সংবাদদাতা, কাটোয়া: বোরো চাষের বিকল্প হিসেবে ডালশস্য, সর্ষেচাষে আগ্রহ বাড়ছে পূর্বস্থলী, কাটোয়ার চাষিদের। এতে জল যেমন কম লাগছে তেমনই আয় বাড়ছে চাষিদের। পূর্বস্থলী-২ ব্লকের চাষিদের সর্ষেচাষের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষিদপ্তর। কেতুগ্রামে পয়রা ক্রপিং এর মাধ্যমে সর্ষেচাষের দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা।
Advertisement
পূর্ব বর্ধমান জেলার বেশকিছু ব্লকের ভূ-গর্ভস্থ জলস্তর সেমি ক্রিটিক্যাল হিসেবে চিহ্নিত। তাই বোরো চাষের বদলে বিকল্প হিসেবে ডালশস্য চাষ করছেন পূর্বস্থলী-২ ব্লকের চাষিরা। মুকশিমপাড়া, হালদিপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকাজুড়ে অনেকেই মাসকলাই চাষ করছেন। অগ্রহায়ণ মাসে অল্প খরচে বীজ পুঁতেছিলেন। এলাকার চাষি রাহুল দাস, সাগর দাস বলেন, আমাদের চাষ করতে বিঘাপ্রতি প্রায় ৩-৪হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। বাজারে মাসকলাইয়ের ভালো চাহিদা রয়েছে। এতে কিছু টাকা রোজগার হবে। পূর্বস্থলী-২ ব্লকের সহ কৃষি অধিকর্তা জীবন নাথ বলেন, বিকল্প হিসেবে আমরা সর্ষে চাষের জন্য চাষিদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। এতে জল কম লাগবে। পাশাপাশি আয় বাড়বে।
কেতুগ্রাম-১ ব্লকের পালিটা অঞ্চলজুড়ে পায়রা ক্রপিংয়ের মাধ্যমে সর্ষেচাষ শুরু হয়েছে। আমন ধান তোলার আগেই সরষের বীজ জমিতে ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যাতে পায়রা বীজ না খেতে পারে। এতে চাষের খরচ কম, লাভ বেশি। বাজারে সর্ষেতেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। তাই পূর্বস্থলী ও কাটোয়াজুড়ে সর্ষে চাষ বেড়েছে।
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়া মহকুমার পাঁচ ব্লকেই সর্ষেচাষের দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা। প্রায় ১১হাজার হেক্টর জমিতে সর্ষে চাষ হয়। পূর্বস্থলী-২ ব্লকে প্রায় এক হাজার হেক্টর জমিতে সর্ষেচাষ হয়। মঙ্গলকোটের চাষি বসিরউদ্দিন শেখ, মজনু শেখ বলেন, বাজারে ভালো তেলের দাম ২০০টাকা কেজি। তাই এখন সর্ষেচাষ না করে উপায় নেই। অন্তত ঘানিতে সর্ষে পিষে বাড়িতে খেতে তো পারব। তাছাড়া বোরো চাষে পর্যাপ্ত জল পাওয়া যায় না। তাই বিকল্প লাভজনক চাষ হিসেবে সর্ষেই বুনেছি। পালিটা গ্রামের চাষি উদয়ন ঘোষ, দেবশিস ঘোষ বলেন, আমরা পায়রা ক্রপিং পদ্ধতির মাধ্যমে সর্ষে ছাড়াও মসুর, মটর, খেসারি জাতীয় ডালশস্য চাষ করেছি।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রথামাফিক চাষের বাইরে এসে বিকল্প চাষের প্রতি কৃষকদের জোর দিতে কৃষিদপ্তরের পক্ষ থেকে বারবার প্রচার করা হয়। বর্তমানে সর্ষে চাষের প্রবণতাও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি আধিকারিকরা। আমাদের রাজ্যে পর্যাপ্ত সর্ষে না হওয়ায় ভিনরাজ্য থেকে আনতে হয়। এবার রাজ্যে সর্ষেচাষে কৃষকরা আরও আগ্রহ দেখালে তখন তেলের আমদানি কম করতে হবে। সেক্ষেত্রে সর্ষেতেলের দামও কমার আশা দেখা দেবে।
কেতুগ্রাম-১ ব্লকের পালিটা অঞ্চলজুড়ে পায়রা ক্রপিংয়ের মাধ্যমে সর্ষেচাষ শুরু হয়েছে। আমন ধান তোলার আগেই সরষের বীজ জমিতে ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যাতে পায়রা বীজ না খেতে পারে। এতে চাষের খরচ কম, লাভ বেশি। বাজারে সর্ষেতেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। তাই পূর্বস্থলী ও কাটোয়াজুড়ে সর্ষে চাষ বেড়েছে।
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়া মহকুমার পাঁচ ব্লকেই সর্ষেচাষের দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা। প্রায় ১১হাজার হেক্টর জমিতে সর্ষে চাষ হয়। পূর্বস্থলী-২ ব্লকে প্রায় এক হাজার হেক্টর জমিতে সর্ষেচাষ হয়। মঙ্গলকোটের চাষি বসিরউদ্দিন শেখ, মজনু শেখ বলেন, বাজারে ভালো তেলের দাম ২০০টাকা কেজি। তাই এখন সর্ষেচাষ না করে উপায় নেই। অন্তত ঘানিতে সর্ষে পিষে বাড়িতে খেতে তো পারব। তাছাড়া বোরো চাষে পর্যাপ্ত জল পাওয়া যায় না। তাই বিকল্প লাভজনক চাষ হিসেবে সর্ষেই বুনেছি। পালিটা গ্রামের চাষি উদয়ন ঘোষ, দেবশিস ঘোষ বলেন, আমরা পায়রা ক্রপিং পদ্ধতির মাধ্যমে সর্ষে ছাড়াও মসুর, মটর, খেসারি জাতীয় ডালশস্য চাষ করেছি।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রথামাফিক চাষের বাইরে এসে বিকল্প চাষের প্রতি কৃষকদের জোর দিতে কৃষিদপ্তরের পক্ষ থেকে বারবার প্রচার করা হয়। বর্তমানে সর্ষে চাষের প্রবণতাও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি আধিকারিকরা। আমাদের রাজ্যে পর্যাপ্ত সর্ষে না হওয়ায় ভিনরাজ্য থেকে আনতে হয়। এবার রাজ্যে সর্ষেচাষে কৃষকরা আরও আগ্রহ দেখালে তখন তেলের আমদানি কম করতে হবে। সেক্ষেত্রে সর্ষেতেলের দামও কমার আশা দেখা দেবে।



