সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: বীরপাড়ায় যানজট রুখতে জেলা পুলিস দিনের বদলে ভুটান থেকে আসা ডলোমাইট বোঝাই ডাম্পারগুলিকে রাতে চালানোর ব্যবস্থা করেছিল। জেলা পুলিসের এই ব্যবস্থায় ভীষণ উপকৃত হয়েছিল বীরপাড়ার মানুষ। ২৫ নভেম্বর থেকে রাতে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। কিন্তু রেলের পক্ষ থেকে ডলোমাইট পরিবহণের সময়সীমা বাড়াতে জেলা পুলিসকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আর তাতেই ফের আগের মতোই বীরপাড়া শহরে যানজটের আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
ভুটানের পাগলি থেকে দৈনিক অন্তত ৩০০টি ডাম্পার ডলোমাইট নিয়ে আসে দলগাঁও স্টেশনে। এর ফলে বীরপাড়ায় স্থানীয় লেভেল ক্রসিং ও লঙ্কা রোড যানজটে প্রায়ই অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ভোগান্তি হয় মানুষের। এরপরেই বীরপাড়ায় এই যানজট রুখতে সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরের দিন সকাল ৮ টা পর্যন্ত ডলোমাইট বোঝাই গাড়িগুলি চালানোর উদ্যোগ নেয় জেলা পুলিস। ২৫ নভেম্বর থেকে এই ব্যবস্থা চালু হয়। তারপর থেকে বীরপাড়ায় আর কোনও যানজট নেই।
কিন্তু রেলের দাবি, শুধু রাতে ডাম্পার চালানোর ফলে ডলোমাইটের জোগানে টান পড়েছে। স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়াকেও (সেইল) প্রয়োজন মতো ডলোমাইট সরবরাহ করা যাচ্ছে না। প্রসঙ্গত, ইস্পাত তৈরিতে খনিজ হিসেবে ডলোমাইট ব্যবহার করা হয়। তাই রেলের পক্ষ থেকে জেলা পুলিসকে ডাম্পারে ডলোমাইট পরিবহণের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।
আলিপুরদুয়ার জেলার পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, বীরপাড়ার মানুষের সুবিধার্থে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। তাতে সেখানকার মানুষ উপকৃত হয়েছিল। এখন রেল তো বটেই সেইলও ডলোমাইট আনার সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে চাপ দিচ্ছে। জোড়া চাপে আমাদের ফাঁপড়ে পড়তে হচ্ছে। যদিও উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিলকিঞ্জল শর্মা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। মাদারিহাটের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক জয়প্রকাশ টোপ্পো বলেন, বীরপাড়ায় আগের মতো যানজট সমস্যা ফিরে আসুক তা কোনওভাবেই চাই না।
কিন্তু রেলের দাবি, শুধু রাতে ডাম্পার চালানোর ফলে ডলোমাইটের জোগানে টান পড়েছে। স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়াকেও (সেইল) প্রয়োজন মতো ডলোমাইট সরবরাহ করা যাচ্ছে না। প্রসঙ্গত, ইস্পাত তৈরিতে খনিজ হিসেবে ডলোমাইট ব্যবহার করা হয়। তাই রেলের পক্ষ থেকে জেলা পুলিসকে ডাম্পারে ডলোমাইট পরিবহণের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।
আলিপুরদুয়ার জেলার পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, বীরপাড়ার মানুষের সুবিধার্থে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। তাতে সেখানকার মানুষ উপকৃত হয়েছিল। এখন রেল তো বটেই সেইলও ডলোমাইট আনার সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে চাপ দিচ্ছে। জোড়া চাপে আমাদের ফাঁপড়ে পড়তে হচ্ছে। যদিও উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিলকিঞ্জল শর্মা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। মাদারিহাটের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক জয়প্রকাশ টোপ্পো বলেন, বীরপাড়ায় আগের মতো যানজট সমস্যা ফিরে আসুক তা কোনওভাবেই চাই না।



