সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: আবাস যোজনায় বাড়ি পেতে এক তৃণমূল কর্মীকে টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে তৃণমূল কর্মীর হাতে খুন হন পেশায় রাজমিস্ত্রি কালু শেখ। সোমবার বিকেলে রঘুনাথগঞ্জের মুকুন্দপুরে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী মহম্মদ আখরুজ্জামান। কালুর স্ত্রী ইসমোতারা বিবিকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। নতুন বছরেই চাকরিতে নিয়োগের বন্দোবস্ত করার আশ্বাস দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি দোষী যাতে উপযুক্ত শান্তি পায় তার জন্য তিনি প্রশাসনকে বলবেন বলেও জানান। মন্ত্রীর প্রস্তাব ভেবে দেখবেন বলে জানিয়েছেন মৃতের স্ত্রী। মন্ত্রীর কাছে দোষীর উপযুক্ত শান্তির আর্জি জানান মৃতের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা।
Advertisement
মন্ত্রী আখরুজ্জামান বলেন, মৃত ব্যক্তি শুধু আমাদের দলেরই লোক নয়, ওরা আমাদের পরিবারের সদস্য। এই অবস্থায় পরিবারটি যাতে অসহায় হয়ে না পড়ে সেকথা ভেবে সরকারের পক্ষ থেকে একটি কর্মসংস্থানের কথা ভেবেছি। উনি রাজি থাকলে নতুন বছরে ১জানুয়ারি থেকেই তাঁকে কাজে নিয়োগের বন্দোবস্ত করা হবে। আমরা দলীয়ভাবেও ওই পরিবারের পাশে থাকব।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার নামে মাস ছয়েক আগে ইসমোতারার কাছ থেকে তিন হাজার টাকা নিয়েছিল ধৃত তৃণমূল কর্মী মিঠুন শেখ। কিন্তু আবাস যোজনার বাড়ির তালিকায় কালু শেখের নাম নেই। বাড়ি না পাওয়ায় কালুর স্ত্রী ইসমোতারা ওই তৃণমূল কর্মীর কাছে টাকা ফেরত চাইতে যান। অভিযোগ, ইসমোতারাকে অপমান করা হয়। মুকুন্দপুর মোড়ে তৃণমূল কর্মী মিঠুন শেখকে তা জানতে চাওয়ায় বচসা হয়। তখনই কালুকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে পরে তাঁকে বহরমপুর ও কলকাতা মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
মৃতের স্ত্রী ইসমোতারা বলেন, মন্ত্রী এসেছিলেন। আমাকে নতুন বছরে একটি চাকরি দেওয়ার কথা বলেছেন। আমি ছেলেমেয়ে, আত্মীয়-পরিজনদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। তবে আমি দোষীর কঠোর শাস্তি চাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার নামে মাস ছয়েক আগে ইসমোতারার কাছ থেকে তিন হাজার টাকা নিয়েছিল ধৃত তৃণমূল কর্মী মিঠুন শেখ। কিন্তু আবাস যোজনার বাড়ির তালিকায় কালু শেখের নাম নেই। বাড়ি না পাওয়ায় কালুর স্ত্রী ইসমোতারা ওই তৃণমূল কর্মীর কাছে টাকা ফেরত চাইতে যান। অভিযোগ, ইসমোতারাকে অপমান করা হয়। মুকুন্দপুর মোড়ে তৃণমূল কর্মী মিঠুন শেখকে তা জানতে চাওয়ায় বচসা হয়। তখনই কালুকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে পরে তাঁকে বহরমপুর ও কলকাতা মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
মৃতের স্ত্রী ইসমোতারা বলেন, মন্ত্রী এসেছিলেন। আমাকে নতুন বছরে একটি চাকরি দেওয়ার কথা বলেছেন। আমি ছেলেমেয়ে, আত্মীয়-পরিজনদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। তবে আমি দোষীর কঠোর শাস্তি চাই।



