সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: মহকুমা শহর হলেও ধূপগুড়ি শহরের আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই। আজও তৈরি হয়নি ডাম্পিংগ্রাউন্ড। পুরসভার আবর্জনা নিতে রাজি হচ্ছে না কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতই। শহরের যেখানে-সেখানে আবর্জনা ভরে যাচ্ছে। এর জেরে সমস্যায় পুরবাসী। অথচ ঘটা করে ধূপগুড়ি পুরসভাকে গ্রিন এবং ক্লিন ঘোষণা করা হয়েছিল। অবশ্য দীর্ঘ কয়েক বছর থেকে ডাম্পিংগ্রাউন্ডের আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই দিতে পারছে না পুরসভা। বিরোধীরাও এক্ষেত্রে পুরসভার ব্যর্থতা নিয়ে সরব হয়েছে।
Advertisement
পুরসভা জানিয়েছে, শহরের আবর্জনা ফেলার জায়গা না পেয়ে বানারহাট এলাকায় একটি জায়গা বেছে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে ডাম্পিংগ্রাউন্ড তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু শহরের আবর্জনা সেখানে ফেলা হবে কেন? এই প্রশ্ন তুলে আন্দোলন শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ফলে সেখানে আর ডাম্পিংগ্রাউন্ড তৈরি হয়নি। এরপর ধূপগুড়ির ঝাড়আলতা ১ গ্রাম পঞ্চায়েতে ডাম্পিংগ্রাউন্ড তৈরি হলে সেখানে শহরের আবর্জনা ফেলার প্রস্তাব দেয় পুরসভা। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি ওই পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পুরসভার বাসিন্দা গোপাল সরকার, সুজিত সেন বলেন,আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই। তাই যেখানে সেখানে নোংরা ফেলা হয়। এর ফলে শহরের সৌন্দর্য যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি দুর্গন্ধ ছড়ছে।
সব্জি ব্যবসায়ী রতন প্রামাণিক বলেন, আবর্জনার দুর্গন্ধ নিয়েই ব্যবসা করতে হয়। ধূপগুড়ি পুরসভার প্রশাসনিক বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ কুমার সিং বলেন, ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। শীঘ্রই এর ব্যবস্থা করা হবে। পুরসভার বিরোধী দলনেতা কৃষ্ণ রায় বলেন, এত বছর ধরে একটি ডাম্পিংগ্রাউন্ড তৈরি করতে পারল না পুরসভা। এই ব্যর্থতা ঢাকার মুখ নেই পুরসভার।
সব্জি ব্যবসায়ী রতন প্রামাণিক বলেন, আবর্জনার দুর্গন্ধ নিয়েই ব্যবসা করতে হয়। ধূপগুড়ি পুরসভার প্রশাসনিক বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ কুমার সিং বলেন, ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। শীঘ্রই এর ব্যবস্থা করা হবে। পুরসভার বিরোধী দলনেতা কৃষ্ণ রায় বলেন, এত বছর ধরে একটি ডাম্পিংগ্রাউন্ড তৈরি করতে পারল না পুরসভা। এই ব্যর্থতা ঢাকার মুখ নেই পুরসভার।



