সংবাদদাতা, ডোমকল: ঠিক যেন সিনেমার দৃশ্য। রাস্তায় দ্রুত গতিতে ছুটছে ফেন্সিডিল বোঝাই মারুতি ভ্যান। পিছনে ধাওয়া করছে জেলা পুলিসের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ(এসওজি) ও ডোমকল থানার পুলিসের টিম। সোমবার গভীর রাতে প্রায় নয় কিলোমিটার জুড়ে এভাবেই চলে কার চেসিং। শেষে ডোমকলের রাজাপুরে এসে মারুতি ভ্যানটি ধরা পড়ে। পরে গাড়িতে তল্লাশি চালাতেই সাতটি বস্তায় উদ্ধার হয় ৫০০০ বোতল নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। যার বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। গ্রেপ্তার করা হয়েছে গাড়ি চালককেও। ধৃতের নাম পীযূষ সর্দার। তার বাড়ি নদীয়ার হোগলবাড়িয়ায়। মঙ্গলবার ধৃতকে বহরমপুর আদালতে পাঠানো হলে ৫ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
Advertisement
পুলিস সূত্রের খবর, পাচারকারীদের ছক ছিল নদীয়া থেকে ওই সিরাপ পুলিসি নজর এড়িয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় ডেসপ্যাচ করা। সেই মতো মারুতি ভ্যানের মধ্যে থরে থরে সাজানোও হয়েছিল নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। এদিকে ওই খবর গোপন সূত্রে পৌঁছয় এসওজি ও ডোমকল থানার পুলিসের কাছে। তারাও গাড়িটিকে ধরার জন্য মুর্শিদাবাদ সীমান্তে ওঁৎ পেতে থাকে। ভ্যানটি মুর্শিদাবাদ ঢুকতেই চলে চেসিং। প্রায় নয় কিলোমিটারজুড়ে চলে ধাওয়া। অবশেষে রাজাপুরে ভ্যানটিকে ধরে ফেলে ওই টিম। এরপরে মারুতি ভ্যানে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হতে থাকে একের পর এক বস্তাভর্তি নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। এরপরেই সিরাপ ও গাড়ি সহ চালককে পাকড়াও করে থানায় নিয়ে আসে পুলিস। বাজেয়াপ্ত করা গাড়িটির নম্বর প্লেট থেকে জানা গিয়েছে, সেটি দক্ষিণ দিনাজপুরের আরটিওতে রেজিস্ট্রার্ড। পরে চালকের নামে মাদক সংক্রান্ত মামলা রুজু করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।



