সংবাদদাতা, ডোমকল: ভৈরব সেতুর লোড টেস্টিংয়ের জন্য আজ, শনিবার সকাল ৬টা থেকে তিনদিন সেতু দিয়ে সবরকম যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। তার জেরে বহরমপুরে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিস্তীর্ণ ডোমকল মহকুমার বাসিন্দাদের সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সের মতো জরুরি যানবাহনের ক্ষেত্রেও ছাড় না মেলায় সমস্যা আরও জোরালো হয়েছিল। তবে শুক্রবার ডোমকল এসডিপিও শুভম বাজাজ সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, যানজটের শঙ্কা থাকলে প্রয়োজন হলে গ্রিন করিডর করে বিকল্প রুট দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে অ্যাম্বুলেন্স। শুধু তাই নয়, ওই সময়ের মধ্যে পরীক্ষা থাকলে পরীক্ষার্থীদের বিষয়টিও বিশেষভাবে ভাবা হবে। তাছাড়া এই সুযোগে ফেরিঘাটগুলিতেও যাতে তোলাবাজি না হয়, সেই বিষয়টিও দেখা হবে।
Advertisement
এদিন বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে সমস্যার কথা স্বীকার করে বিকল্প রুটের কথা তুলে ধরেন এসডিপিও। তিনি বলেন, ভৈরব সেতুতে যান চলাচল বন্ধ থাকার কারণে ছোট গাড়িগুলি ডোমকলের গাবতলা, ভগীরথপুর হয়ে ফতেপুর-সুন্দলপুর ঘাট পেরিয়ে ভাকুড়ি-হরিহরপাড়া হয়ে বহরমপুর যাওয়া আসা করতে পারবে। আর ভারী যানগুলি ডোমকলের গাবতলা কুশাবেড়িয়া, বাগডাঙা, জুগিন্দা হয়ে গঙ্গাধারী ব্রিজ দিয়ে বহরমপুর যেতে পারবে।
তবে এই রাস্তাটি শুধুমাত্র বহরমপুর যাওয়ার জন্য, অর্থাৎ ওয়ান ওয়ে করা হয়েছে। এছাড়া ভারী গাড়িগুলি বহরমপুর পঞ্চাননতলা দিয়ে চোঁয়া, গজনীপুর হয়ে গঙ্গাধারী ব্রিজ পেরিয়ে নদীয়ার থানারপাড়া করিমপুর হয়ে জলঙ্গি-ডোমকল রুট ধরে আসা যাওয়া করতে পারবে। এই রাস্তাটিকে টু-ওয়ে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সেতু বন্ধ থাকলেও আশা করছি মানুষের খুব একটা সমস্যা হবে না। যদি সমস্যা হয় তাহলে খুব দ্রুত আমরা সমাধানের চেষ্টা করব। একাধিক জায়গায় পুলিসের পোস্ট থাকবে। সেখান থেকে জনসাধারণকে সহায়তা করা হবে।
তবে এই রাস্তাটি শুধুমাত্র বহরমপুর যাওয়ার জন্য, অর্থাৎ ওয়ান ওয়ে করা হয়েছে। এছাড়া ভারী গাড়িগুলি বহরমপুর পঞ্চাননতলা দিয়ে চোঁয়া, গজনীপুর হয়ে গঙ্গাধারী ব্রিজ পেরিয়ে নদীয়ার থানারপাড়া করিমপুর হয়ে জলঙ্গি-ডোমকল রুট ধরে আসা যাওয়া করতে পারবে। এই রাস্তাটিকে টু-ওয়ে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সেতু বন্ধ থাকলেও আশা করছি মানুষের খুব একটা সমস্যা হবে না। যদি সমস্যা হয় তাহলে খুব দ্রুত আমরা সমাধানের চেষ্টা করব। একাধিক জায়গায় পুলিসের পোস্ট থাকবে। সেখান থেকে জনসাধারণকে সহায়তা করা হবে।



