সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: একবছরের মধ্যেই নবদ্বীপের ডাম্পিং গ্রাউন্ডে জমে থাকা এক লক্ষ মেট্রিক টন আবর্জনা সরিয়ে ফেলা হবে। চুক্তিবদ্ধ সংস্থা ইতিমধ্যে বর্জ্য সরানো শুরু করেছে। সেই বর্জ্য সরিয়ে সেখানে তৈরি করা হবে পার্ক। বাকি জমিতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা রোজ পুর এলাকা থেকে সংগৃহীত আবর্জনা পৃথকীকরণ করে জৈব সার তৈরি করবেন।
Advertisement
নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা বলেন, শহর জঞ্জালমুক্ত করা হচ্ছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারাও আগামী দিনে এখানে বর্জ্য পৃথকীকরণের কাজ করতে পারবেন। এতে তাঁরা কর্মসংস্থানের পথ খুঁজে পাবেন।
নবদ্বীপ পুরসভা সার্ধশতবর্ষ পেরিয়ে গিয়েছে। এখানকার ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ১৮৬৯সাল থেকে আবর্জনা স্তূপীকৃত হয়ে জমে আছে। এবার সেই আবর্জনা সরানো শুরু হয়েছে। এজন্য একটি সংস্থাকে পাঁচ কোটি টাকার টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ওই সংস্থা কাজ শুরু করেছে। ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পুরনো আবর্জনা পৃথকীকরণের জন্য উন্নতমানের ট্রমেল মেশিন বসানো হয়েছে। সেই যন্ত্রের সাহায্যে জমে থাকা ভেজা ও শুকনো আবর্জনা পৃথকীকরণ শুরু হয়েছে। এরপর তা অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হবে।
আগামী দিনে পুরসভার ২৪টি ওয়ার্ড থেকে প্রতিদিন গড়ে ৬১টন আবর্জনা সংগ্রহ করা হবে। তা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা আলাদা করে জৈব সার তৈরি করবেন। প্রতিদিন এই কাজে প্রায় ১৫০জন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা নিযুক্ত থাকবেন। এতদিন পরীক্ষামূলকভাবে এই সার তৈরি হতো। সেই সার পুরসভার নিজস্ব পার্ক ও ফুলবাগানে ব্যবহার করেছে। আগামী দিনে পুরোপুরি ব্যবসায়িকভাবে এই সার বিক্রি করা হবে। বাজারে এই জৈব সারের ভালো চাহিদা আছে।
রাজ্য সরকারের বরাদ্দে ডাম্পিং গ্রাউন্ডের নয় একর জায়গায় পুরসভা সীমানাপ্রাচীর দিচ্ছে। সেই কাজ প্রায় শেষের পথে। এজন্য ১ কোটি ২৮ লক্ষ ৬৪হাজার ৮০৫টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ডাম্পিং গ্রাউন্ডের দু’দিকে সুবিশাল দু’টি গেট তৈরি হচ্ছে। পুর এলাকার পাশাপাশি বাবলারি পঞ্চায়েতের আবর্জনাও এই ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ফেলা হয়। পুরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, ট্রমেল মেশিনের মাধ্যমে প্লাস্টিকজাতীয় জিনিস আলাদা হয়ে যাচ্ছে। বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে, আর কোনও আবর্জনা পড়ে থাকবে না। ওয়েব্রিজও বসে গিয়েছে। তার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ আবর্জনা ওজন করে ট্রমেল মেশিনে দেওয়া হচ্ছে। তারপর সেই যন্ত্রের সাহায্যে আবর্জনা পৃথকীকরণ করা হচ্ছে।
নবদ্বীপ পুরসভা সার্ধশতবর্ষ পেরিয়ে গিয়েছে। এখানকার ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ১৮৬৯সাল থেকে আবর্জনা স্তূপীকৃত হয়ে জমে আছে। এবার সেই আবর্জনা সরানো শুরু হয়েছে। এজন্য একটি সংস্থাকে পাঁচ কোটি টাকার টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ওই সংস্থা কাজ শুরু করেছে। ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পুরনো আবর্জনা পৃথকীকরণের জন্য উন্নতমানের ট্রমেল মেশিন বসানো হয়েছে। সেই যন্ত্রের সাহায্যে জমে থাকা ভেজা ও শুকনো আবর্জনা পৃথকীকরণ শুরু হয়েছে। এরপর তা অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হবে।
আগামী দিনে পুরসভার ২৪টি ওয়ার্ড থেকে প্রতিদিন গড়ে ৬১টন আবর্জনা সংগ্রহ করা হবে। তা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা আলাদা করে জৈব সার তৈরি করবেন। প্রতিদিন এই কাজে প্রায় ১৫০জন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা নিযুক্ত থাকবেন। এতদিন পরীক্ষামূলকভাবে এই সার তৈরি হতো। সেই সার পুরসভার নিজস্ব পার্ক ও ফুলবাগানে ব্যবহার করেছে। আগামী দিনে পুরোপুরি ব্যবসায়িকভাবে এই সার বিক্রি করা হবে। বাজারে এই জৈব সারের ভালো চাহিদা আছে।
রাজ্য সরকারের বরাদ্দে ডাম্পিং গ্রাউন্ডের নয় একর জায়গায় পুরসভা সীমানাপ্রাচীর দিচ্ছে। সেই কাজ প্রায় শেষের পথে। এজন্য ১ কোটি ২৮ লক্ষ ৬৪হাজার ৮০৫টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ডাম্পিং গ্রাউন্ডের দু’দিকে সুবিশাল দু’টি গেট তৈরি হচ্ছে। পুর এলাকার পাশাপাশি বাবলারি পঞ্চায়েতের আবর্জনাও এই ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ফেলা হয়। পুরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, ট্রমেল মেশিনের মাধ্যমে প্লাস্টিকজাতীয় জিনিস আলাদা হয়ে যাচ্ছে। বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে, আর কোনও আবর্জনা পড়ে থাকবে না। ওয়েব্রিজও বসে গিয়েছে। তার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ আবর্জনা ওজন করে ট্রমেল মেশিনে দেওয়া হচ্ছে। তারপর সেই যন্ত্রের সাহায্যে আবর্জনা পৃথকীকরণ করা হচ্ছে।



