সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: দীর্ঘদিন উপেক্ষিত জেলার দৌলতপুর হল্টকে স্টেশনে রূপান্তরিত করার দাবিতে রেলমন্ত্রীর কাছে দরবার করলেন সুকান্ত মজুমদার। ২০০৪ সালে রেল মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা। রেল পরিষেবা চালু হওয়ার ২০ বছর হতে চললেও দৌলতপুর হল্ট স্টেশন সেই তিমিরেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি মেনে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ নিজের কেন্দ্রের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে রেলমন্ত্রীর কাছে দরবার করেন। দৌলতপুর হল্টকে আধুনিক স্টেশনের মর্যাদা দেওয়া থেকে শুরু করে, তেভাগা ও হাওড়া-বালুরঘাট এক্সপ্রেসের স্টপেজের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
Advertisement
গত লোকসভা নির্বাচনের আগে দৌলতপুরের বাসিন্দারা সাংসদের কাছে দৌলতপুর স্টেশনকে আধুনিক করার জন্য দরবার করেছিলেন। ভৌগলিক দিক থেকে হরিরামপুর ও বংশীহারি ব্লকের বাসিন্দারা দৌলতপুর হল্টের উপর নির্ভর করেন। কিন্তু সেখানে সব ট্রেনের স্টপেজ নেই। ট্রেন থেকে প্লাটফর্ম অনেক নিচুতে হওয়ায় সমস্যা হয়। এছাড়া একাধিক কারণের জন্য তাঁরা বুনিয়াদপুর শহরে গিয়ে ট্রেন ধরতে বাধ্য হন। আঁধার থাকায় সন্ধ্যা লাগলেই হল্টে নামতে ভয় পান যাত্রীরা।
দৌলতপুরের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ গুপ্ত বলেন, আমরা উপেক্ষিত। দৌলতপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য কেউ ভাবেন না। স্থানীয়রা লোকসভার আগে সুকান্তবাবুর কাছে রেল যোগাযোগ উন্নয়নের জন্য দরবার করেছিলেন। আমাদের দুরবস্থার কথা ভেবে রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন সাংসদ। সুকান্ত বলেন, জেলার একাধিক রেল পরিষেবার বিষয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, দৌলতপুরে আধুনিকমানের স্টেশন ও দূরপাল্লা ট্রেনের স্টপেজের ব্যবস্থা করে দেবেন। প্রথমে প্লাটফর্ম উঁচু করার কাজ শুরু হবে।
দৌলতপুরের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ গুপ্ত বলেন, আমরা উপেক্ষিত। দৌলতপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য কেউ ভাবেন না। স্থানীয়রা লোকসভার আগে সুকান্তবাবুর কাছে রেল যোগাযোগ উন্নয়নের জন্য দরবার করেছিলেন। আমাদের দুরবস্থার কথা ভেবে রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন সাংসদ। সুকান্ত বলেন, জেলার একাধিক রেল পরিষেবার বিষয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, দৌলতপুরে আধুনিকমানের স্টেশন ও দূরপাল্লা ট্রেনের স্টপেজের ব্যবস্থা করে দেবেন। প্রথমে প্লাটফর্ম উঁচু করার কাজ শুরু হবে।



