Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দিন পার হলেও টেন্ডারের কাগজ জমার অভিযোগ প্রধানের বিরুদ্ধে, কাটমানি নেওয়া হয়েছে, দাবি ঠিকাদারের

দিন পার হলেও টেন্ডারের কাগজ জমার অভিযোগ প্রধানের বিরুদ্ধে, কাটমানি নেওয়া হয়েছে, দাবি ঠিকাদারের
  • ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, কালিয়াচক: টেন্ডার ঘিরে উত্তেজনা কালিয়াচক থানা এলাকার সিলামপুর-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে। অভিযোগ, টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু প্রধানের নির্দেশে চলছিল টেন্ডার জমা নেওয়ার কাজ। তাতেই বাধে গন্ডগোল। টেন্ডারের কাগজ জমা নেওয়ার সময় ছুড়ে ফেলার অভিযোগ উঠল কয়েকজন ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। ‌ 
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে পঞ্চায়েতের আধিকারিক এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজের জন্য টেন্ডার ডেকেছিলেন। মঙ্গলবার ছিল সেই টেন্ডার জমা নেওয়ার শেষদিন। ঠিকাদাররা নির্দিষ্ট দিনে সময়মতো নিজেদের টেন্ডার জমা করেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, কয়েকজন ঠিকাদার সেই টেন্ডার অফিসে এসে জমা না করে প্রধান ফিরোদা খাতুনের হাতে দিয়ে দেন। প্রধান মঙ্গলবার অফিসে আসেননি।‌ সেই কারণে তিনি বুধবার ওই টেন্ডারের কাগজগুলি পঞ্চায়েতের আধিকারিকের কাছে জমা করতে যান। তখন সেখানে থাকা অন্যান্য ঠিকাদাররা তাঁকে বাধা দেন। এরপরই বেশকিছু ঠিকাদার প্রধানের কাছে থাকা টেন্ডারের কাগজগুলি নিয়ে ছিঁড়ে ফেলে দেন। এবিষয়ে কালিয়াচক থানার দ্বারস্থ হয়েছেন প্রধান ও তাঁর স্বামী নাসিরউদ্দিন।
ঠিকাদার রেজাউল শেখের বক্তব্য, আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নিয়ম না মেনে টেন্ডারের কাগজ জমা দিচ্ছিলেন। অন্যদিকে, আমরা সময়মতো এবং নির্দিষ্ট দিনে টেন্ডারের কাগজ জমা করেছি। নিয়ম বহির্ভূতভাবে তিনি এবং তাঁর স্বামী কাগজ জমা করছিলেন বলে আমরা তাতে বাধা দিয়েছি। থানাতেও অভিযোগ করা হয়েছে।
যদিও প্রধান অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, আমার শরীর খারাপ ছিল বলে মঙ্গলবার অফিস যেতে পারিনি। কয়েকজন ঠিকাদার আমার কাছে কাগজগুলি জমা করেছিলেন। বুধবার টেন্ডারের সেই কাগজগুলি নিয়ে গিয়েছিলাম। আমার সঙ্গে স্বামীও ছিলেন। তখনই কয়েকজন মিলে এসে আমার কাছে থাকা টেন্ডারের কাগজগুলি কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন। থানায় বিষয়টি জানিয়েছি। কালিয়াচক-১ এর বিডিও সত্যজিৎ হালদার বলেন, গণ্ডগোলের বিষয়টি বিস্তারিত কিছুই জানি না। খোঁজখবর নিয়ে দেখব। কালিয়াচক থানার পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ