Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সেন্ট্রাল ডুয়ার্স চা বাগানে ডিএম, এসপি, শুনলেন সমস্যার কথা

স্বাধীনতার পর এই প্রথম কালচিনির সেন্ট্রাল ডুয়ার্স চা বাগানে পা পড়ল জেলাশাসক ও পুলিস সুপারের। রবিবার ভারত-ভুটান আন্তর্জাতিক সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে মাত্র ৫০০ মিটার আগে ওই চা বাগানে ‘খেলব মাইয়া’ কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলাশাসক আর বিমলা ও পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী।

সেন্ট্রাল ডুয়ার্স চা বাগানে ডিএম, এসপি, শুনলেন সমস্যার কথা
  • ২৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: স্বাধীনতার পর এই প্রথম কালচিনির সেন্ট্রাল ডুয়ার্স চা বাগানে পা পড়ল জেলাশাসক ও পুলিস সুপারের। রবিবার ভারত-ভুটান আন্তর্জাতিক সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে মাত্র ৫০০ মিটার আগে ওই চা বাগানে ‘খেলব মাইয়া’ কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলাশাসক আর বিমলা ও পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী। ছিলেন পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের জেলা আধিকারিকরাও। 

Advertisement

এদিন জেলাশাসক ও পুলিস সুপারকে কাছে পেয়ে সেন্ট্রাল ডুয়ার্স চা বাগানের শ্রমিকরা তাঁদের নানান সমস্যার কথা তুলে ধরেন। শ্রমিকরা সরাসরি জেলাশাসককে তাঁদের পরিস্রুত পানীয় জল ও অত্যধিক বিদ্যুৎ বিলের সমস্যার কথা জানায়। শ্রমিকদের সঙ্গে ওই বাগানের কর্মচারীরাও সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় পানা নদীর ভয়ঙ্কর ভাঙ্গনের কথাও জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সামনে তুলে ধরেন। জেলাশাসক শ্রমিকদের সমস্যাগুলি সমাধানের আশ্বাসও দেন। 
পরে স্থানীয় পঞ্চবীর হাইস্কুলের মাঠে ডিএম ও এসপি ‘খেলব মাইয়া’ কর্মসূচিতে অংশ নেন। সেখানে স্থানীয় বিভিন্ন খেলাধুলোকে যুক্ত করা হয়। প্রায় ৪০০ জন শিশু ও মহিলা শ্রমিকের সঙ্গে জেলাশাসক ও পুলিস সুপার নিজেও সেই খেলাতে অংশগ্রহণ করেন। খেলা শেষে শিশু-মহিলা শ্রমিকদের পুরস্কারও দেওয়া হয়। 
জেলা সদর থেকে প্রায় ৬০ কিমি দূরে সেন্ট্রাল ডুয়ার্স বাগানটি। শুখা মরশুমে রাঙামাটিতে পানা নদীতে জল থাকে না। কিন্তু বর্ষা এলে এই নদীই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে। পানার ভাঙনে গত বছর সেন্ট্রাল ডুয়ার্স টানা কয়েক মাস ব্লক সদর কালচিনি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল। 
স্থানীয় চুয়াপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শুভান্তি চিকবরাইক বলেন, দেশের স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের জন্য সেন্ট্রাল ডুয়ার্স চা বাগানে কোনও জেলাশাসক ও পুলিস সুপার এলেন। আমরা এজন্য খুশি। সামনে পেয়ে এখানকার নানান সমস্যার কথা সরাসরি জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের জানিয়েছি। জেলাশাসক ও পুলিস সুপারের সঙ্গে বাগানের শ্রমিকরা এদিন ছবিও তুলেছেন। পরে ডিএম বলেন, পিএইচই’কে সেন্ট্রাল ডুয়ার্স চা বাগানের শ্রমিকদের পানীয় জলের সমস্যাটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন শ্রমিকদের অত্যধিক বিদ্যুৎ বিল আসছে তা নিয়ে বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। এবছর এখনও পর্যন্ত জেলার চা বাগানগুলিতে আটটি ‘খেলব মাইয়া’ কর্মসূচি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমরা সরাসরি শ্রমিকদের মুখ থেকে তাঁদের সমস্যার কথা শুনছি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ