সংবাদদাতা, ডোমকল: ব্যবহার করেও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করতে গড়িমসি। মাত্র এক বছরেই ডোমকল মহকুমাজুড়ে বিদ্যুতের বিল বকেয়া হয়েছে ৬০ লক্ষ টাকারও বেশি। কয়েকটি সাবস্টেশন এলাকায় বকেয়া বিলের অঙ্ক ছাড়িয়েছে দশ লক্ষের গণ্ডিও। অধিকাংশ গ্রাহক সময়মতো বিল পরিশোধ করলেও অনেক গ্রাহকই তা করেন না। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও বিল পরিশোধ না করায় তাদের কারণেই বকেয়ার অঙ্ক এত চওড়া হয়েছে বলে খবর। এদিকে বকেয়া বিল আদায়ে কড়া ভূমিকা নিতে শুরু করেছে দপ্তরও। বিল পরিশোধ না করার দায়ে শুধুমাত্র ডোমকল মহকুমাতেই এক বছরে প্রায় ১০০ জনের নামে পুলিসে এফআইআর করেছে।
Advertisement
জেলা বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে খবর, নভেম্বর মাস পর্যন্ত গত এক বছরে ডোমকল মহকুমার বিভিন্ন সাবস্টেশন মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি টাকার বেশি বিদ্যুতের বিল বকেয়া ছিল। গত এক বছর ধরে লাগাতার প্রচার, অভিযান, পাশাপাশি পুলিসে অভিযোগ দায়ের হওয়ায় তার মধ্যে একটি বড় অংশের বকেয়া বিল জমা হয় বিদ্যুৎ দপ্তরের খাতায়। সূত্রের খবর, এই বছরের নভেম্বর পর্যন্ত বকেয়া বিলের সংখ্যা ১ কোটি টাকা থেকে কমে ৬০ লক্ষ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। তাঁদের দাবি, এভাবে চলতে থাকলে এবং মানুষ সচেতন হলে বকেয়া বিলের বাকি অংশও আদায় করা যাবে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত সব থেকে বিল বকেয়া রয়েছে জলঙ্গি সাবস্টেশন এলাকায়। ওই এলাকার গ্রাহকদের কাছে বকেয়া বিলের পরিমাণ, প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা।
বিদ্যুৎ দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, আগের চেয়ে মানুষ অনেক সচেতন হয়েছেন। অনেকেই এখন সঠিক সময়ে নিজেদের বিল পরিশোধ করেন। তবে এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন সাবস্টেশন এলাকায় প্রচুর বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। যাঁরা টাকা দেন না, তাঁদের আমরা নোটিস পাঠাই। আমরা প্রতিনিয়ত ফলোআপ করি। কোনও পদ্ধতি কাজে না লাগলে শেষ পর্যন্ত আমরা পুলিস প্রশাসনের দ্বারস্থ হই।
যদিও, ডোমকল মহাকুমাজুড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের ভীষণ বিরক্তি রয়েছে। তাঁদের বিদ্যুতের সমস্যা দীর্ঘদিনের। বিদ্যুৎহীন অবস্থা ছাড়াও রয়েছে লো ভোল্টেজের সমস্যা। শীতের দিকে সমস্যা খানিকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও প্রতিবছর গ্রীষ্মকাল হলেই সমস্যা ভয়ানক আকার ধারণ করে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়ায় যে, মাঝেমধ্যেই দপ্তরের ওপরে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। তাই এলাকার বহু উপভোক্তা ক্ষোভে বিদ্যুতের বিল মেটাতে চাইছেন না। পরিষেবা ভালো হলে বিদ্যুতের বিল মেটানো হবে বলে তাঁদের কেউ কেউ দাবি করেছেন।
বিদ্যুৎ দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, আগের চেয়ে মানুষ অনেক সচেতন হয়েছেন। অনেকেই এখন সঠিক সময়ে নিজেদের বিল পরিশোধ করেন। তবে এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন সাবস্টেশন এলাকায় প্রচুর বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। যাঁরা টাকা দেন না, তাঁদের আমরা নোটিস পাঠাই। আমরা প্রতিনিয়ত ফলোআপ করি। কোনও পদ্ধতি কাজে না লাগলে শেষ পর্যন্ত আমরা পুলিস প্রশাসনের দ্বারস্থ হই।
যদিও, ডোমকল মহাকুমাজুড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের ভীষণ বিরক্তি রয়েছে। তাঁদের বিদ্যুতের সমস্যা দীর্ঘদিনের। বিদ্যুৎহীন অবস্থা ছাড়াও রয়েছে লো ভোল্টেজের সমস্যা। শীতের দিকে সমস্যা খানিকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও প্রতিবছর গ্রীষ্মকাল হলেই সমস্যা ভয়ানক আকার ধারণ করে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়ায় যে, মাঝেমধ্যেই দপ্তরের ওপরে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। তাই এলাকার বহু উপভোক্তা ক্ষোভে বিদ্যুতের বিল মেটাতে চাইছেন না। পরিষেবা ভালো হলে বিদ্যুতের বিল মেটানো হবে বলে তাঁদের কেউ কেউ দাবি করেছেন।



