নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: শ্মশান তৈরি করার জন্য পায়রাডাঙা পঞ্চায়েত যে জমি কিনেছিল তা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল আগেই। বিডিওর তরফে শোকজও করা হয়েছিল পঞ্চায়েতকে। এবার জেলাশাসকের নির্দেশে গঠিত হল তদন্ত কমিটি। রানাঘাটের এক ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টরের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ওই তদন্ত কমিটিকে ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। পঞ্চায়েত আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শ্মশান তৈরির জন্য নিজস্ব তহবিলের টাকা খরচ করে রানাঘাট ১ ব্লকের পায়রাডাঙা পঞ্চায়েত জমি কিনেছিল বলে অভিযোগ ওঠে। মোটামুটি ৭০ শতকের কাছাকাছি জমি প্রায় ৩৭ লক্ষ টাকায় কেনে পঞ্চায়েত। তাও আবার সেই জমির মালিক পঞ্চায়েতের শিল্প সঞ্চালক তথা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য কংগ্রেসের বিজয়েন্দু বিশ্বাস। পঞ্চায়েতের বাকি সদস্যদের অভিযোগ ছিল, বাজার মূল্যের চেয়ে সাতগুণ বেশি দামে ওই জমি কেনা হয়েছে। শুধু তাই নয়, জমি রেজিস্ট্রি অনেক পরে হলেও আগেই পুরো টাকা পঞ্চায়েতের অ্যাকাউন্ট থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল জমির মালিক তথা শিল্প সঞ্চালক বিজয়েন্দু বিশ্বাসের অ্যাকাউন্টে। দুজন সিপিএমের সদস্য, শিল্প সঞ্চালক বিজয়েন্দুকে সঙ্গে নিয়ে এই জমি কেনাবেচার রেজোলিউশনে সই করে তৃণমূলের প্রধান। বাকি পঞ্চায়েত সদস্যদের অন্ধকারে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।। এনিয়ে পঞ্চায়েতের অন্যান্য সদস্যরা জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছিল। পরবর্তীতে ব্লক প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখে একটি রিপোর্ট জমা দেয় জেলার কাছে। এরপরেই জেলা স্তর থেকে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দেওয়া হয় জমি কেনাবেচার বিষয়টি তদন্ত করার জন্য। স্বাভাবিকভাবেই, প্রশাসনের একটি সূত্রের দাবি, বেনিয়ম রয়েছে বলেই তদন্তের নির্দেশ।



