নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর: সমবায় সমিতির নির্বাচনে জিতেও বোর্ড দখল করতে পারল না তৃণমূল। দলের সদস্যের ‘গদ্দারি’-তেই বোর্ড হাতছাড়া হল। ঘটনাটি ঘটেছে কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের জাভা কৃষ্ণগোপাল স্মৃতি এসকেইউএস সমবায় সমিতিতে। মঙ্গলবার সেই সমবায় সমিতির বোর্ড গঠন হয়। তৃণমূল, সিপিএম এবং বিজেপির সদস্যরা সম্মিলিতভাবে বোর্ড গঠন করে।
Advertisement
কয়েক সপ্তাহ আগেই ওই সমবায় সমিতিতে নির্বাচন হয়েছিল। সেখানে তৃণমূলের চার প্রার্থী জয়ী হয়। বিজেপির তিনজন এবং সিপিএমের দুই প্রার্থী জয়ী হয়। মঙ্গলবারের বোর্ড গঠনের দিন তৃণমূলের দুজন প্রার্থী রাম-বাম জোটকে সমর্থন করে। শেষ পর্যন্ত ওই সমবায় সমিতিতে তিনজন বিজেপি সদস্য, একজন সিপিএম সদস্য এবং দুজন তৃণমূল সদস্য নিয়ে বোর্ড গঠন হয়। যার ফলে নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও সমিতি হাতছাড়া হল তৃণমূলের।
এদিন বিজেপি পরিচালিত ভাণ্ডারখোলা পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেত্রী তৃণমূল অপর্ণা বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের দুজন সদস্য দলের সঙ্গে বেইমানি করেছে। তাঁরা বিরোধী শিবিরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বোর্ড গঠন করেছে। তৃণমূলকে বোর্ড গঠন করতে দেয়নি। সমবায় সমিতিতে অনেক দুর্নীতি রয়েছে। দলের সঙ্গে বেইমানি করা একজন সদস্যের ছেলে ব্যাঙ্কের ম্যানেজার।’
পঞ্চায়েত প্রধান পুতুল বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা কাউকেই জোর করিনি। বিরোধী শিবিরের সদস্যরা আমাদের সমর্থন করেছে।’ কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের উত্তর বিধানসভার তৃণমূলের সভাপতি দেবব্রত ঘোষ বলেন, ‘যিনি দলের সঙ্গে গদ্দারি করেছেন, তিনি আমাদের দলের এক বুথ সভাপতির মা। বুথ সভাপতিকে অবিলম্বে দল থেকে সাসপেন্ড করা হবে।’
এদিন বিজেপি পরিচালিত ভাণ্ডারখোলা পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেত্রী তৃণমূল অপর্ণা বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের দুজন সদস্য দলের সঙ্গে বেইমানি করেছে। তাঁরা বিরোধী শিবিরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বোর্ড গঠন করেছে। তৃণমূলকে বোর্ড গঠন করতে দেয়নি। সমবায় সমিতিতে অনেক দুর্নীতি রয়েছে। দলের সঙ্গে বেইমানি করা একজন সদস্যের ছেলে ব্যাঙ্কের ম্যানেজার।’
পঞ্চায়েত প্রধান পুতুল বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা কাউকেই জোর করিনি। বিরোধী শিবিরের সদস্যরা আমাদের সমর্থন করেছে।’ কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের উত্তর বিধানসভার তৃণমূলের সভাপতি দেবব্রত ঘোষ বলেন, ‘যিনি দলের সঙ্গে গদ্দারি করেছেন, তিনি আমাদের দলের এক বুথ সভাপতির মা। বুথ সভাপতিকে অবিলম্বে দল থেকে সাসপেন্ড করা হবে।’



