সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা-১ ব্লকের কুর্শামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাজার চত্বরে থাকা গাছ চুরিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দিনে দুপুরে দু’টি গাছ কেটে নিয়ে যায় কয়েকজন লোক। স্থানীয়দের দাবি, যারা গাছ কাটছিল তারা স্থানীয় কেউ নয়। প্রথমদিকে তাঁরা ভেবেছিলেন গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ গাছগুলি বিক্রি করেছে। কিন্তু গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার পর কয়েকজন এ নিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রাজিবুল হাসানকে জানালে তারা বিক্রি করার বিষয়টি নিয়ে খোঁজ শুরু করে। এরপরেই মাথাভাঙা থানায় লিখিত অভিযোগ জানান পঞ্চায়েত প্রধান পুষ্পজিতা বর্মন। কারা গাছ কেটে নিয়ে গেল তা নিয়ে জোরচর্চা শুরু হয়েছে কুর্শামারিতে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে ব্লকের পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েত চত্বরের দু’টি গাছ রাতে কেটে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এনিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সেখানকার প্রধান। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই গাছের হদিশ পায়নি পুলিস। এরমধ্যেই পাশ্ববর্তী গ্রাম পঞ্চায়েত কুর্শামারিতে সরকারি জমির গাছ কাটা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের দাবি, রাজনৈতিক মদতেই পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের সম্পত্তি হাতিয়ে চম্পট দিচ্ছে দুষ্কৃতীরা। গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ ও পুলিস প্রশাসনের উচিত এনিয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া। না হলে ভবিষ্যতে সরকারি সম্পত্তি চুরির প্রবণতা আরও বাড়বে।
এ ব্যাপারে মাথাভাঙা-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বলেন, আমি এদিন বাড়ি ছিলাম। বাজার এলাকা থেকে গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার খবর শুনে প্রধানকে ফোন করি। প্রধান জানান কোনও গাছ বিক্রি করা হয়নি। দিনের বেলায় গাছ চুরির বিষয়টি স্থানীয়রাও বুঝতে পারেননি। পরে প্রধানকে বলেছি এনিয়ে পুলিসে অভিযোগ জানাতে। প্রধান অভিযোগ জানিয়েছেন। আমরা চাইছি, পুলিস এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিক।
মাথাভাঙা থানার আইসি হেমন্ত শর্মা বলেন, গাছ চুরির অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে মাথাভাঙা-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বলেন, আমি এদিন বাড়ি ছিলাম। বাজার এলাকা থেকে গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার খবর শুনে প্রধানকে ফোন করি। প্রধান জানান কোনও গাছ বিক্রি করা হয়নি। দিনের বেলায় গাছ চুরির বিষয়টি স্থানীয়রাও বুঝতে পারেননি। পরে প্রধানকে বলেছি এনিয়ে পুলিসে অভিযোগ জানাতে। প্রধান অভিযোগ জানিয়েছেন। আমরা চাইছি, পুলিস এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিক।
মাথাভাঙা থানার আইসি হেমন্ত শর্মা বলেন, গাছ চুরির অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



