার দ্বিতীয় দিনের প্রবল জ্বরের সঙ্গে প্রচণ্ড পেটে ব্যথা ও বমি শুরু হয়। ডেঙ্গুর পরিচিত উপসর্গ যেমন প্লেটলেট কমে যাওয়া, শরীরে র্যাশ বের হওয়া এসব কিছুই ছিল না। সেই সঙ্গে ওই যুবকের শোওয়া ও বসার ধরন দেখে সন্দেহ হয়। তাঁর রক্তের লাইপেজ পরীক্ষা করাই। দেখা যায় লাইপেজ ও অ্যামাইলেজ প্রচুর পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে। লিভারও আক্রান্ত। আলট্রাসনোগ্রাফি করে দেখা যায় যুবকের প্যানক্রিয়াস বড় হয়ে গিয়েছে। লাইপেজ বাড়তে থাকার সঙ্গে সঙ্গে ত্বক ও গ্রন্থির সঙ্গ থাকা চর্বি গলে যাচ্ছে। একে পেরিফেরাল লাইপোলাইসিস বলা হয়। এর ফলে ডায়াবেটিস না থাকলেও রক্তে অস্বাভাবিক হারে কিটোন বেড়ে যায়। ডেঙ্গু ভাইরাসের এই নতুন রূপে ওই যুবক ইউগ্লাইসেমিক প্যানক্রিয়েটিক কিটো অ্যাসিডোসিসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এটি ডেঙ্গুর একেবারেই নতুন চরিত্র। ঠিকমতো চিকিৎসা না হলে মৃত্যু হতে পারে রোগীর। সময়মতো সঠিক চিকিৎসায় ওই যুবক সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরেন।
ডাঃ কল্যাণ দাস বলেন, বিষয়টি সচরাচর দেখা যায় না। তাই বিদেশি চিকিৎসা ব্যবস্থায় এ ধরনের কেস রয়েছে কি না জানতে আমার রিপোর্ট অক্সফোর্ড মেডিক্যাল জার্নালে পাঠিয়েছিলাম। আমাকে এতে সাহায্য করেছিলেন এনআরএসের সিনিয়র চিকিৎসক রাজদীপ বসু। অন্যান্য দেশ থেকে এ ধরনের ঘটনার কথা সেভাবে কেউ জানাননি। তারপরই অক্সফোর্ড মেডিক্যাল রিপোর্টে গুরুত্ব দিয়ে আমার এটা প্রকাশিত হয়।
শিলিগুড়ির ওই যুবকের ডেঙ্গুর এই বিরল রূপ ধরার পুরো কৃতিত্ব ডাঃ কল্যাণকুমার দাসের। তিনি বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত অবস্থায় প্রবল জ্বর নিয়ে ওই যুবক জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ভর্তি হওয়ার দ্বিতীয় দিনের প্রবল জ্বরের সঙ্গে প্রচণ্ড পেটে ব্যথা ও বমি শুরু হয়। ডেঙ্গুর পরিচিত উপসর্গ যেমন প্লেটলেট কমে যাওয়া, শরীরে র্যাশ বের হওয়া এসব কিছুই ছিল না। সেই সঙ্গে ওই যুবকের শোওয়া ও বসার ধরন দেখে সন্দেহ হয়। তাঁর রক্তের লাইপেজ পরীক্ষা করাই। দেখা যায় লাইপেজ ও অ্যামাইলেজ প্রচুর পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে। লিভারও আক্রান্ত। আলট্রাসনোগ্রাফি করে দেখা যায় যুবকের প্যানক্রিয়াস বড় হয়ে গিয়েছে। লাইপেজ বাড়তে থাকার সঙ্গে সঙ্গে ত্বক ও গ্রন্থির সঙ্গ থাকা চর্বি গলে যাচ্ছে। একে পেরিফেরাল লাইপোলাইসিস বলা হয়। এর ফলে ডায়াবেটিস না থাকলেও রক্তে অস্বাভাবিক হারে কিটোন বেড়ে যায়। ডেঙ্গু ভাইরাসের এই নতুন রূপে ওই যুবক ইউগ্লাইসেমিক প্যানক্রিয়েটিক কিটো অ্যাসিডোসিসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এটি ডেঙ্গুর একেবারেই নতুন চরিত্র। ঠিকমতো চিকিৎসা না হলে মৃত্যু হতে পারে রোগীর। সময়মতো সঠিক চিকিৎসায় ওই যুবক সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরেন।
ডাঃ কল্যাণ দাস বলেন, বিষয়টি সচরাচর দেখা যায় না। তাই বিদেশি চিকিৎসা ব্যবস্থায় এ ধরনের কেস রয়েছে কি না জানতে আমার রিপোর্ট অক্সফোর্ড মেডিক্যাল জার্নালে পাঠিয়েছিলাম। আমাকে এতে সাহায্য করেছিলেন এনআরএসের সিনিয়র চিকিৎসক রাজদীপ বসু। অন্যান্য দেশ থেকে এ ধরনের ঘটনার কথা সেভাবে কেউ জানাননি। তারপরই অক্সফোর্ড মেডিক্যাল রিপোর্টে গুরুত্ব দিয়ে আমার এটা প্রকাশিত হয়।



