Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দৌলতাবাদে বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

দৌলতাবাদে বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ
  • ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, বহরমপুর: বিয়ের পর অতিরিক্ত পণের দাবিতে শুরু হয় নির্যাতন। তা সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় বিয়ের তিন মাসের মধ্যেই বাপের বাড়িতে ফিরে আসেন বধূ। আট মাস অপেক্ষা করেও স্বামী ফিরিয়ে নিয়ে যাননি। থানায় বিচার চেয়েও জটিলতা কাটেনি। শুক্রবার সকালে ওই বধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন। মৃতার নাম মীরা আনসারি(২২)। বাড়ি দৌলতাবাদের ফাঁসিতলায়। বাপের বাড়ির লোকজন বধূর স্বামী ও শাশুড়ির নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিস জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। মৃতার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ভালোবাসার সম্পর্ক মেনে নিয়ে ১১ মাস আগে দৌলতাবাদ থানার হাজিডাঙার এক যুবকের সঙ্গে সামাজিক রীতি মেনেই মীরার বিয়ে হয়। কিন্তু, বিয়ের পর থেকেই অতিরিক্ত পণের দাবিতে শ্বশুরবাড়ির লোকজন শারীরিক নির্যাতন শুরু করে। আট মাস আগে মীরা বাপের বাড়ি ফিরে আসে। তারপর মীরার পরিবার সালিশি সভা ডেকে মীমাংসার চেষ্টা করে। কিন্তু, মীরার শ্বশুরবাড়ির লোকজন রাজি হয়নি। তারপরই মাস খানেক আগে মীরার বাপেরবাড়ির লোকজন থানার দ্বারস্থ হন। তাতেও সমস্যার সমাধান হয়নি। 
Advertisement
মৃতার ভাই বুলবুল আনসারি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে দিদি জামাইবাবুর সঙ্গে বারবার ফোনে কথা বলার চেষ্টা করে। ফোন না ধরায় মানসিক অবসাদ থেকেই দিদি আত্মঘাতী হয়েছে। শুক্রবার সকালে দিদিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক দিদিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বুলবুলের দাবি, জামাইবাবুর অন্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তারজন্য দিদিকে নিতে চায়নি। আমরা ওদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছি। 
সম্পর্কিত সংবাদ