সংবাদদাতা, ডোমকল: প্রায় এক মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় সমীক্ষার পর সদ্য শেষ হয়েছে আবাসের তালিকা যাচাইয়ের কাজ। ইতিমধ্যেই ঝাড়াইবাছাইয়ের পর যে খসড়া তালিকা প্রকাশ্যে এসেছে তাতে রীতিমতো এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ডোমকল মহকুমাজুড়ে আবাসের তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে ১৩ হাজারের বেশি নাম। যোগ্যদের তালিকায় প্রায় ৩০ হাজার উপভোক্তা ঠাঁই পেয়েছেন। ইতিমধ্যেই বিডিও অফিসগুলিতে আবাসে যোগ্য ও অযোগ্যদের নামের তালিকা ঝোলানো হয়েছে। নাম দেখা যাচ্ছে অনলাইনেও। যদিও প্রশাসনিক আধিকারিকদের দাবি, এখনও বেশ কয়েকটি এলাকায় সমীক্ষার কাজ বাকি আছে। পাশপাশি, তাঁদের তরফে অভিযোগও শোনা হচ্ছে। নাম না থাকলে অভিযোগ জানানো এবং পুনরায় সার্ভের ব্যবস্থাও রয়েছে।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রের খবর, বিডিও অফিসগুলিতে যে তালিকা ঝোলানো হয়েছে, তা ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত সমীক্ষার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। এখনও কয়েকটি এলাকায় সমীক্ষার কাজ চলছে। সূত্রের খবর, ডোমকল মহকুমার মধ্যে আবাসের নাম বাতিলের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ডোমকল ব্লক। এখানে আবাসের তালিকা থেকে ৪৭৮৮ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ডোমকল ব্লকে আপাতত আবাসের যোগ্যদের তালিকায় রয়েছেন ৪০৬০ জন উপভোক্তা। ডোমকলের পর অযোগ্যদের নাম বাতিলের তালিকায় এগিয়ে রয়েছে রানিনগর-২ ব্লক। এই ব্লকে ৯৫০৬ জন উপভোক্তাকে আবাসে যোগ্যদের তালিকায় রাখা হয়েছে। ৩৯৮৬ জনকে অযোগ্য দাবি করে ব্লক বিডিও অফিসে তালিকা ঝোলানো হয়েছে। নাম বাতিলের তালিকায় পিছিয়ে নেই জলঙ্গি ব্লকও। ২৬ তারিখ পর্যন্ত সমীক্ষার ভিত্তিতে জলঙ্গিতে ৯৬০১ কে যোগ্য ও ২৮৮০ জনকে আবাসের অযোগ্যদের তালিকায় রাখা হয়েছে। একই অবস্থা রানিনগর-১ ব্লকেও। সেখানে আবাসের তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে ১৪৫৩ জনের। আর যোগ্য প্রাপক হিসেবে তালিকায় রয়েছে ৬৭২১ জন উপভোক্তার নাম।
ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিকদের দাবি, যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে তা ২৬ তারিখ পর্যন্ত করা সমীক্ষার ভিত্তিতে। এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু এলাকায় সমীক্ষার কাজ বাকি রয়েছে। ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবাস নিয়ে অভিযোগ জমা করার সময়ও রয়েছে। এই সময়ে উপভোক্তাদের কোনও অভিযোগ থাকলে তাঁরা লিখিতভাবে বিডিও অফিসে জমা করতে পারেন। পরবর্তীতে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুনরায় সমীক্ষার কাজ করা হবে।
রানিনগর-২ বিডিও কৃষ্ণ নির্মাল্য ভট্টাচার্য বলেন, আবাসে নাম বাতিলের তালিকা দেখেই অনেকটা পরিষ্কার যে কতটা স্বচ্ছতার সঙ্গে যাচাই করা হয়েছে। তারপরেও একটা-দু’টো ভুল যদি হয়ে থাকে তার জন্য অভিযোগের রাস্তা খোলা রয়েছে। আমরাও চাই, মানুষের কোনও অভিযোগ থাকলে তা লিখিতভাবে জানাক। তাহলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের পুনরায় যাচাই করার সুযোগ থাকবে।
ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিকদের দাবি, যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে তা ২৬ তারিখ পর্যন্ত করা সমীক্ষার ভিত্তিতে। এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু এলাকায় সমীক্ষার কাজ বাকি রয়েছে। ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবাস নিয়ে অভিযোগ জমা করার সময়ও রয়েছে। এই সময়ে উপভোক্তাদের কোনও অভিযোগ থাকলে তাঁরা লিখিতভাবে বিডিও অফিসে জমা করতে পারেন। পরবর্তীতে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুনরায় সমীক্ষার কাজ করা হবে।
রানিনগর-২ বিডিও কৃষ্ণ নির্মাল্য ভট্টাচার্য বলেন, আবাসে নাম বাতিলের তালিকা দেখেই অনেকটা পরিষ্কার যে কতটা স্বচ্ছতার সঙ্গে যাচাই করা হয়েছে। তারপরেও একটা-দু’টো ভুল যদি হয়ে থাকে তার জন্য অভিযোগের রাস্তা খোলা রয়েছে। আমরাও চাই, মানুষের কোনও অভিযোগ থাকলে তা লিখিতভাবে জানাক। তাহলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের পুনরায় যাচাই করার সুযোগ থাকবে।



