নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: দীর্ঘ ডামাডোল শেষে দ্বিতীয় সেমেস্টারের ফলপ্রকাশ রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। মঙ্গলবার ডিগ্রি কোর্স, অনার্স, এনইপি(নিউ এডুকেশন পলিসি)তে পাঠরত ২৩টি বিভাগের দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ হল। এতে স্বস্তি ফিরল পড়ুয়াদের মধ্যে।
Advertisement
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,দ্বিতীয় সেমেস্টারে পাশের হার ৯৬ শতাংশের বেশি। পরীক্ষা দিয়েছিলেন ২ হাজার ১১ জন। তারমধ্যে পরবর্তী সেমেস্টারে উত্তীর্ণ হলেন ১ হাজার ৯২০ জন পরীক্ষার্থী।
গত বছর আগস্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয়, চতুর্থ ও ষষ্ঠ সেমেস্টারের পরীক্ষা শুরু হয়। একমাসব্যাপী চলা সেই পরীক্ষা শেষ হয় সেপ্টেম্বরে। তারপর নানা কারণে পরীক্ষার ফল প্রকাশে বিলম্ব হয়। এ নিয়ে নানা মহলে অসন্তোষ ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি কন্ট্রোলার শুভময় ভৌমিক এদিন জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে চতুর্থ ও ষষ্ঠ সেমেস্টারের ফল প্রকাশ হয়েছিল। এদিন ফল প্রকাশ হল দ্বিতীয় সেমেস্টারের। তাতে সার্বিক পাশের হার ৯৬.৩৪ শতাংশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সর্বমোট ২ হাজার ১১ জন পরীক্ষার্থী দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষায় বসেছিলেন। তারমধ্যে পরবর্তী সেমেস্টারে উত্তীর্ণ হলেন ১ হাজার ৯২০ জন পরীক্ষার্থী। ডিগ্রিকোর্স, অনার্স, এনইপি(নিউ এডুকেশন পলিসি)তে পাঠরত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩টি বিভাগের পড়ুয়া ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষক, শিক্ষক, অশিক্ষক সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সকলের পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতায় এই ফলপ্রকাশ সম্ভব হল। মার্চ মাসে শুরু হবে প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম সেমেস্টারের পরীক্ষা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, গত বছর মাঝামাঝি সময় থেকেই এক অশিক্ষক কর্মীর সাসপেনশন নিয়ে পুরোদস্তুর ডামাডোল শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে প্রায়দিন বিক্ষোভ, উপাচার্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে সরব হয়েছেন অশিক্ষক কর্মী ও শিক্ষকদের একাংশ। তার ফলে বিঘ্নিত হচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা প্রক্রিয়া। অভিযোগ ওঠে, অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক দুই ক্ষেত্রেই সমস্যা তৈরি হয়। এমন আবহে গত বছর দুর্গাপুজোর আগে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে পরীক্ষা শুরু হয় দ্বিতীয়, চতুর্থ ও ষষ্ঠ সেমেস্টারের। আবার কোনওমতে পরীক্ষা পর্ব মিটতেই ফের অচলাবস্থার সূচনা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে। যার কারণ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একরোখা মনোভাব। একজন অশিক্ষক কর্মীর সাসপেনশনকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ অশিক্ষক কর্মীরা ব্যাপক আন্দোলনে নামেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরেই চলতে থাকে উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। যোগ দেন শিক্ষকদের একাংশ। এর ফলে লাগাতার চাপান-উতোরে ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার কাজ। তারজন্যই ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে এই বিলম্ব।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি কন্ট্রোলারের দাবি, আগামীতে দ্রুত পরীক্ষা পর্ব মিটিয়ে ও তার ফল প্রকাশ করে যথাসময়ে কাজ শেষ করা হবে।
গত বছর আগস্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয়, চতুর্থ ও ষষ্ঠ সেমেস্টারের পরীক্ষা শুরু হয়। একমাসব্যাপী চলা সেই পরীক্ষা শেষ হয় সেপ্টেম্বরে। তারপর নানা কারণে পরীক্ষার ফল প্রকাশে বিলম্ব হয়। এ নিয়ে নানা মহলে অসন্তোষ ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি কন্ট্রোলার শুভময় ভৌমিক এদিন জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে চতুর্থ ও ষষ্ঠ সেমেস্টারের ফল প্রকাশ হয়েছিল। এদিন ফল প্রকাশ হল দ্বিতীয় সেমেস্টারের। তাতে সার্বিক পাশের হার ৯৬.৩৪ শতাংশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সর্বমোট ২ হাজার ১১ জন পরীক্ষার্থী দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষায় বসেছিলেন। তারমধ্যে পরবর্তী সেমেস্টারে উত্তীর্ণ হলেন ১ হাজার ৯২০ জন পরীক্ষার্থী। ডিগ্রিকোর্স, অনার্স, এনইপি(নিউ এডুকেশন পলিসি)তে পাঠরত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩টি বিভাগের পড়ুয়া ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষক, শিক্ষক, অশিক্ষক সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সকলের পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতায় এই ফলপ্রকাশ সম্ভব হল। মার্চ মাসে শুরু হবে প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম সেমেস্টারের পরীক্ষা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, গত বছর মাঝামাঝি সময় থেকেই এক অশিক্ষক কর্মীর সাসপেনশন নিয়ে পুরোদস্তুর ডামাডোল শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে প্রায়দিন বিক্ষোভ, উপাচার্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে সরব হয়েছেন অশিক্ষক কর্মী ও শিক্ষকদের একাংশ। তার ফলে বিঘ্নিত হচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা প্রক্রিয়া। অভিযোগ ওঠে, অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক দুই ক্ষেত্রেই সমস্যা তৈরি হয়। এমন আবহে গত বছর দুর্গাপুজোর আগে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে পরীক্ষা শুরু হয় দ্বিতীয়, চতুর্থ ও ষষ্ঠ সেমেস্টারের। আবার কোনওমতে পরীক্ষা পর্ব মিটতেই ফের অচলাবস্থার সূচনা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে। যার কারণ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একরোখা মনোভাব। একজন অশিক্ষক কর্মীর সাসপেনশনকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ অশিক্ষক কর্মীরা ব্যাপক আন্দোলনে নামেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরেই চলতে থাকে উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। যোগ দেন শিক্ষকদের একাংশ। এর ফলে লাগাতার চাপান-উতোরে ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার কাজ। তারজন্যই ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে এই বিলম্ব।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি কন্ট্রোলারের দাবি, আগামীতে দ্রুত পরীক্ষা পর্ব মিটিয়ে ও তার ফল প্রকাশ করে যথাসময়ে কাজ শেষ করা হবে।



