চেন্নাই: হিন্দু ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের। ঘরে বাইরে সমালোচনার মুখে পড়ে ডিএমকের সহ সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরানো হল তামিলনাড়ুর মন্ত্রী কে পনমুদিকে। তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর দাবিও উঠেছে।
চেন্নাই: হিন্দু ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের। ঘরে বাইরে সমালোচনার মুখে পড়ে ডিএমকের সহ সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরানো হল তামিলনাড়ুর মন্ত্রী কে পনমুদিকে। তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর দাবিও উঠেছে।
যৌনকর্মীদের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই বেফাঁস মন্তব্য করেন বনমন্ত্রী পনমুদি। শৈব ও বৈষ্ণবদের ‘তিলক’ নিয়ে কুমন্তব্য করেন তিনি। সেই সংক্রান্ত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। দলের অন্দরেও সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। সাংসদ কানিমোঝি বলেন, ‘মন্ত্রী পনমুদির সাম্প্রতিকতম মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। যে প্রসঙ্গেই তিনি এধরনের কথা বলুন না কেন, তা নিন্দনীয়।’ এই আবহে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে বিজেপি। দলের বিদায়ী রাজ্য সভাপতি আন্নামালাই বলেছেন, ‘তামিলনাড়ুতে এটাই ডিএমকের রাজনৈতিক বক্তৃতার মানদণ্ড।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘পনমুদি একসময় রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। এখন বনমন্ত্রী। রাজ্যের যুব সমাজ কি এধরনের কুমন্তব্য সহ্য করবে? গোটা দলই এমন অশ্লীল।’
শুক্রবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করে পনমুদিকে দলীয় পদ থেকে সরানোর কথা জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন রাজ্যসভার সাংসদ তিরুচি শিবা। যদিও কী কারণে দলের এই সিদ্ধান্ত, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এ প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেননি পনমুদি। শুক্রবার পর্যন্ত তিনি বহাল রয়েছেন মন্ত্রীর পদে। তাঁকে সেই পদ থেকে সরানোর দাবিও উঠেছে। এর আগেও হিন্দিভাষীদের প্রসঙ্গে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন পনমুদি।