নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বিজেপির সদস্যতা অভিযানের কর্মসূচিতে প্রকাশ্যে এল গোষ্ঠী কোন্দল। সদস্যতা অভিযানের মাঝেই বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষকে নানা সমস্যার কথা জানাল গেরুয়া বাহিনীর সদস্যরা। শুধু তাই নয়, দিলীপবাবুর সদস্যতা অভিযান দলের পক্ষে না বিপক্ষে? এনিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিমল দাস ওরফে টিঙ্কু। ছবিটা খড়গপুর-১ ব্লকের গোপালী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার। এনিয়ে বেশ অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতৃত্বের কথায়, দলীয় কর্মসূচিতে গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসছে। এতে দলের ক্ষতি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। নিচুতলায় তো বটেই, উচ্চ নেতৃত্বের মধ্যেও গোষ্ঠীবাজি চরমে উঠেছে। এভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করা যাবে না।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে খড়গপুর-১ ব্লকের গোপালী গ্রাম পঞ্চায়েত গিয়েছে বিজেপির দখলে। কোনওমতে জিতেই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের পদে বসেন বিমল দাস। তাঁর সঙ্গে বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় সহ প্রথম সারির নেতৃত্বের সখ্যতা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিছু সপ্তাহ আগে বিমল দাসের হোটেলে পুলিস অভিযান চালায়। সেই অভিযানে বিজেপির পঞ্চায়েত প্রধানের হোটেলে মধুচক্র চলার অভিযোগ সামনে আসে। এই ঘটনার পর থেকে বিমল পলাতক রয়েছে।
জানা গিয়েছে, এদিন দিলীপ ঘোষ গোপালী এলাকায় যান সদস্যতা অভিযানে যোগ দিতে। সেখানে অনুন্নয়ন নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। দিলীপবাবু বেশ অস্বস্তিতে পড়ে যান। জানা গিয়েছে, বিজেপি পরিচালিত গোপালী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিমলবাবু ও তার গোষ্ঠীর সদস্যরা রবিবার রাত থেকে বেশকিছু নেতাকে হুমকিও দেন। এমনকী দিলীপবাবুর কর্মসূচিতে যোগদান না করার বার্তা দেওয়া হয়।
পরে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে পঞ্চায়েত প্রধান তথা বিজেপি নেতা বিমল নানা প্রশ্ন তোলেন। (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি বর্তমান)। বিজেপি নেতা ভিডিও বার্তায় বলেন, দিলীপদা আপনি যে সদস্যতা অভিযান করছেন, তা পার্টির পক্ষে না বিপক্ষে। আপনি মণ্ডল কমিটির সদস্য, পঞ্চায়েত সদস্যদের না জানিয়ে কিছু তৃণমূলের দালালদের সঙ্গে পার্টি করছেন। আমাকে পুলিস কেস দিয়েছে, বুথ সভাপতি জেল খেটেছে তাও আপনি পাশে দাঁড়াননি। আপনি ফোন করলে ধরেছেন না, কাউকে পাত্তা দিচ্ছেন না। তাহলে আপনি পার্টি বিরোধী কাজ করছেন।
উত্তরে দিলীপবাবু বলেন, টিঙ্কু কে পার্টির, পঞ্চায়েত প্রধান পঞ্চায়েতের জায়গায়। পার্টির মণ্ডল প্রেসিডেন্ট বসে আছেন। আমরা প্রধান তৈরি করি, প্রধানমন্ত্রী তৈরি করি, সেটা পার্টি করে। প্রধানের অধিকার নেই সংগঠন কী হবে তা নিয়ে বলার। তাঁকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটাই করুন। সব জায়গায় হাত-পা মারার দরকার নেই। এটা ইন ডিসিপ্লিন। এই এলাকা আমি জিতিয়েছি। আমি লাইট লাগিয়েছি, ড্রেন উদ্বোধন করেছি। যে নিজের এলাকায় ঢুকতে পারে না, সে বিজেপির নেতা হতে পারে না। এরকম অনেক লোক আমাদের পার্টিতে আসে, চলে যায়।
এক বিজেপি নেতা বলেন, এদিন বিকেলে মেদিনীপুর শহরে সদস্যতা অভিযানে যোগ দেন দিলীপ ঘোষ। শহর এলাকায় গোষ্ঠী কোন্দল কম থাকলেও, গ্রামীণ এলাকায় দিন দিন তা বাড়ছে। উচ্চ নেতৃত্বের এই নিয়ে ভাবা উচিত।
এ নিয়ে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে। জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক বলেন, গোষ্ঠী কোন্দল থেকে বিজেপি দলের পরিচিতি। মানুষের জন্য তো কাজ করতে হয় না। তাই কিছু তো করতে হবে। বিজেপি দলটাই আস্তে আস্তে দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে।
জানা গিয়েছে, এদিন দিলীপ ঘোষ গোপালী এলাকায় যান সদস্যতা অভিযানে যোগ দিতে। সেখানে অনুন্নয়ন নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। দিলীপবাবু বেশ অস্বস্তিতে পড়ে যান। জানা গিয়েছে, বিজেপি পরিচালিত গোপালী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিমলবাবু ও তার গোষ্ঠীর সদস্যরা রবিবার রাত থেকে বেশকিছু নেতাকে হুমকিও দেন। এমনকী দিলীপবাবুর কর্মসূচিতে যোগদান না করার বার্তা দেওয়া হয়।
পরে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে পঞ্চায়েত প্রধান তথা বিজেপি নেতা বিমল নানা প্রশ্ন তোলেন। (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি বর্তমান)। বিজেপি নেতা ভিডিও বার্তায় বলেন, দিলীপদা আপনি যে সদস্যতা অভিযান করছেন, তা পার্টির পক্ষে না বিপক্ষে। আপনি মণ্ডল কমিটির সদস্য, পঞ্চায়েত সদস্যদের না জানিয়ে কিছু তৃণমূলের দালালদের সঙ্গে পার্টি করছেন। আমাকে পুলিস কেস দিয়েছে, বুথ সভাপতি জেল খেটেছে তাও আপনি পাশে দাঁড়াননি। আপনি ফোন করলে ধরেছেন না, কাউকে পাত্তা দিচ্ছেন না। তাহলে আপনি পার্টি বিরোধী কাজ করছেন।
উত্তরে দিলীপবাবু বলেন, টিঙ্কু কে পার্টির, পঞ্চায়েত প্রধান পঞ্চায়েতের জায়গায়। পার্টির মণ্ডল প্রেসিডেন্ট বসে আছেন। আমরা প্রধান তৈরি করি, প্রধানমন্ত্রী তৈরি করি, সেটা পার্টি করে। প্রধানের অধিকার নেই সংগঠন কী হবে তা নিয়ে বলার। তাঁকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটাই করুন। সব জায়গায় হাত-পা মারার দরকার নেই। এটা ইন ডিসিপ্লিন। এই এলাকা আমি জিতিয়েছি। আমি লাইট লাগিয়েছি, ড্রেন উদ্বোধন করেছি। যে নিজের এলাকায় ঢুকতে পারে না, সে বিজেপির নেতা হতে পারে না। এরকম অনেক লোক আমাদের পার্টিতে আসে, চলে যায়।
এক বিজেপি নেতা বলেন, এদিন বিকেলে মেদিনীপুর শহরে সদস্যতা অভিযানে যোগ দেন দিলীপ ঘোষ। শহর এলাকায় গোষ্ঠী কোন্দল কম থাকলেও, গ্রামীণ এলাকায় দিন দিন তা বাড়ছে। উচ্চ নেতৃত্বের এই নিয়ে ভাবা উচিত।
এ নিয়ে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে। জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক বলেন, গোষ্ঠী কোন্দল থেকে বিজেপি দলের পরিচিতি। মানুষের জন্য তো কাজ করতে হয় না। তাই কিছু তো করতে হবে। বিজেপি দলটাই আস্তে আস্তে দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে।



