সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: তৃণমূল দলের সঙ্গে যুক্ত না থেকেও বিলাসবহুল গাড়িতে ‘তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সহ-সভাপতি’ বোর্ড লাগিয়ে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, এই দামি গাড়িটি রেজিস্ট্রি হয়েছে রনজয় ভট্টাচার্যের নামে। যদিও কীভাবে তাঁর গাড়িতে তৃণমূলের এই বোর্ড রয়েছে সেই বিষয়টি তাঁরও অজানা বলে দাবি গাড়ির মালিকের। অন্যদিকে বীরভূম জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সহ-সভাপতি প্রীতম দাস রনজয় ভট্টাচার্য নামে কাউকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বোলপুরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিষয়টিকে নিয়ে শাসকদলকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। তৃণমূলের এক ছাত্রনেতাকে বিভিন্ন সময়ে ওই গাড়িতে চেপে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে। তাঁর মদতেই এমন কাণ্ড বলে অভিযোগ বিজেপির।
Advertisement
বোলপুর শহরজুড়ে কিছুদিন ধরেই একটি দামি বিলাসবহুল গাড়ি ঘুরতে দেখা যাচ্ছে। যার সামনে বড় বড় করে ইংরেজিতে লেখা ‘তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট’। গাড়ির মালিকের খোঁজ নিয়ে জানতে পারা যায়, তাঁর নাম রনজয় ভট্টাচার্য। তাঁর গাড়িতে তৃণমূল ছাত্রনেতার বোর্ড কীভাবে এল তা জানেন না তিনি নিজেও, এমনটাই দাবি তাঁর। পাশাপাশি তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন, এমনকী রাজনীতি থেকে দূরে থাকেন বলেও দাবি রনজয়বাবুর। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে শান্তিনিকেতনের রাস্তায় এক মহিলা গাড়ি চালানো শিখতে গিয়ে এক ব্যক্তিকে ধাক্কা মারেন। যার ফলে ওই ব্যক্তির পা ভেঙে যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তৃণমূলের এক ছাত্রনেতা ঘটনাস্থলে যান। অভিযোগ, ওই ছাত্রনেতা দুর্ঘটনায় জখম ব্যক্তিকে হুমকি দেন। স্থানীয়দের থেকে জানা গিয়েছে, সেই সময় দুর্ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী স্থানে ওই বিলাসবহুল গাড়িটি দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই শাসকদলকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। তৃণমূল করলেই নিয়ম ভাঙার লাইসেন্স পাওয়া যায় বলে কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের।
রনজয় ভট্টাচার্য বলেন, যে গাড়িটির কথা বলা হচ্ছে তা আমার। কিন্তু তার মধ্যে কী করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বোর্ড দেখা গিয়েছে তা জানি না। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বোর্ড বসিয়েছে কিনা তাও জানি না। কম্পিউটার গ্রাফিক্সের মাধ্যমেও এই কাজ করা হতে পারে। আমি অবশ্যই বিষয়টি নিয়ে পুলিসের দ্বারস্থ হব।
বীরভূমের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সহ সভাপতি প্রীতম দাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এই জেলার জন্য যে তালিকা করেছিলেন তাতে আমি ও আর একজন রয়েছে। কিন্তু যে ব্যক্তির গাড়িতে এই বোর্ড দেখা গিয়েছে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁকে চিনিও না। যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে তা দলকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা। আমরা অবশ্যই বিষয়টি উচ্চ নেতৃত্বের কাছে জানাব। বোলপুরের বিজেপি নেতা কাঞ্চন ঘোষ বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই গাড়িটি বোলপুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে দেখছি। গাড়ির মধ্যে এক ছাত্রনেতাকেও দেখেছি। তৃণমূল মানেই যা খুশি করার লাইসেন্স। রাজ্যজুড়ে এইভাবে বোর্ড লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে অনেকেই। এটা এক ধরনের সন্ত্রাস সৃষ্টির কৌশল।
রনজয় ভট্টাচার্য বলেন, যে গাড়িটির কথা বলা হচ্ছে তা আমার। কিন্তু তার মধ্যে কী করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বোর্ড দেখা গিয়েছে তা জানি না। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বোর্ড বসিয়েছে কিনা তাও জানি না। কম্পিউটার গ্রাফিক্সের মাধ্যমেও এই কাজ করা হতে পারে। আমি অবশ্যই বিষয়টি নিয়ে পুলিসের দ্বারস্থ হব।
বীরভূমের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সহ সভাপতি প্রীতম দাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এই জেলার জন্য যে তালিকা করেছিলেন তাতে আমি ও আর একজন রয়েছে। কিন্তু যে ব্যক্তির গাড়িতে এই বোর্ড দেখা গিয়েছে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁকে চিনিও না। যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে তা দলকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা। আমরা অবশ্যই বিষয়টি উচ্চ নেতৃত্বের কাছে জানাব। বোলপুরের বিজেপি নেতা কাঞ্চন ঘোষ বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই গাড়িটি বোলপুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে দেখছি। গাড়ির মধ্যে এক ছাত্রনেতাকেও দেখেছি। তৃণমূল মানেই যা খুশি করার লাইসেন্স। রাজ্যজুড়ে এইভাবে বোর্ড লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে অনেকেই। এটা এক ধরনের সন্ত্রাস সৃষ্টির কৌশল।



