সংবাদদাতা, ডোমকল: ডোমকলের গড়াইমারী হাসপাতাল মোড় থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত সাড়ে ছ’শো মিটার রাস্তায় ভাঙা পাথরের ছড়াছড়ি। রাস্তার পিচ উঠে গিয়ে রাস্তার কঙ্কালসার চেহেরা ভেসে উঠেছে। রাস্তার বিভিন্ন অংশে খানাখন্দের কারণে মরণফাঁদ হয়ে উঠেছে রাস্তা। রাস্তার ধারেই স্কুল, হাসপাতাল সব রয়েছে। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা মেরামতের জন্য কোনও উদ্যোগ নেই প্রশাসনের।
Advertisement
দীর্ঘ পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে ওই রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ে আছে। অভিযোগ, তা সত্ত্বেও টনক নড়েনি প্রশাসনের। এদিকে সংস্কারের অভাবে গোটা রাস্তার পিচ উঠে গিয়েছে। রাস্তার ধার ভেঙে গিয়েছে। রাস্তার পাথর উঠে,এদিক ওদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। খানাখন্দে ভরা কারণে দু-এক পশলা বৃষ্টিতেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে রাস্তা। অথচ ওই রাস্তা পাশেই অবস্থিত গড়াইমারী যাদবকৃষ্ণ বিদ্যানিকেতন । এবড়ো খেবড়ো রাস্তার কারণে স্কুলে যাতায়াতে ভীষণ সমস্যা হয় তাঁদের। শুধু তাই নয় গড়াইমারী সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা ওই রাস্তাটিই। বেহাল রাস্তার কারণে হাসপাতালে যেতেও ভোগান্তি পোহাতে হয় রোগীদের। ভোট মিটলেও রাস্তার সুরাহা না হওয়ায় রীতিমতো ক্ষুদ্ধ এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ প্রত্যেকবার ভোটের আগে নেতাদের থেকে প্রতিশ্রুতি মিললেও কোনও কাজ হয়না। ভোটের পরে মেম্বার, প্রধান ,সভাপতিকে বলেও কাজ হয়না।
লালন মন্ডল নামের এক ব্যক্তি বলেন, ভোটের সময় মেম্বাররা রাস্তা করে দেওয়ার কথা বললেও পরে আর তাদের দেখা মেলে না। পাঁচ বছর থেকে রাস্তা এইরকমই বেহাল হয়ে পড়ে আছে। বেহাল রাস্তার কারণে সবার চলা ফেরায় সমস্যা হয়। ওই রাস্তার পাশে স্কুল, হাসপাতাল থাকলেও রাস্তা সংস্কারের কোনও ভূমিকা নেই স্থানীয় পঞ্চায়েত -প্রশাসনের।
গড়াইমারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আগত রোগী সোহেল সরকার বলেন, পুরো রাস্তা যেন এক প্রকার মরণফাঁদ। অথচ ওই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন শয়ে শয়ে পড়ুয়ারা স্কুল, রোগীরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়া আশা করছে। পাথুরে রাস্তার কারণে মাঝে মাঝেই দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছেন অনেকেই। গড়াইমারী যাদবকৃষ্ণ বিদ্যানিকেতনের এক পড়ুয়া বলেন , রাস্তা খারাপের জন্য আমাদের সাইকেল চালাতে ভীষণ সমস্যা হয়।
এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া নেওয়ার জন্য স্থানীয় গড়াইমারী গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান হাসানুজ্জাম্মানকে একাধিকবার ফোন করে হলেও তিনি ফোন তোলেননি। পরবর্তীতে মেসেজ করা হলেও সেখানে সাড়া পাওয়া যায়নি।
যদিও ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শাহানা বিশ্বাস বলেন, এভাবে রাস্তা সংস্কার না করে ফেলে রাখা যায় না। আমি জানতাম না বিষয়টি। দ্রুত স্থানীয় প্রধানের সঙ্গে কথা বলে ওই রাস্তা সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।
লালন মন্ডল নামের এক ব্যক্তি বলেন, ভোটের সময় মেম্বাররা রাস্তা করে দেওয়ার কথা বললেও পরে আর তাদের দেখা মেলে না। পাঁচ বছর থেকে রাস্তা এইরকমই বেহাল হয়ে পড়ে আছে। বেহাল রাস্তার কারণে সবার চলা ফেরায় সমস্যা হয়। ওই রাস্তার পাশে স্কুল, হাসপাতাল থাকলেও রাস্তা সংস্কারের কোনও ভূমিকা নেই স্থানীয় পঞ্চায়েত -প্রশাসনের।
গড়াইমারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আগত রোগী সোহেল সরকার বলেন, পুরো রাস্তা যেন এক প্রকার মরণফাঁদ। অথচ ওই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন শয়ে শয়ে পড়ুয়ারা স্কুল, রোগীরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়া আশা করছে। পাথুরে রাস্তার কারণে মাঝে মাঝেই দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছেন অনেকেই। গড়াইমারী যাদবকৃষ্ণ বিদ্যানিকেতনের এক পড়ুয়া বলেন , রাস্তা খারাপের জন্য আমাদের সাইকেল চালাতে ভীষণ সমস্যা হয়।
এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া নেওয়ার জন্য স্থানীয় গড়াইমারী গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান হাসানুজ্জাম্মানকে একাধিকবার ফোন করে হলেও তিনি ফোন তোলেননি। পরবর্তীতে মেসেজ করা হলেও সেখানে সাড়া পাওয়া যায়নি।
যদিও ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শাহানা বিশ্বাস বলেন, এভাবে রাস্তা সংস্কার না করে ফেলে রাখা যায় না। আমি জানতাম না বিষয়টি। দ্রুত স্থানীয় প্রধানের সঙ্গে কথা বলে ওই রাস্তা সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।



