সংবাদদাতা, ডোমকল: কখনও আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন। কখনও আবার পরিচিতের বাড়িতে দিয়েছিলেন গা ঢাকা। পুলিসি গ্রেপ্তারি এড়াতে এতদিন এভাবেই লুকিয়ে বেড়াচ্ছিল ডোমকলের বিস্ফোরণের ঘটনার মাস্টারমাইন্ড গোলাম মোস্তফা। এমনকী নেটওয়ার্কের সূত্র ধরেও যাতে তার নাগাল না পাওয়া যায়, তাই নিজের মোবাইল ফোনকেও রেখেছিলেন সুইচড অফ করে। কিন্তু এত চেষ্টাতেও হল না শেষরক্ষা। বিস্ফোরণের ঘটনার পঁচিশ দিনের মাথায় বর্ধমান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করল ডোমকল থানার পুলিস। রবিবার তাকে বহরমপুর আদালতে পাঠানো হলে দশদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
Advertisement
১৫ অক্টোবর ২০২৪। ডোমকলের বর্তনাবাদে একটি বাগানে বোমা বাঁধার সময় ঘটে আচমকা বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় জলঙ্গি থেকে ভাড়ায় আসা বোমা তৈরির এক কারিগরের। পরের দিন সকালবেলা পাশের এলাকার একটি নয়ানজুলি থেকে তার মৃতদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জলঙ্গির ফরিদপুরের জামিরুল শেখ ও ডোমকলের মেহেদিপাড়ার জাহাঙ্গির শেখ নামের দু’জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তারা দু’জনেই বোমা বাঁধার সময় সেখানে উপস্থিত ছিল। এরপরেই ওই দু’জনের মাধ্যমে বর্তনাবাদের ওই বাগান ও একটি বাড়ির খোঁজ পাওয়া যায়। ওই বাড়ির উঠোনের মধ্যে থেকে ৮৫টি তাজা বোমা উদ্ধার করে সেগুলিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
পুলিস সূত্রের খবর, বোমা বাঁধার কাজ থেকে শুরু করে ওই বোমার কারিগরের দেহ নয়ানজুলিতে ফেলে আসা, পুরো ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ছিল গোলাম। গোলামের সঙ্গে ওই এলাকার একটি পরিবারের জমি সংক্রান্ত বিবাদ চলছিল। ওই বিবাদের জন্যই বোমা মজুত করছিল সে। বোমা তৈরির কারিগরদের ভাড়ায় এনে বাঁধা হয়েছিল বোমা। পরবর্তীতে ওই বোমা মজুত করা হতো তার শাগরেদ আশরাফুল মণ্ডলের বাড়িতে। কিন্তু ১৫ অক্টোবরের রাতের ঘটনায় হয়ে যায় সবকিছু ওলোটপালোট। সূত্রের খবর, ওইদিন বিস্ফোরণে বোমা তৈরির কারিগর মারা যাওয়ার পর পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিতে গোলাম ও তার শাগরেদরা মিলে কাঁধে করে তার মৃতদেহ পাশের এলাকার একটি নয়ানজুলিতে ফেলে দিয়ে আসে। এরপরই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় সবাই। পরে বাকি দু’জন গ্রেপ্তার হলেও পুলিসের হাত ফস্কে বেরিয়ে যায় গোলাম। পুলিস যাতে তার নাগাল না পায়, তাই নিজের মোবাইলটিকেও সুইচড অফ করে রাখত সে। এরপরে কখনও ইসলামপুর, কখনও জলঙ্গি এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে থাকত আত্মগোপন করেই। পরে পুলিসি তৎপরতা বাড়তেই জেলা ছেড়ে আশ্রয় নেয় বর্ধমানের কেতুগ্রামের এক পরিচিতের বাড়িতে। সূত্র মারফৎ সেই খবর পায় ডোমকল থানার পুলিস। সোর্স ইনপুটের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে ডোমকল থেকে কেতুগ্রামে গিয়েও ফস্কে যায় গোলাম। এরপরে ফের সোর্স ইনপুটের ভিত্তিতে শনিবার রাতে বাড়িটিকে চিহ্নিত করে হানা দেয় পুলিস। তবে এবারে আর খালি হাতে ফিরে আসতে হয়নি তাঁদের। একবারে গোলামকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন তাঁরা। রবিবার তাকে আদালতে পাঠানো হলে দশদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বিচারক। আপাতত তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পুরো তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ডোমকল থানার পুলিস।
পুলিস সূত্রের খবর, বোমা বাঁধার কাজ থেকে শুরু করে ওই বোমার কারিগরের দেহ নয়ানজুলিতে ফেলে আসা, পুরো ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ছিল গোলাম। গোলামের সঙ্গে ওই এলাকার একটি পরিবারের জমি সংক্রান্ত বিবাদ চলছিল। ওই বিবাদের জন্যই বোমা মজুত করছিল সে। বোমা তৈরির কারিগরদের ভাড়ায় এনে বাঁধা হয়েছিল বোমা। পরবর্তীতে ওই বোমা মজুত করা হতো তার শাগরেদ আশরাফুল মণ্ডলের বাড়িতে। কিন্তু ১৫ অক্টোবরের রাতের ঘটনায় হয়ে যায় সবকিছু ওলোটপালোট। সূত্রের খবর, ওইদিন বিস্ফোরণে বোমা তৈরির কারিগর মারা যাওয়ার পর পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিতে গোলাম ও তার শাগরেদরা মিলে কাঁধে করে তার মৃতদেহ পাশের এলাকার একটি নয়ানজুলিতে ফেলে দিয়ে আসে। এরপরই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় সবাই। পরে বাকি দু’জন গ্রেপ্তার হলেও পুলিসের হাত ফস্কে বেরিয়ে যায় গোলাম। পুলিস যাতে তার নাগাল না পায়, তাই নিজের মোবাইলটিকেও সুইচড অফ করে রাখত সে। এরপরে কখনও ইসলামপুর, কখনও জলঙ্গি এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে থাকত আত্মগোপন করেই। পরে পুলিসি তৎপরতা বাড়তেই জেলা ছেড়ে আশ্রয় নেয় বর্ধমানের কেতুগ্রামের এক পরিচিতের বাড়িতে। সূত্র মারফৎ সেই খবর পায় ডোমকল থানার পুলিস। সোর্স ইনপুটের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে ডোমকল থেকে কেতুগ্রামে গিয়েও ফস্কে যায় গোলাম। এরপরে ফের সোর্স ইনপুটের ভিত্তিতে শনিবার রাতে বাড়িটিকে চিহ্নিত করে হানা দেয় পুলিস। তবে এবারে আর খালি হাতে ফিরে আসতে হয়নি তাঁদের। একবারে গোলামকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন তাঁরা। রবিবার তাকে আদালতে পাঠানো হলে দশদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বিচারক। আপাতত তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পুরো তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ডোমকল থানার পুলিস।



