নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: শীত পড়লেও ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার বাড়বাড়ন্ত কমেনি। শেষ মুহূর্তে মরণ কামড় দিচ্ছে মশাবাহিত রোগ। এতে জেলাজুড়ে তীব্র আতঙ্ক বাড়ছে। ব্লক হাসপাতালগুলিতে জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের লম্বা লাইন। মহকুমা হাসপাতালেও চলছে বহু রোগীর চিকিৎসা। রোগীদের পরিস্থিতি খারাপ হলেই, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হচ্ছে রোগীদের। কিন্তু সেখানেও এমন সময় রেফার করা হচ্ছে, তাতে শেষ মুহূর্তে রোগীদের অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক হয়ে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে মেডিক্যালে তিনজনের মৃত্যু হওয়ায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে। মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি একজন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত রোগীও মারা গিয়েছেন। সোমবার মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি চারজন রোগীর অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক বলেই জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাদের সকলকে সিসিইউতে রাখা হয়েছে।
Advertisement
মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের সুপার অনাদি রায়চৌধুরী বলেন, এই মুহূর্তে মেডিক্যালে ৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। ১০ জন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা চলছে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজরে রাখছি। তবে চারজন রোগীর অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক।
উল্লেখ্য, সাগরপাড়ায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ১৯ বছরের রানা হালদার। গত ৯ নভেম্বর সেখান থেকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয়। অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় তাঁকে সিসিইউতে রাখা হয়েছিল। গত বুধবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সূতির ৬০ বছরের বৃদ্ধ হাবিবুর রহমান ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মুর্শিদাবাদ মেডিকেলে ভর্তি হন। তাকেও স্থানীয় হাসপাতাল থেকে এখানে রেফার করা হয়। বুধবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে ভগবানগোলা ২ ব্লকের নশিপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে বছর ৩৩ এর রবিউল শেখকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল রেফার করা হয়। তিনি ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ছিলেন। বুধবার রাতে তাঁরও মৃত্যু হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীদের অত্যন্ত সঙ্কটজনক ভাবে মেডিক্যালে রেফার করা হচ্ছে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হলেও শেষ মুহূর্তে তাদেরকে বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে না বলেই দাবি হাসপাতালে চিকিৎসকদের।
মেডিসিন বিভাগের এক চিকিৎসক বলেন, আমাদের এখানে সমস্ত রোগীর উপর ভালোভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। কিছু কিছু রোগীর অবস্থা খুব খারাপ হওয়ার পর আমরা চিকিৎসা করার সুযোগ পাচ্ছি। শীত শুরু হচ্ছে। আশা করি দু’এক সপ্তাহের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রভাব কিছুটা কমবে।
জেলাজুড়ে সচেতনতার প্রচার করেও ডেঙ্গু খুব একটা নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বরং দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ শেষে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে। গতবারের থেকে আক্রান্তের সংখ্যা কম হলেও, এবার মৃত্যুর হার চিন্তা বাড়িয়েছে। ইসলামপুরের বাসিন্দা রেজিনা বিবি বলেন, আমার স্বামী দু’দিন ধরে মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন। প্রথমে জ্বর হওয়ার পর কিছুতেই জ্বর কমছিল না। স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রথমে দেখানো হয়। রক্ত পরীক্ষা করলে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। তারপর জ্বর ক্রমশ বাড়তে থাকে, তাই মেডিক্যালে ভর্তি করেছি। জানি না কবে সুস্থ হবে।
উল্লেখ্য, সাগরপাড়ায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ১৯ বছরের রানা হালদার। গত ৯ নভেম্বর সেখান থেকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয়। অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় তাঁকে সিসিইউতে রাখা হয়েছিল। গত বুধবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সূতির ৬০ বছরের বৃদ্ধ হাবিবুর রহমান ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মুর্শিদাবাদ মেডিকেলে ভর্তি হন। তাকেও স্থানীয় হাসপাতাল থেকে এখানে রেফার করা হয়। বুধবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে ভগবানগোলা ২ ব্লকের নশিপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে বছর ৩৩ এর রবিউল শেখকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল রেফার করা হয়। তিনি ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ছিলেন। বুধবার রাতে তাঁরও মৃত্যু হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীদের অত্যন্ত সঙ্কটজনক ভাবে মেডিক্যালে রেফার করা হচ্ছে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হলেও শেষ মুহূর্তে তাদেরকে বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে না বলেই দাবি হাসপাতালে চিকিৎসকদের।
মেডিসিন বিভাগের এক চিকিৎসক বলেন, আমাদের এখানে সমস্ত রোগীর উপর ভালোভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। কিছু কিছু রোগীর অবস্থা খুব খারাপ হওয়ার পর আমরা চিকিৎসা করার সুযোগ পাচ্ছি। শীত শুরু হচ্ছে। আশা করি দু’এক সপ্তাহের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রভাব কিছুটা কমবে।
জেলাজুড়ে সচেতনতার প্রচার করেও ডেঙ্গু খুব একটা নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বরং দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ শেষে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে। গতবারের থেকে আক্রান্তের সংখ্যা কম হলেও, এবার মৃত্যুর হার চিন্তা বাড়িয়েছে। ইসলামপুরের বাসিন্দা রেজিনা বিবি বলেন, আমার স্বামী দু’দিন ধরে মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন। প্রথমে জ্বর হওয়ার পর কিছুতেই জ্বর কমছিল না। স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রথমে দেখানো হয়। রক্ত পরীক্ষা করলে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। তারপর জ্বর ক্রমশ বাড়তে থাকে, তাই মেডিক্যালে ভর্তি করেছি। জানি না কবে সুস্থ হবে।



