সংবাদদাতা, কাঁথি: ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে কিছু দেশি ও বিদেশি মাছের ডিমপোনা উৎপাদনে জোর দিচ্ছে মৎস্যদপ্তর। কাঁথির জুনপুটে মৎস্যদপ্তরের ফিশারি ফার্মের হ্যাচারিতে জোরকদমে ডিমপোনা উৎপাদন শুরু হয়েছে। উৎপাদন বাড়াতে আরও একটি হ্যাচারি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।
Advertisement
দেশি মাছের উৎকৃষ্ট ডিমপোনা তৈরিতে এই ফার্মের জুড়ি নেই। এখানে ১০কোটি মাছের চারা উৎপাদনের পরিকাঠামো রয়েছে। সেটা দ্বিগুণ করতে চাইছেন মৎস্যদপ্তরের কর্তারা। গতবছর এখানকার হ্যাচারিতে ৯০৯.৯৮ লক্ষ চারাপোনা উৎপাদন হয়েছিল। এবার তার পরিমাণ বাড়াতে পুরনো হ্যাচারির পরিকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। নতুন হ্যাচারির জন্য ইউনিট সহ নানা পরিকাঠামো তৈরির কাজ চলছে।
নতুন হ্যাচারিতে এবার দেশি রুই, কাতলা, মৃগেল, কালবোস, বাটা, সরপুঁটি ইত্যাদি মাছের চারা উৎপাদন হবে। বিদেশি মাছের মধ্যে সিলভার কার্প, সাইপ্রিনাস কার্প, জাপানি পুঁটি, পেংবা ইত্যাদি মাছের ডিমপোনা উৎপাদন হবে। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে পাবদা, সরপুঁটি, দেশি মাগুর, শিঙি, কই মাছের ডিমপোনাও উৎপাদন হবে। উৎপাদিত ডিমপোনা থেকে এই সরকারি ফার্মের পুকুরে ধাপে ধাপে ধানিপোনা ও চারাপোনা তৈরি করা হবে। চাষিদের চাহিদা অনুযায়ী ডিমপোনা, ধানিপোনা ও চারাপোনা সরকারি মূল্যে বিক্রি করা হবে। কিছু মাছের চারা এই ফার্মের পুকুরে মৎস্যচাষেও ব্যবহার হবে।
জুনপুট ফার্মের উৎপাদিত বেশিরভাগ চারাপোনা স্টেট ফিশারি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেডকে(এসএফডিসিএল) সরকারি মূল্যে বিক্রি করা হয়। এছাড়া, এখান থেকে অনেক মাছের চারা বিক্রেতা ডিমপোনা ও ধানিপোনা নিয়ে যান। দু’বছর ধরে এই ফার্ম লাভের মুখ দেখছে। মাছের চারা বিক্রি করে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই ফার্ম ৪৫লক্ষ টাকা আয় করেছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ডিসেম্বর অবধিই ৫০ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে।
জুনপুটে মিষ্টি ও নোনাজলের ৪৮টি পুকুর রয়েছে। তার মধ্যে ১৩টি নোনাজলের পুকুর রয়েছে। মিষ্টি জলের পুকুরে রুই, কাতলা, মৃগেল সহ অন্য মাছ চাষ হয়। নোনাজলের পুকুরে মূলত ভেটকি, পার্শে ও ভাঙ্গড় মাছের চাষ হয়। এছাড়া, বাগদা চিংড়ি, নোনা ট্যাংরা, মুক্তোগাছা, মিল্কফিশ ও তেলাপিয়া মাছের চাষও হয়। এখানে উৎপাদিত মাছ বিক্রি করে যথেষ্ট আয় করে মৎস্যদপ্তর। বিগত অর্থবর্ষে উৎপাদিত মাছ বিক্রি করে ৭৪লক্ষ টাকা আয় হয়েছিল। এই অর্থবর্ষে ডিসেম্বর অবধিই মাছ বিক্রি করে প্রায় ৭০লক্ষ টাকা আয় হয়েছে। তাই মাছ উৎপাদনে জোর দেওয়া হচ্ছে। এমনটাই জানান জুনপুট ফিশ টেকনোলজিক্যাল স্টেশনের সহ মৎস্য-অধিকর্তা নীলোৎপল কয়াল। নীলোৎপলবাবু বলেন, চাহিদা বাড়ছে দেখে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব।
নতুন হ্যাচারিতে এবার দেশি রুই, কাতলা, মৃগেল, কালবোস, বাটা, সরপুঁটি ইত্যাদি মাছের চারা উৎপাদন হবে। বিদেশি মাছের মধ্যে সিলভার কার্প, সাইপ্রিনাস কার্প, জাপানি পুঁটি, পেংবা ইত্যাদি মাছের ডিমপোনা উৎপাদন হবে। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে পাবদা, সরপুঁটি, দেশি মাগুর, শিঙি, কই মাছের ডিমপোনাও উৎপাদন হবে। উৎপাদিত ডিমপোনা থেকে এই সরকারি ফার্মের পুকুরে ধাপে ধাপে ধানিপোনা ও চারাপোনা তৈরি করা হবে। চাষিদের চাহিদা অনুযায়ী ডিমপোনা, ধানিপোনা ও চারাপোনা সরকারি মূল্যে বিক্রি করা হবে। কিছু মাছের চারা এই ফার্মের পুকুরে মৎস্যচাষেও ব্যবহার হবে।
জুনপুট ফার্মের উৎপাদিত বেশিরভাগ চারাপোনা স্টেট ফিশারি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেডকে(এসএফডিসিএল) সরকারি মূল্যে বিক্রি করা হয়। এছাড়া, এখান থেকে অনেক মাছের চারা বিক্রেতা ডিমপোনা ও ধানিপোনা নিয়ে যান। দু’বছর ধরে এই ফার্ম লাভের মুখ দেখছে। মাছের চারা বিক্রি করে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই ফার্ম ৪৫লক্ষ টাকা আয় করেছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ডিসেম্বর অবধিই ৫০ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে।
জুনপুটে মিষ্টি ও নোনাজলের ৪৮টি পুকুর রয়েছে। তার মধ্যে ১৩টি নোনাজলের পুকুর রয়েছে। মিষ্টি জলের পুকুরে রুই, কাতলা, মৃগেল সহ অন্য মাছ চাষ হয়। নোনাজলের পুকুরে মূলত ভেটকি, পার্শে ও ভাঙ্গড় মাছের চাষ হয়। এছাড়া, বাগদা চিংড়ি, নোনা ট্যাংরা, মুক্তোগাছা, মিল্কফিশ ও তেলাপিয়া মাছের চাষও হয়। এখানে উৎপাদিত মাছ বিক্রি করে যথেষ্ট আয় করে মৎস্যদপ্তর। বিগত অর্থবর্ষে উৎপাদিত মাছ বিক্রি করে ৭৪লক্ষ টাকা আয় হয়েছিল। এই অর্থবর্ষে ডিসেম্বর অবধিই মাছ বিক্রি করে প্রায় ৭০লক্ষ টাকা আয় হয়েছে। তাই মাছ উৎপাদনে জোর দেওয়া হচ্ছে। এমনটাই জানান জুনপুট ফিশ টেকনোলজিক্যাল স্টেশনের সহ মৎস্য-অধিকর্তা নীলোৎপল কয়াল। নীলোৎপলবাবু বলেন, চাহিদা বাড়ছে দেখে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব।



