শ্রীকান্ত পড়্যা, তমলুক: কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নির্বাচনে ‘গোঁজ প্রার্থী’দের তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিলেও তাঁরা আমল দিচ্ছেন না। ভোটের তিন-চার দিন আগে এভাবে লিফলেট ছাপিয়ে লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানো অসম্ভব বলে গোঁজ প্রার্থীদের জবাব। এরফলে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইকে ১:১ করার প্রয়াস বাধা পেল বলে তৃণমূল কর্মীরা মনে করছেন। কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক নির্বাচনের দলের পক্ষ থেকে দায়িত্ব পেয়েছেন রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি। তিনি বলেন, ওই প্রার্থীদের কাছে দলের বার্তা পাঠানো হয়েছে। তারপরেও নির্দেশ না মানলে পার্টি নেতৃত্ব এনিয়ে ভাবনাচিন্তা করবে।
Advertisement
কো-অপারেটিভ নির্বাচনে কাঁথি-৩নম্বর আসনে মোট তিনজন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলার লড়াই করছেন। তাঁদের মধ্যে পুরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডের শেখ সাবুল, ৩নম্বর ওয়ার্ডের রীনা দাস এবং ৪নম্বর ওয়ার্ডের আলেম আলি খান আছেন। ওই তিন কাউন্সিলারের মধ্যে আলেম আলি খান প্রার্থী হিসেবে দলের স্বীকৃতি পেয়েছেন। বাকি দুই কাউন্সিলারের ব্যাঙ্কের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে দলের স্বীকৃতি নেই। সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ মতো তাঁদের লিফলেট ছড়িয়ে সরে দাঁড়ানোর কথা। কিন্তু, বাস্তবে তা হচ্ছে না।
রীনাদেবী বলেন, কো-অপারেটিভ নির্বাচনে দলের প্রতীকে ভোট হচ্ছে না। ভোটে কোনও প্রতীক থাকে না। রাজ্য নেতৃত্ব রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, দল নয়, জাতীয়তাবাদী মানসিকতা থেকেই এই প্যানেল তৈরি হয়েছে। আমরা জাতীয়তাবাদী ভাবধারা থেকে এই লড়াই করলে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। আমি তৃণমূল কংগ্রেস করি। সবসময় দলের নির্দেশ মেনে চলি। সেসব মাথায় রেখে এই লড়াইয়ে শামিল হয়েছি। পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সাবুল বলেন, প্রার্থী হওয়ার পর গোটা নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে প্রচার করেছি। প্রচারের শেষলগ্নে ভোটের তিন-চার দিন আগে প্রার্থীপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ এসেছে। এটা আরও আগে জানালে ভালো হতো। এখন প্রচার শেষ করে লিফলেট ছড়িয়ে ভোট ময়দান থেকে সরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। বিষয়টির সঙ্গে আত্মসম্মানও জড়িয়ে রয়েছে।
কন্টাই কো-অপারেটিভ নির্বাচন নিয়ে গোটা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় উত্তাপ বাড়ছে। মোট ১৪টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ৮০হাজার ৪৮০ভোটার অংশ নেবেন। মোট ১০৮টি আসনে ডেলিগেট নির্বাচিত হবেন। তাঁদের মধ্য থেকে ১৫জন ডিরেক্টর নির্বাচিত হয়ে ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন। শুধুমাত্র কাঁথিতেই সাতটি নির্বাচনী এলাকা রয়েছে। ওই সাতটি আসনের মধ্যে বেশ কয়েক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ঘরোয়া কোন্দলে গোঁজ প্রার্থীরা আছেন। জানা গিয়েছে, প্রায় ১১জন গোঁজ প্রার্থী আছেন। তাঁদের মধ্যে দলের কাউন্সিলার, প্রাক্তন শহর যুব সভাপতি, প্রাক্তন ডেলিগেট দলের পদাধিকারীরা আছেন। আসনের তুলনায় প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় সমাধানসূত্র বের করতে ১০ডিসেম্বর কোলাঘাটে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে মিটিং হয়। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের সকল বিধায়ক এবং জেলা নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নেতৃত্বের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে নিরাপত্তারক্ষীরা হলের ভিতরে পৌঁছে গিয়েছিলেন। ওই সভায় দলের পক্ষ থেকে ১০৮টি আসনে সমসংখ্যক প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। বাকিদের সরে দাঁড়ানোর জন্য বলা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু, গোঁজ প্রার্থীদের একজনও লিফলেট ছড়িয়ে লড়াই থেকে সরে দাঁড়াননি।
রীনাদেবী বলেন, কো-অপারেটিভ নির্বাচনে দলের প্রতীকে ভোট হচ্ছে না। ভোটে কোনও প্রতীক থাকে না। রাজ্য নেতৃত্ব রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, দল নয়, জাতীয়তাবাদী মানসিকতা থেকেই এই প্যানেল তৈরি হয়েছে। আমরা জাতীয়তাবাদী ভাবধারা থেকে এই লড়াই করলে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। আমি তৃণমূল কংগ্রেস করি। সবসময় দলের নির্দেশ মেনে চলি। সেসব মাথায় রেখে এই লড়াইয়ে শামিল হয়েছি। পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সাবুল বলেন, প্রার্থী হওয়ার পর গোটা নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে প্রচার করেছি। প্রচারের শেষলগ্নে ভোটের তিন-চার দিন আগে প্রার্থীপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ এসেছে। এটা আরও আগে জানালে ভালো হতো। এখন প্রচার শেষ করে লিফলেট ছড়িয়ে ভোট ময়দান থেকে সরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। বিষয়টির সঙ্গে আত্মসম্মানও জড়িয়ে রয়েছে।
কন্টাই কো-অপারেটিভ নির্বাচন নিয়ে গোটা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় উত্তাপ বাড়ছে। মোট ১৪টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ৮০হাজার ৪৮০ভোটার অংশ নেবেন। মোট ১০৮টি আসনে ডেলিগেট নির্বাচিত হবেন। তাঁদের মধ্য থেকে ১৫জন ডিরেক্টর নির্বাচিত হয়ে ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন। শুধুমাত্র কাঁথিতেই সাতটি নির্বাচনী এলাকা রয়েছে। ওই সাতটি আসনের মধ্যে বেশ কয়েক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ঘরোয়া কোন্দলে গোঁজ প্রার্থীরা আছেন। জানা গিয়েছে, প্রায় ১১জন গোঁজ প্রার্থী আছেন। তাঁদের মধ্যে দলের কাউন্সিলার, প্রাক্তন শহর যুব সভাপতি, প্রাক্তন ডেলিগেট দলের পদাধিকারীরা আছেন। আসনের তুলনায় প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় সমাধানসূত্র বের করতে ১০ডিসেম্বর কোলাঘাটে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে মিটিং হয়। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের সকল বিধায়ক এবং জেলা নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নেতৃত্বের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে নিরাপত্তারক্ষীরা হলের ভিতরে পৌঁছে গিয়েছিলেন। ওই সভায় দলের পক্ষ থেকে ১০৮টি আসনে সমসংখ্যক প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। বাকিদের সরে দাঁড়ানোর জন্য বলা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু, গোঁজ প্রার্থীদের একজনও লিফলেট ছড়িয়ে লড়াই থেকে সরে দাঁড়াননি।



