সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: ডাম্পারের ধাক্কায় বাইক চালকের মৃত্যুতে রণক্ষেত্রে হয়ে উঠল কুমারগ্রাম–জোড়াই রাজ্য সড়ক। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন ওই বাইকে থাকা অপর এক যুবক। সোমবার রাতে কুমারগ্রাম ব্লকের চ্যাংমারি পঞ্চায়েতের গচিমারি কদমতলায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। উত্তেজিত জনতা রাজ্যসড়কে চলাচলকারী ডাম্পারগুলি আটক করে বিক্ষোভ দেখান। কয়েকটি ডাম্পারে ভাঙচুর চালানো হয়। মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দুর্ঘটনাস্থল। বারোবিশা ফাঁড়ি এবং কুমারগ্রাম থানার পুলিস তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম তপন দাস (৩৬)। শামুকতলা থানার থানুপাড়া এলাকায় তাঁর বাড়ি। জখম যুবকের নাম রামণী দাস (৪০)। তিনি শামুকতলার চিকলিগুড়ির বাকলারপার এলাকার বাসিন্দা।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে খবর, সোমবার রাতে দু›জনে একটি বাইকে চেপে বারোবিশার দিকে যাচ্ছিলেন। গচিমারির কদমতলায় পিছন থেকে আসা একটি ডাম্পার ওই বাইকে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনাস্থলেই বাইক চালক তপনের মৃত্যু হয়। বাইকে থাকা অপর যুবক খমেশ জখম হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা সেটা দেখেই ছুটে আসেন। খবর পেয়ে বারোবিশা দমকল কেন্দ্রের কর্মীরা জখমদের উদ্ধার করে কামাখ্যাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। দুর্ঘটনার পর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন স্থানীয়রা। তাঁরা বিক্ষোভ শুরু করেন। যদিও, পুলিস পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
তুষার অধিকারী নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এই রাস্তা দিয়ে ডাম্পার লাগামছাড়া গতিতে চলাচল করছে। আমরা ডাম্পারের জন্য অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। রাস্তা দিয়ে চলাচল করাই মুশকিল হয়ে পড়েছে। অবিলম্বে তা বন্ধ হওয়া দরকার। ডাম্পারের দৌরাত্ম্যরোধে প্রশাসন ব্যবস্থা নিক। এটাই আমাদের দাবি। আর যেন প্রাণহানি না হয়।
রমেন রায় নামে স্থানীয় আরএক বাসিন্দা বলেন, ডাম্পারের জন্য এই সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। ডাম্পারগুলি অতিরিক্ত পরিমাণে বালি-পাথর বোঝাই করে বেপরোয়াভাবে ছুটে চলছে। যার ফলে একজনকে প্রাণ হারাতে হল। আমরা এই সমস্যার সমাধান চাই।
স্থানীয়দের এই দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের চ্যাংমারি অঞ্চল সভাপতি প্রভাস ঈশ্বরারী। তিনি বলেন, ডাম্পারের জন্য সাধারণ মানুষের খুব সমস্যা হচ্ছে। অতিরিক্ত পরিমাণে বালি-পাথর বোঝাই করে দ্রুত গতিতে ডাম্পারগুলি চলছে। ডাম্পারের গতি নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। ওভারলোডিং ডাম্পার যেন না চলে সেই বিষয়টিও দেখা হোক।
মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে তপন রায়ের দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হয়েছে। পথ-দুর্ঘটনায় তাঁর অকালমৃত্যুতে থানুপাড়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
তুষার অধিকারী নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এই রাস্তা দিয়ে ডাম্পার লাগামছাড়া গতিতে চলাচল করছে। আমরা ডাম্পারের জন্য অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। রাস্তা দিয়ে চলাচল করাই মুশকিল হয়ে পড়েছে। অবিলম্বে তা বন্ধ হওয়া দরকার। ডাম্পারের দৌরাত্ম্যরোধে প্রশাসন ব্যবস্থা নিক। এটাই আমাদের দাবি। আর যেন প্রাণহানি না হয়।
রমেন রায় নামে স্থানীয় আরএক বাসিন্দা বলেন, ডাম্পারের জন্য এই সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। ডাম্পারগুলি অতিরিক্ত পরিমাণে বালি-পাথর বোঝাই করে বেপরোয়াভাবে ছুটে চলছে। যার ফলে একজনকে প্রাণ হারাতে হল। আমরা এই সমস্যার সমাধান চাই।
স্থানীয়দের এই দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের চ্যাংমারি অঞ্চল সভাপতি প্রভাস ঈশ্বরারী। তিনি বলেন, ডাম্পারের জন্য সাধারণ মানুষের খুব সমস্যা হচ্ছে। অতিরিক্ত পরিমাণে বালি-পাথর বোঝাই করে দ্রুত গতিতে ডাম্পারগুলি চলছে। ডাম্পারের গতি নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। ওভারলোডিং ডাম্পার যেন না চলে সেই বিষয়টিও দেখা হোক।
মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে তপন রায়ের দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হয়েছে। পথ-দুর্ঘটনায় তাঁর অকালমৃত্যুতে থানুপাড়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।



