সংবাদদাতা, ডোমকল: সাগরপাড়া, জলঙ্গি, ডোমকলে তিন মাসে পাঁচটি সোনার দোকানে লুট হয়েছে। দেখা যাচ্ছে সীমান্ত এলাকায় বার বার টার্গেট হচ্ছে সোনার দোকান। কোনও কোনও ক্ষেত্রে প্রমাণ লোপাটে দুষ্কৃতীরা খুলে নিয়ে গেছে সিসিটিভির হার্ডডিস্কও! সীমান্তবর্তী এলাকায় সোনার দোকানে বার বার লুটের ঘটনায় আতঙ্কে সিঁটিয়ে রয়েছে ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি পুলিস কোনও ঘটনার কিনারা না করতে পারায় ক্ষুব্ধ সোনার ব্যবসায়ীরা। উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, তদন্ত চলছে। এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তবে ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। আমাদের সময় দিন। নিশ্চয় গ্রেপ্তার হবে। তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে এখনই স্পষ্টভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। আর এতেই প্রশ্ন তুলছেন সোনার ব্যবসায়ীদের একাংশ। তাঁদের পাল্টা দাবি, পুলিস এক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি বলে দায় সারলেও বাকিগুলির ক্ষেত্রে অনেকটা সময় পার হয়েছে। কই সেক্ষেত্রেও তো পুলিস কিনারা করতে পারেনি! তাঁদের আরও দাবি, ২৪ ঘণ্টা কি কম সময় না কি!
প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে ডোমকলের রায়পুরে বাড়ি লাগোয়া একটি সোনার দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছিল। বাড়ির লোকেদের একপ্রকারে গৃহবন্দি করে অভিযান চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। প্রায় কুড়ি লক্ষাধিক টাকার চুরি হয়েছে। গত সপ্তাহের বুধবার রাতে জলঙ্গির পাকুড়দিয়াড়ে দুই সিভিক ভলান্টিয়ারকে পিছমোড়া করে বেঁধে একটি সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। প্রায় দশ ভরি সোনা ও নগদ কিছু টাকা লুট করে চম্পট দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তবে শুধু টাকা পয়সা কিংবা সোনা নয়, দুষ্কৃতীরা দোকান ছাড়ার আগে দোকানে থাকা সিসিটিভির হার্ডডিস্কটিও বগলদাবা করে নিয়ে গিয়েছিল। আশপাশের সিসিটিভিও প্লাস্টিকে মুড়ে দিয়েছিল। তার মাস দুয়েক আগে ডিসেম্বরে সাগরপাড়ার নরসিংহপুরে পর পর দু’টি সোনার দোকানে প্রায় ২৮ লক্ষ টাকার চুরি হয়েছিল। সেক্ষেত্রেও শাটার ভেঙে লুটপাট চালানোর পর সিসিটিভির হার্ডডিস্ক নিয়ে চম্পট দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তার সপ্তাহ কয়েক আগেও ডোমকলের ভগীরথপুরে একটি সোনার দোকানে চুরি হয়েছিল।
এদিকে মাস কয়েকের ব্যবধানে এভাবে চুরির ঘটনায় উঠছে একাধিক প্রশ্ন? প্রশ্ন উঠছে কেন বার বার সোনার দোকানকেই টার্গেট করছে দুষ্কৃতীরা? নেপথ্যে কি কাজ করছে পেশাদার কোনও গ্যাং? উঠছে পুলিস-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন।
পুলিসের পাল্টা দাবি, প্রতিক্ষেত্রেই চুরির ধরন, স্টাইল আলাদা। কাজেই কোনও নির্দিষ্ট গ্যাং-এর জড়িয়ে থাকার বিষয়টি স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি তদন্ত চলছে । তদন্তেই বাকি বিষয়গুলি স্পষ্ট হবে।
সোনার ব্যবসায়ী সৈকত সরকার বলেন, চারিদিকে যেভাবে সোনার দোকানে চুরি-ডাকাতি হচ্ছে তাতে ভীষণ ভয় করছে আমাদের। সবসময় একটা আতঙ্কের মধ্যে থাকি।পুলিস প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে।
মুর্শিদাবাদ ডিস্ট্রিক্ট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের যুগ্ম সম্পাদক স্বপন কুমার ভট্টাচার্য বলেন, একে সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায় মন্দা চলছে। তার ওপরে এভাবে ঘন ঘন চুরি, ডাকাতি হলে সেটা একদিকে যেমন সমস্যা, তেমনি আতঙ্কেরও ব্যাপার। প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এর পেছনে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে ডোমকলের রায়পুরে বাড়ি লাগোয়া একটি সোনার দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছিল। বাড়ির লোকেদের একপ্রকারে গৃহবন্দি করে অভিযান চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। প্রায় কুড়ি লক্ষাধিক টাকার চুরি হয়েছে। গত সপ্তাহের বুধবার রাতে জলঙ্গির পাকুড়দিয়াড়ে দুই সিভিক ভলান্টিয়ারকে পিছমোড়া করে বেঁধে একটি সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। প্রায় দশ ভরি সোনা ও নগদ কিছু টাকা লুট করে চম্পট দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তবে শুধু টাকা পয়সা কিংবা সোনা নয়, দুষ্কৃতীরা দোকান ছাড়ার আগে দোকানে থাকা সিসিটিভির হার্ডডিস্কটিও বগলদাবা করে নিয়ে গিয়েছিল। আশপাশের সিসিটিভিও প্লাস্টিকে মুড়ে দিয়েছিল। তার মাস দুয়েক আগে ডিসেম্বরে সাগরপাড়ার নরসিংহপুরে পর পর দু’টি সোনার দোকানে প্রায় ২৮ লক্ষ টাকার চুরি হয়েছিল। সেক্ষেত্রেও শাটার ভেঙে লুটপাট চালানোর পর সিসিটিভির হার্ডডিস্ক নিয়ে চম্পট দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তার সপ্তাহ কয়েক আগেও ডোমকলের ভগীরথপুরে একটি সোনার দোকানে চুরি হয়েছিল।
এদিকে মাস কয়েকের ব্যবধানে এভাবে চুরির ঘটনায় উঠছে একাধিক প্রশ্ন? প্রশ্ন উঠছে কেন বার বার সোনার দোকানকেই টার্গেট করছে দুষ্কৃতীরা? নেপথ্যে কি কাজ করছে পেশাদার কোনও গ্যাং? উঠছে পুলিস-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন।
পুলিসের পাল্টা দাবি, প্রতিক্ষেত্রেই চুরির ধরন, স্টাইল আলাদা। কাজেই কোনও নির্দিষ্ট গ্যাং-এর জড়িয়ে থাকার বিষয়টি স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি তদন্ত চলছে । তদন্তেই বাকি বিষয়গুলি স্পষ্ট হবে।
সোনার ব্যবসায়ী সৈকত সরকার বলেন, চারিদিকে যেভাবে সোনার দোকানে চুরি-ডাকাতি হচ্ছে তাতে ভীষণ ভয় করছে আমাদের। সবসময় একটা আতঙ্কের মধ্যে থাকি।পুলিস প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে।
মুর্শিদাবাদ ডিস্ট্রিক্ট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের যুগ্ম সম্পাদক স্বপন কুমার ভট্টাচার্য বলেন, একে সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায় মন্দা চলছে। তার ওপরে এভাবে ঘন ঘন চুরি, ডাকাতি হলে সেটা একদিকে যেমন সমস্যা, তেমনি আতঙ্কেরও ব্যাপার। প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এর পেছনে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে।



