সংবাদদাতা, ডোমকল: ডোমকল মহকুমাজুড়ে গত সাতদিনে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ধরলে সংখ্যাটা আরও বাড়বে। কোথাও দ্রুতগতি, কোথাও পারাপারের সময়, আবার কোথাও লছিমন (মোটরভ্যান), টোটো বা অটোর দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ঘিরে মহকুমাজুড়ে পথ নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
Advertisement
প্রতিবছর পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ পালন করা হয় জেলাজুড়ে। এছাড়াও বছরভর লাগাতার ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ কর্মসূচি করে থাকে পুলিস-প্রশাসন। তারপরেও সাধারণ মানুষ কতটা সচেতন হন? ঝুঁকির রাস্তা পারাপার কি বন্ধ হয়? প্রশ্নটা থেকেই যায়।
প্রসঙ্গত, পথ দুর্ঘটনায় জখম অবস্থায় কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৩ ফেব্রুয়ারি মৃত্যু হয় ইসলামপুরের এক যুবকের। তার দিন কয়েক পর ২৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সাগরপাড়ায় মামার বাড়ি যাওয়ার পথে ঝড়ের গতিতে বাইক চালাতে গিয়ে মৃত্যু হয় বছর ১৮-র এক যুবকের। ২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার জলঙ্গিতে রাস্তা পারাপারের সময় অটোর ধাক্কায় মৃত্যু হয় প্রৌঢ়ের। এরপরে গত ১ মার্চ সন্ধ্যায় ডোমকল ও জলঙ্গিতে দু’টি পৃথক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় এক যুবক ও এক প্রৌঢ়ার। পরপর এভাবে পথ দুর্ঘটনা ঘটায় পথ নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
তবে, বেশিরভাগ সময়েই দেখা যাচ্ছে, হেলমেট না পরায় মৃত্যু হচ্ছে। কোথাও কোথাও আবার অটো, টোটো ও লছিমনের অবাধ গতির ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে। বাসিন্দাদের একাংশের মতে, সড়কে টোটো, অটো, মোটরভ্যানের মতো যানের চলাচল এরজন্য দায়ী। পাশাপাশি, জাতীয় সড়কের ধারে বালি, পাথর, ইটের মতো ইমারতি দ্রব্য মজুত থাকে। ফলে, পথ সংকীর্ণ হয়েও দুর্ঘটনা ঘটছে বলে একাংশের অভিযোগ। অনেকে আবার আশপাশ না দেখেই রাস্তা পারাপার হওয়াকে দুষেছেন।
ডোমকলের এক বাসিন্দা বলেন, যেভাবে প্রতিদিন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হচ্ছে তাতে রাস্তায় কার্যত প্রাণ হাতে করে বের হতে হচ্ছে। মোটরবাইকগুলি ঝড়ের গতিতে ছুটছে। আবার অটো-টোটো, লছিমনগুলির বেপরোয়া চলাচলে বিপদ আরও বাড়ছে। যদিও পুলিস জানিয়েছে, শুধুই সচতেন করে নয়। এবারে বেপরোয়াভাবে ট্রাফিক আইন না মেনে গাড়ি, বাইক, টোটো ও অটো চালালে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, পথ দুর্ঘটনায় জখম অবস্থায় কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৩ ফেব্রুয়ারি মৃত্যু হয় ইসলামপুরের এক যুবকের। তার দিন কয়েক পর ২৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সাগরপাড়ায় মামার বাড়ি যাওয়ার পথে ঝড়ের গতিতে বাইক চালাতে গিয়ে মৃত্যু হয় বছর ১৮-র এক যুবকের। ২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার জলঙ্গিতে রাস্তা পারাপারের সময় অটোর ধাক্কায় মৃত্যু হয় প্রৌঢ়ের। এরপরে গত ১ মার্চ সন্ধ্যায় ডোমকল ও জলঙ্গিতে দু’টি পৃথক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় এক যুবক ও এক প্রৌঢ়ার। পরপর এভাবে পথ দুর্ঘটনা ঘটায় পথ নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
তবে, বেশিরভাগ সময়েই দেখা যাচ্ছে, হেলমেট না পরায় মৃত্যু হচ্ছে। কোথাও কোথাও আবার অটো, টোটো ও লছিমনের অবাধ গতির ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে। বাসিন্দাদের একাংশের মতে, সড়কে টোটো, অটো, মোটরভ্যানের মতো যানের চলাচল এরজন্য দায়ী। পাশাপাশি, জাতীয় সড়কের ধারে বালি, পাথর, ইটের মতো ইমারতি দ্রব্য মজুত থাকে। ফলে, পথ সংকীর্ণ হয়েও দুর্ঘটনা ঘটছে বলে একাংশের অভিযোগ। অনেকে আবার আশপাশ না দেখেই রাস্তা পারাপার হওয়াকে দুষেছেন।
ডোমকলের এক বাসিন্দা বলেন, যেভাবে প্রতিদিন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হচ্ছে তাতে রাস্তায় কার্যত প্রাণ হাতে করে বের হতে হচ্ছে। মোটরবাইকগুলি ঝড়ের গতিতে ছুটছে। আবার অটো-টোটো, লছিমনগুলির বেপরোয়া চলাচলে বিপদ আরও বাড়ছে। যদিও পুলিস জানিয়েছে, শুধুই সচতেন করে নয়। এবারে বেপরোয়াভাবে ট্রাফিক আইন না মেনে গাড়ি, বাইক, টোটো ও অটো চালালে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



